প্রধানমন্ত্রীর ঘরে আসাদের স্বপ্ন পূরণ
jugantor
প্রধানমন্ত্রীর ঘরে আসাদের স্বপ্ন পূরণ

  হাসিবুল হাসান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে  

১৯ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কিছুদিন আগেও ফেরি করে খেলনা বিক্রি করতেন আসাদ মিয়া (২৭)। পিতৃহীন সংসারে বৃদ্ধ মা হাজেরা বেগম ও ছোট দুই বোন তামান্না-তানজিলাকে নিয়ে তার সংসার। ঠিক সংসার নয়, ছিল ছন্নছাড়া জীবন। বাবা মারা যাওয়ার পর কিশোর বয়সেই কাঁধে ওঠে সংসারের ঘানি। বাবার সম্পত্তি বলতে কিছুই ছিল না। থাকতেন অন্যের জায়গায়। কয়েক বছর আগে মা-বোনদের রেখে চলে যান শহরে। ফেরি করে যা আয় হতো নিজের খরচ রেখে পাঠাতেন মা-বোনদের জন্য। স্বপ্ন ছিল একদিন নিজের জমি-ঘর হবে। সবাইকে নিয়ে গড়বেন সুখের সংসার। কিন্তু স্বল্প আয়ে সবার খচর মিটিয়ে সেই স্বপ্ন ধরা দিচ্ছিল না কিছুতেই। অবশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের ঘর তার স্বপ্ন পূরণের সুযোগ করে দিয়েছে। গৃহ ও ভূমিহীন পরিবারদের জন্য করা সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পে জমি ও ঘর পেয়েছেন আসাদ মিয়া। সেই স্থায়ী ঠিকানায় মা-বোনদেন নিয়ে সংসার পেতেছেন।

ব্রাক্ষণবাড়িয়ার সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের উত্তর জাঙাল গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পে নিজের পাকা ঘরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে শুক্রবার বিকালে কথা হয় তার সঙ্গে। জীবনকে নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন আসাদ। আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে প্রশিক্ষণ শেষে ঋণ নিয়ে ব্যবসায় নামার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। বলেন, হুট করে ঘর ও জমি পেয়ে সবকিছু স্বপ্নের মতো লাগছে।

তিনি বলেন, আগে খুব কষ্ট হতো। আমি কাজের জন্য দূরে থাকতাম। ছোট বোনদের নিয়ে মা অন্যের বাড়িতে থাকত। খুব চিন্তা হতো। এখন কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, এমন একটা জীবনের স্বপ্নই দেখতাম। মা-বোনদের নিয়ে থাকব। বোনদের স্কুলে পড়াব। সেই স্বপ্ন পূরণ হবে এবার।

আসাদ মিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময় পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন তার মা হাজেরা বেগম। কেমন আছেন জানতে চাইলে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, কোনোদিন এত ভালো ঘরে থাকিনি। নিজের এমন ঘর হবে কোনোদিন ভাবিনি। এ সময় বারবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান তিনি।

নিশাদ, ২৫ বছরের তাগড়া যুবক। সেও এ গ্রামেরই ছেলে। কাছে গিয়ে কথা বলতে চাইলে হাসিমুখ করে চেয়ে রইলেন। পাশে থেকে একজন জানাল, সে কথা বলতে পারে না। অথচ দেখে বোঝার উপায় নেই! চেক টি-শার্ট আর প্যান্ট পরা ছেলেটি একটু পর কারণে-অকারণে হাসেন। দেখে মনেই হয় না এ রকম একটা মানুষ একা? কেউ নেই তার? সেই একাকিত্ব জীবনের শুরুটা হয়েছিল যখন তার বয়স দেড় বছর? অন্তহীন অভাব ও সংসারের জটিলতা সামলাতে না পেরে হার মানেন তার মা। তিন বছরের অবুঝ শিশু নিশাতকে অনিশ্চয়তায় রেখে অজানা গন্তব্যে চলে যান তিনি। জীবনের মানে বুঝে ওঠার আগেই শুরু হলো জীবনের সংগ্রাম। খেয়ে না খেয়ে, অপমান আর ধিক্কার নিয়ে পথেঘাটে থেকে বড় হতে থাকে নিশাত। পিতৃ-মাতৃহীন এই সন্তানের এমন কষ্ট এবং হাহাকার দেখে পাশের গ্রামের মূসা আনসারি নামের একজন তার লালনপালনের দায়িত্ব নেন। সেখানেই বেড়ে ওঠেন নিশাদ। প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরটি পেয়ে কেমন লাগছে জানতে চাইলে নিশাত মুচকি হাসে। পাশের লোকজন যতক্ষণ তার নির্মম জীবনের গল্প বলছিল ততক্ষণই হাসছিল নিশাত। যেন ফেলে আসা দিনের অন্তহীন কান্নার কথা ভুলে গেছে সে। এখন কী কাজ করেন জানতে চাইলে তার প্রতিবেশীরা জানান, তাকে যে কাজই দেওয়া হয় তা মনের আনন্দে করেন। দিনশেষে ঘরে একা থাকেন? সংসারজীবনে কবে যাবেন জানতে চাইলে নিশাত লজ্জায় মুখ ঢেকে মুচকি হাসে?

এখানেই ঘর পেয়েছেন আব্দুল কুদ্দুছ। ভ্যান চালিয়ে জীবন চালান। কয়েক বছর আগে অসুস্থতার কারণে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া সামান্য সম্পত্তি বিক্রি করে নিঃস্ব হতে হয় তাকে। কথা বলতে বলতে কেঁদে ফেলেন কুদ্দুছ। জীবনের বেশিরভাগ সময় অন্যের বাড়িতে থেকে কাটিয়েছেন। স্ত্রী-সন্তানকে নিজের বাড়িতে রাখতে না পারার লজ্জা তিনি বয়ে বেড়াচ্ছিলেন। সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপে ঘর পেয়ে খুশি তিনি? জীবনে প্রথমবারের মতো নিজের আঙিনায় রোপণ করেছেন পেয়ারা ও লেবুগাছ। তার ভাষ্য, এতদিনে তিনি গোছানো সংসার জীবনে পা ফেলেছেন। এজন্য সরকারপ্রধান শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

জাঙাল গ্রামে আশ্রয়ণ প্রকল্পের সারিবদ্ধভাবে সাজানো ২০টি ঘর নাজমা আক্তার, আইয়ুব খানসহ ২০টি পরিবারের। তাদের অতীতের গল্প ভিন্ন হলেও সবার সামনের দিনগুলোর ভাবনা প্রায় একইরকম। সবার চোখেই নতুন জীবনের স্বপ্ন।

দেশের ভূমি ও গৃহহীন পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ‘আশ্রয়ণ’ নামে প্রকল্প নেওয়া হয়, যা প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। এ প্রকল্পের আওতায় ১৯৯৭ থেকে ২০২১ সালের মে পর্যন্ত ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫৬২ ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়নে ‘মুজিবশতবর্ষ উপলক্ষ্যে দেশের সব ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য গৃহ প্রদান নীতিমালা ২০২০’ প্রণয়ন করা হয়। এ লক্ষ্যে গত বছর জুনে সারা দেশে দুই শ্রেণিতে ভূমি ও গৃহহীন পরিবার ও যাদের ১ থেকে ১০ শতাংশ জমি আছে কিন্তু ঘর নেই বা জরাজীর্ণ ঘর রয়েছে এমন ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬২২ পরিবারের তালিকা করা হয়। আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় নেওয়া হয় তাদের জীবন বদলের উদ্যোগ। প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৭০ হাজার পরিবার জমি ও ঘর পেয়েছেন। দ্বিতীয় ধাপে আগামীকাল আরও ৫৩ হাজার ৩৪০ ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে ঘর উপহার দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর ঘরে আসাদের স্বপ্ন পূরণ

 হাসিবুল হাসান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে 
১৯ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কিছুদিন আগেও ফেরি করে খেলনা বিক্রি করতেন আসাদ মিয়া (২৭)। পিতৃহীন সংসারে বৃদ্ধ মা হাজেরা বেগম ও ছোট দুই বোন তামান্না-তানজিলাকে নিয়ে তার সংসার। ঠিক সংসার নয়, ছিল ছন্নছাড়া জীবন। বাবা মারা যাওয়ার পর কিশোর বয়সেই কাঁধে ওঠে সংসারের ঘানি। বাবার সম্পত্তি বলতে কিছুই ছিল না। থাকতেন অন্যের জায়গায়। কয়েক বছর আগে মা-বোনদের রেখে চলে যান শহরে। ফেরি করে যা আয় হতো নিজের খরচ রেখে পাঠাতেন মা-বোনদের জন্য। স্বপ্ন ছিল একদিন নিজের জমি-ঘর হবে। সবাইকে নিয়ে গড়বেন সুখের সংসার। কিন্তু স্বল্প আয়ে সবার খচর মিটিয়ে সেই স্বপ্ন ধরা দিচ্ছিল না কিছুতেই। অবশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের ঘর তার স্বপ্ন পূরণের সুযোগ করে দিয়েছে। গৃহ ও ভূমিহীন পরিবারদের জন্য করা সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পে জমি ও ঘর পেয়েছেন আসাদ মিয়া। সেই স্থায়ী ঠিকানায় মা-বোনদেন নিয়ে সংসার পেতেছেন।

ব্রাক্ষণবাড়িয়ার সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের উত্তর জাঙাল গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পে নিজের পাকা ঘরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে শুক্রবার বিকালে কথা হয় তার সঙ্গে। জীবনকে নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন আসাদ। আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে প্রশিক্ষণ শেষে ঋণ নিয়ে ব্যবসায় নামার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। বলেন, হুট করে ঘর ও জমি পেয়ে সবকিছু স্বপ্নের মতো লাগছে।

তিনি বলেন, আগে খুব কষ্ট হতো। আমি কাজের জন্য দূরে থাকতাম। ছোট বোনদের নিয়ে মা অন্যের বাড়িতে থাকত। খুব চিন্তা হতো। এখন কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, এমন একটা জীবনের স্বপ্নই দেখতাম। মা-বোনদের নিয়ে থাকব। বোনদের স্কুলে পড়াব। সেই স্বপ্ন পূরণ হবে এবার।

আসাদ মিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময় পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন তার মা হাজেরা বেগম। কেমন আছেন জানতে চাইলে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, কোনোদিন এত ভালো ঘরে থাকিনি। নিজের এমন ঘর হবে কোনোদিন ভাবিনি। এ সময় বারবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান তিনি।

নিশাদ, ২৫ বছরের তাগড়া যুবক। সেও এ গ্রামেরই ছেলে। কাছে গিয়ে কথা বলতে চাইলে হাসিমুখ করে চেয়ে রইলেন। পাশে থেকে একজন জানাল, সে কথা বলতে পারে না। অথচ দেখে বোঝার উপায় নেই! চেক টি-শার্ট আর প্যান্ট পরা ছেলেটি একটু পর কারণে-অকারণে হাসেন। দেখে মনেই হয় না এ রকম একটা মানুষ একা? কেউ নেই তার? সেই একাকিত্ব জীবনের শুরুটা হয়েছিল যখন তার বয়স দেড় বছর? অন্তহীন অভাব ও সংসারের জটিলতা সামলাতে না পেরে হার মানেন তার মা। তিন বছরের অবুঝ শিশু নিশাতকে অনিশ্চয়তায় রেখে অজানা গন্তব্যে চলে যান তিনি। জীবনের মানে বুঝে ওঠার আগেই শুরু হলো জীবনের সংগ্রাম। খেয়ে না খেয়ে, অপমান আর ধিক্কার নিয়ে পথেঘাটে থেকে বড় হতে থাকে নিশাত। পিতৃ-মাতৃহীন এই সন্তানের এমন কষ্ট এবং হাহাকার দেখে পাশের গ্রামের মূসা আনসারি নামের একজন তার লালনপালনের দায়িত্ব নেন। সেখানেই বেড়ে ওঠেন নিশাদ। প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরটি পেয়ে কেমন লাগছে জানতে চাইলে নিশাত মুচকি হাসে। পাশের লোকজন যতক্ষণ তার নির্মম জীবনের গল্প বলছিল ততক্ষণই হাসছিল নিশাত। যেন ফেলে আসা দিনের অন্তহীন কান্নার কথা ভুলে গেছে সে। এখন কী কাজ করেন জানতে চাইলে তার প্রতিবেশীরা জানান, তাকে যে কাজই দেওয়া হয় তা মনের আনন্দে করেন। দিনশেষে ঘরে একা থাকেন? সংসারজীবনে কবে যাবেন জানতে চাইলে নিশাত লজ্জায় মুখ ঢেকে মুচকি হাসে?

এখানেই ঘর পেয়েছেন আব্দুল কুদ্দুছ। ভ্যান চালিয়ে জীবন চালান। কয়েক বছর আগে অসুস্থতার কারণে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া সামান্য সম্পত্তি বিক্রি করে নিঃস্ব হতে হয় তাকে। কথা বলতে বলতে কেঁদে ফেলেন কুদ্দুছ। জীবনের বেশিরভাগ সময় অন্যের বাড়িতে থেকে কাটিয়েছেন। স্ত্রী-সন্তানকে নিজের বাড়িতে রাখতে না পারার লজ্জা তিনি বয়ে বেড়াচ্ছিলেন। সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপে ঘর পেয়ে খুশি তিনি? জীবনে প্রথমবারের মতো নিজের আঙিনায় রোপণ করেছেন পেয়ারা ও লেবুগাছ। তার ভাষ্য, এতদিনে তিনি গোছানো সংসার জীবনে পা ফেলেছেন। এজন্য সরকারপ্রধান শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

জাঙাল গ্রামে আশ্রয়ণ প্রকল্পের সারিবদ্ধভাবে সাজানো ২০টি ঘর নাজমা আক্তার, আইয়ুব খানসহ ২০টি পরিবারের। তাদের অতীতের গল্প ভিন্ন হলেও সবার সামনের দিনগুলোর ভাবনা প্রায় একইরকম। সবার চোখেই নতুন জীবনের স্বপ্ন।

দেশের ভূমি ও গৃহহীন পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ‘আশ্রয়ণ’ নামে প্রকল্প নেওয়া হয়, যা প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। এ প্রকল্পের আওতায় ১৯৯৭ থেকে ২০২১ সালের মে পর্যন্ত ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫৬২ ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়নে ‘মুজিবশতবর্ষ উপলক্ষ্যে দেশের সব ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য গৃহ প্রদান নীতিমালা ২০২০’ প্রণয়ন করা হয়। এ লক্ষ্যে গত বছর জুনে সারা দেশে দুই শ্রেণিতে ভূমি ও গৃহহীন পরিবার ও যাদের ১ থেকে ১০ শতাংশ জমি আছে কিন্তু ঘর নেই বা জরাজীর্ণ ঘর রয়েছে এমন ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬২২ পরিবারের তালিকা করা হয়। আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় নেওয়া হয় তাদের জীবন বদলের উদ্যোগ। প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৭০ হাজার পরিবার জমি ও ঘর পেয়েছেন। দ্বিতীয় ধাপে আগামীকাল আরও ৫৩ হাজার ৩৪০ ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে ঘর উপহার দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন