নিয়ন্ত্রণহীন ইজিবাইক
jugantor
নিয়ন্ত্রণহীন ইজিবাইক
বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  ইয়াসিন রহমান  

২২ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই সারা দেশে চলছে প্রায় ২০ লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক। মোটরযান আইন অনুযায়ী এ ধরনের যান অবৈধ হলেও রাজধানীর অলিগলি থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দাপটের সঙ্গে চলাচল করছে এই যান। অঘোষিত স্ট্যান্ড বানিয়ে সৃষ্টি করছে যানজট।

অনেক মহাসড়কে এ ধরনের বাহনের আধিক্য দেখা যায়। এগুলোর নিয়ন্ত্রণহীন ও বেপরোয়া চলাচলের কারণে বাড়ছে দুর্ঘটনা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রামীণ অর্থনীতিতে ও বেকারত্ব কমাতে ইজিবাইকের ভূমিকা নিয়েও বিতর্ক আছে। দেশ এখন উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় এসব ইজিবাইক পুরোপুরি বন্ধ করে উন্নত মানের যানবাহন চালুর ব্যবস্থা করা উচিত।

জানা যায়, এসব যান শুরুতে জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও পরে সংখ্যার দিক থেকে বেড়ে যাওয়ায় জনজীবনেও মহাভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যাটারিচালিত যানগুলো কোনো স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের সুপারিশকৃত বা প্রত্যাশিতভাবে প্রস্তুত নয়। এছাড়া সরকারের কোনো প্রতিষ্ঠান যেমন- প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও বিআরটিএ কর্তৃক পরীক্ষিত ও অনুমোদিত নয়। এরপরও যানবাহনগুলো বিভিন্ন দেশ থেকে খুচরা যন্ত্রাংশ হিসাবে আমদানি করে স্থানীয় বিভিন্ন গ্যারেজে সংযোজন করে বিক্রি করা হচ্ছে। খুচরা যন্ত্রাংশ হিসাবে আমদানি করায় সরকার এ থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ড্রাইভারদের কোনো ধরনের প্রশিক্ষণ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ড্রাইভার শিশু-কিশোর। সঠিকভাবে যানগুলোর ব্যাটারি চার্জ করা হয় না। চোরাই বিদ্যুতের মাধ্যমে চার্জ করা হয়। প্রতিটি ইজিবাইকে ১২ ভোল্টের তিনটি হেভি ব্যাটারি থাকে এবং প্রতিদিন দুবার করে চার্জ দিতে হয়। প্রতি সেট ব্যাটারি চার্জের জন্য গড়ে ৮০০ থেকে ১০০০ ওয়াট হিসাবে পাঁচ থেকে ছয় ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে। এর ফলে সরকারি বিদ্যুৎ অপচয় হচ্ছে। এছাড়া পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর সনাতনী লিড অ্যাসিডের ব্যাটারির রিসাইকেল সেন্টার নেই। ফলে ব্যবহার শেষে ব্যাটারিগুলো যত্রতত্র ফেলে দেওয়া হচ্ছে; যা পরিবেশ ও মানবজীবনের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে।

সচিবালয়ে সড়ক পরিবহণ টাস্কফোর্সের সভা শেষে রোববার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সড়ক পরিবহণ সেক্টরে শৃঙ্খলা জোরদারকরণ এবং দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। যেই কমিটির ১১১টি সুপারিশ ছিল। পরে এ বিষয়ে টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। বেশকিছু সুপারিশ বাস্তবায়নের পথে। অল্প কিছু বাস্তবায়িত হয়েছে। বাকিগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করব আমরা সেই বিষয়ে কর্মপন্থা নির্ধারণ করেছি। আমরা লক্ষ করেছি সারা দেশে রিকশা-ভ্যানের মধ্যে মোটর লাগিয়ে রাস্তায় চলছে। শুধু সামনের চাকায় ব্রেক, পেছনের চাকায় কোনো নেই। সেগুলো যখন ব্রেক করে যাত্রীসহ গাড়ি উলটে যায়। আমরা দেখেছি হাইওয়েগুলোতেও এ রিকশা চলছে। প্যাডেলচালিত যেসব রিকশায় ইঞ্জিন লাগিয়ে চালানো হচ্ছে, সেগুলো বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার রাজধানীর কেরানীগঞ্জে কদমতলীর গোলচত্বর এলাকায় ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের জটলা দেখা যায়। সেখানে অঘোষিত অস্থায়ী স্ট্যান্ড করাতে গুলিস্তান থেকে বিক্রমপুর, দোহার, নবাবগঞ্জ, মাওয়া ও পদ্মা নদী পার হয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সব ধরনের বাহনের চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পথচারীদেরও নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। সড়কের ওপর স্ট্যান্ড হওয়ায় যান চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে এসব যান চলাচল করায় ব্যস্ততম এই রোডে সারাদিনই ব্যাপক যানজট লেগে থাকে। আর যানগুলো দ্রুতগতিতে চলাচল করায় অহরহ ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। পাশাপাশি এগুলো উচ্চমাত্রার শব্দের হর্ন ব্যবহার করায় বাড়ছে শব্দদূষণ।

ওই এলাকার বাসিন্দা মো. আব্বাস বলেন, অবৈধ ইজিবাইক ও ব্যাটারিচালিত যানের কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে। এসব যানবাহনে হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার করায় মারাত্মক শব্দদূষণের শিকার হচ্ছে মানুষ। চালকদের প্রশিক্ষণ না থাকায় অহরহ ঘটছে দুর্ঘটনা। সব সময় এখানে যানজট লেগে থাকে। এতে এলাকাবাসীসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মানুষের দুর্ভোগে পড়তে হয়।

রাজধানীর মিরপুর ১০-এ দেখা গেছে ইজিবাইকের দাপট। যত্রযত্র ও বেপরোয়া গতিতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এই বাহন। মিরপুর ১৩ নম্বরে এসব যানের স্ট্যান্ড করা হয়েছে। এখানে রাতে অবৈধভাবে বিদ্যুতের লাইন নিয়ে চার্জ দেওয়া হয়।

এদিকে যারা এই ইজিবাইক ক্রয় করছেন তারা বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। কারণ গাড়িগুলোর জন্য নেই কোনো বিক্রয়োত্তর সেবা। ওয়ারেন্টি ও কোনো ওয়ার্কশপ নেই। শোরুম থেকে বের হলেই সব দায়-দায়িত্ব ক্রেতার। খুচরা যন্ত্রাংশেরও অভাব রয়েছে। অনেকে ধার-দেনা করে ক্রয়কৃত ইজিবাইক এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মিরপুর ১০ নম্বর এলাকার ইজিবাইক চালক মো. মামুন বলেন, আগে রিকশা চালাতাম। এখন ব্যাটারিচালিত গাড়ি নিয়ে বের হচ্ছি। এতে কষ্ট কম হচ্ছে। তবে রাস্তায় বের হতে প্রভাবশালীদের টাকা দিতে হয়। অনেক সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থামিয়ে মারধর করে। তবে কিছু টাকা দিলে ছেড়ে দেয়। এভাবেই পেটের দায়ে কর্ম করে খাচ্ছি।

নিয়ন্ত্রণহীন ইজিবাইক

বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
 ইয়াসিন রহমান 
২২ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই সারা দেশে চলছে প্রায় ২০ লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক। মোটরযান আইন অনুযায়ী এ ধরনের যান অবৈধ হলেও রাজধানীর অলিগলি থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দাপটের সঙ্গে চলাচল করছে এই যান। অঘোষিত স্ট্যান্ড বানিয়ে সৃষ্টি করছে যানজট।

অনেক মহাসড়কে এ ধরনের বাহনের আধিক্য দেখা যায়। এগুলোর নিয়ন্ত্রণহীন ও বেপরোয়া চলাচলের কারণে বাড়ছে দুর্ঘটনা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রামীণ অর্থনীতিতে ও বেকারত্ব কমাতে ইজিবাইকের ভূমিকা নিয়েও বিতর্ক আছে। দেশ এখন উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় এসব ইজিবাইক পুরোপুরি বন্ধ করে উন্নত মানের যানবাহন চালুর ব্যবস্থা করা উচিত।

জানা যায়, এসব যান শুরুতে জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও পরে সংখ্যার দিক থেকে বেড়ে যাওয়ায় জনজীবনেও মহাভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যাটারিচালিত যানগুলো কোনো স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের সুপারিশকৃত বা প্রত্যাশিতভাবে প্রস্তুত নয়। এছাড়া সরকারের কোনো প্রতিষ্ঠান যেমন- প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও বিআরটিএ কর্তৃক পরীক্ষিত ও অনুমোদিত নয়। এরপরও যানবাহনগুলো বিভিন্ন দেশ থেকে খুচরা যন্ত্রাংশ হিসাবে আমদানি করে স্থানীয় বিভিন্ন গ্যারেজে সংযোজন করে বিক্রি করা হচ্ছে। খুচরা যন্ত্রাংশ হিসাবে আমদানি করায় সরকার এ থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ড্রাইভারদের কোনো ধরনের প্রশিক্ষণ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ড্রাইভার শিশু-কিশোর। সঠিকভাবে যানগুলোর ব্যাটারি চার্জ করা হয় না। চোরাই বিদ্যুতের মাধ্যমে চার্জ করা হয়। প্রতিটি ইজিবাইকে ১২ ভোল্টের তিনটি হেভি ব্যাটারি থাকে এবং প্রতিদিন দুবার করে চার্জ দিতে হয়। প্রতি সেট ব্যাটারি চার্জের জন্য গড়ে ৮০০ থেকে ১০০০ ওয়াট হিসাবে পাঁচ থেকে ছয় ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে। এর ফলে সরকারি বিদ্যুৎ অপচয় হচ্ছে। এছাড়া পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর সনাতনী লিড অ্যাসিডের ব্যাটারির রিসাইকেল সেন্টার নেই। ফলে ব্যবহার শেষে ব্যাটারিগুলো যত্রতত্র ফেলে দেওয়া হচ্ছে; যা পরিবেশ ও মানবজীবনের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে।

সচিবালয়ে সড়ক পরিবহণ টাস্কফোর্সের সভা শেষে রোববার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সড়ক পরিবহণ সেক্টরে শৃঙ্খলা জোরদারকরণ এবং দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। যেই কমিটির ১১১টি সুপারিশ ছিল। পরে এ বিষয়ে টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। বেশকিছু সুপারিশ বাস্তবায়নের পথে। অল্প কিছু বাস্তবায়িত হয়েছে। বাকিগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করব আমরা সেই বিষয়ে কর্মপন্থা নির্ধারণ করেছি। আমরা লক্ষ করেছি সারা দেশে রিকশা-ভ্যানের মধ্যে মোটর লাগিয়ে রাস্তায় চলছে। শুধু সামনের চাকায় ব্রেক, পেছনের চাকায় কোনো নেই। সেগুলো যখন ব্রেক করে যাত্রীসহ গাড়ি উলটে যায়। আমরা দেখেছি হাইওয়েগুলোতেও এ রিকশা চলছে। প্যাডেলচালিত যেসব রিকশায় ইঞ্জিন লাগিয়ে চালানো হচ্ছে, সেগুলো বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার রাজধানীর কেরানীগঞ্জে কদমতলীর গোলচত্বর এলাকায় ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের জটলা দেখা যায়। সেখানে অঘোষিত অস্থায়ী স্ট্যান্ড করাতে গুলিস্তান থেকে বিক্রমপুর, দোহার, নবাবগঞ্জ, মাওয়া ও পদ্মা নদী পার হয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সব ধরনের বাহনের চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পথচারীদেরও নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। সড়কের ওপর স্ট্যান্ড হওয়ায় যান চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে এসব যান চলাচল করায় ব্যস্ততম এই রোডে সারাদিনই ব্যাপক যানজট লেগে থাকে। আর যানগুলো দ্রুতগতিতে চলাচল করায় অহরহ ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। পাশাপাশি এগুলো উচ্চমাত্রার শব্দের হর্ন ব্যবহার করায় বাড়ছে শব্দদূষণ।

ওই এলাকার বাসিন্দা মো. আব্বাস বলেন, অবৈধ ইজিবাইক ও ব্যাটারিচালিত যানের কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে। এসব যানবাহনে হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার করায় মারাত্মক শব্দদূষণের শিকার হচ্ছে মানুষ। চালকদের প্রশিক্ষণ না থাকায় অহরহ ঘটছে দুর্ঘটনা। সব সময় এখানে যানজট লেগে থাকে। এতে এলাকাবাসীসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মানুষের দুর্ভোগে পড়তে হয়।

রাজধানীর মিরপুর ১০-এ দেখা গেছে ইজিবাইকের দাপট। যত্রযত্র ও বেপরোয়া গতিতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এই বাহন। মিরপুর ১৩ নম্বরে এসব যানের স্ট্যান্ড করা হয়েছে। এখানে রাতে অবৈধভাবে বিদ্যুতের লাইন নিয়ে চার্জ দেওয়া হয়।

এদিকে যারা এই ইজিবাইক ক্রয় করছেন তারা বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। কারণ গাড়িগুলোর জন্য নেই কোনো বিক্রয়োত্তর সেবা। ওয়ারেন্টি ও কোনো ওয়ার্কশপ নেই। শোরুম থেকে বের হলেই সব দায়-দায়িত্ব ক্রেতার। খুচরা যন্ত্রাংশেরও অভাব রয়েছে। অনেকে ধার-দেনা করে ক্রয়কৃত ইজিবাইক এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মিরপুর ১০ নম্বর এলাকার ইজিবাইক চালক মো. মামুন বলেন, আগে রিকশা চালাতাম। এখন ব্যাটারিচালিত গাড়ি নিয়ে বের হচ্ছি। এতে কষ্ট কম হচ্ছে। তবে রাস্তায় বের হতে প্রভাবশালীদের টাকা দিতে হয়। অনেক সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থামিয়ে মারধর করে। তবে কিছু টাকা দিলে ছেড়ে দেয়। এভাবেই পেটের দায়ে কর্ম করে খাচ্ছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন