রানিমাছের কৃত্রিম প্রজনন কৌশল উদ্ভাবন
jugantor
বিএফআরআই-এর সাফল্য
রানিমাছের কৃত্রিম প্রজনন কৌশল উদ্ভাবন

  আতাউল করিম খোকন, ময়মনসিংহ  

২২ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে রানি মাছের প্রজনন ও পোনা উৎপাদন কৌশল উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছেন। ইনস্টিটিউটের ময়মনসিংহের স্বাদুপানি কেন্দ্রে এ সফলতা অর্জিত হয়েছে।

গবেষক দলে ছিলেন ড. সেলিনা ইয়াছমিন, মো. রবিউল আওয়াল, ড. এএইচএম কোহিনুর ও ড. মো. শাহা আলী। প্রজনন কৌশল উদ্ভাবনের ফলে রানিমাছকে চাষের আওতায় আনা যাবে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ জানান, বিপন্নের তালিকায় দেশীয় প্রজাতির সব মাছকে পর্যায়ক্রমে পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। এর আওতায় চলতি বছরে ইনস্টিটিউট থেকে ১০টি বিপন্ন প্রজাতির মাছের প্রজনন কৌশল উদ্ভাবনের গবেষণা চলমান রয়েছে।

এর আওতায় ইতোমধ্যে চলতি প্রজনন মৌসুমে বাতসি, পিয়ালী ও ঢেলাসহ ০৭ প্রজাতির মাছের প্রজনন কৌশল উদ্ভাবন করা হয়েছে। সর্বশেষ সংযোজন হচ্ছে রানিমাছ। পর্যায়ক্রমে বিপন্ন প্রজাতির সব মাছকে খাবার টেবিলে ফিরিয়ে আনা হবে বলে মহাপরিচালক জানান।

সূত্র জানায়, স্বাদুপানির বিলুপ্তপ্রায় ছোট মাছের মধ্যে রানিমাছ অন্যতম। এ মাছটি খেতে খুবই সুস্বাদু এবং পুষ্টিগুণ সম্পন্ন হওয়ায় বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, ভুটান ও মিয়ানমারে এ মাছ পাওয়া যায়। রানি বা বউ নামে পরিচিত হলেও অঞ্চলভেদে এ মাছটিকে বেটি, পুতুল ও বেতাঙ্গী নামেও ডাকা হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, রানি মাছ মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত প্রজনন করে থাকে। জুন-জুলাই এদের সর্বোচ্চ প্রজনন মৌসুম। একটি পরিপক্ব স্ত্রী মাছে প্রতি গ্রামে ৮০০-৯০০টি ডিম পাওয়া যায়। এ মাছের ডিম্বাশয় এপ্রিল মাস থেকে পরিপক্ব হতে শুরু করে।

বিএফআরআই-এর সাফল্য

রানিমাছের কৃত্রিম প্রজনন কৌশল উদ্ভাবন

 আতাউল করিম খোকন, ময়মনসিংহ 
২২ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে রানি মাছের প্রজনন ও পোনা উৎপাদন কৌশল উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছেন। ইনস্টিটিউটের ময়মনসিংহের স্বাদুপানি কেন্দ্রে এ সফলতা অর্জিত হয়েছে।

গবেষক দলে ছিলেন ড. সেলিনা ইয়াছমিন, মো. রবিউল আওয়াল, ড. এএইচএম কোহিনুর ও ড. মো. শাহা আলী। প্রজনন কৌশল উদ্ভাবনের ফলে রানিমাছকে চাষের আওতায় আনা যাবে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ জানান, বিপন্নের তালিকায় দেশীয় প্রজাতির সব মাছকে পর্যায়ক্রমে পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। এর আওতায় চলতি বছরে ইনস্টিটিউট থেকে ১০টি বিপন্ন প্রজাতির মাছের প্রজনন কৌশল উদ্ভাবনের গবেষণা চলমান রয়েছে।

এর আওতায় ইতোমধ্যে চলতি প্রজনন মৌসুমে বাতসি, পিয়ালী ও ঢেলাসহ ০৭ প্রজাতির মাছের প্রজনন কৌশল উদ্ভাবন করা হয়েছে। সর্বশেষ সংযোজন হচ্ছে রানিমাছ। পর্যায়ক্রমে বিপন্ন প্রজাতির সব মাছকে খাবার টেবিলে ফিরিয়ে আনা হবে বলে মহাপরিচালক জানান।

সূত্র জানায়, স্বাদুপানির বিলুপ্তপ্রায় ছোট মাছের মধ্যে রানিমাছ অন্যতম। এ মাছটি খেতে খুবই সুস্বাদু এবং পুষ্টিগুণ সম্পন্ন হওয়ায় বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, ভুটান ও মিয়ানমারে এ মাছ পাওয়া যায়। রানি বা বউ নামে পরিচিত হলেও অঞ্চলভেদে এ মাছটিকে বেটি, পুতুল ও বেতাঙ্গী নামেও ডাকা হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, রানি মাছ মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত প্রজনন করে থাকে। জুন-জুলাই এদের সর্বোচ্চ প্রজনন মৌসুম। একটি পরিপক্ব স্ত্রী মাছে প্রতি গ্রামে ৮০০-৯০০টি ডিম পাওয়া যায়। এ মাছের ডিম্বাশয় এপ্রিল মাস থেকে পরিপক্ব হতে শুরু করে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন