ভাষাহীনদের মুখে ভাষা দিতে পারেন সাংবাদিকরা: তথ্যমন্ত্রী
jugantor
ভাষাহীনদের মুখে ভাষা দিতে পারেন সাংবাদিকরা: তথ্যমন্ত্রী

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

২৪ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যার মুখে কথা নেই কিংবা বলতে ভয় পান তার মুখে ভাষা দিতে পারেন একজন সাংবাদিক।

অব্যক্তের পক্ষে ব্যক্ত করতে পারেন। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বৃহস্পতিবার বিকালে এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) আয়োজনে সভাপতি মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুগ্ম সম্পাদক সবুর শুভ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, সিইউজের সহসভাপতি অনিন্দ্য টিটু, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শামসুল ইসলাম।

মন্ত্রী বলেন, সমাজ যেদিকে তাকায় না একজন সাংবাদিক সেদিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে পারেন। লেখনীর মাধ্যমে সমাজকে উজ্জীবিত করতে পারেন। যে স্বপ্ন দেখতেও ভুলে গেছে, তাকেও স্বপ্ন দেখাতে পারেন। দেশটা যে এগিয়ে যাচ্ছে সেটাও মানুষকে জানাতে হবে। তাহলে তারা আরও স্বপ্ন দেখবে। মানবিক প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা, যাকে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম মাদার অব হিউমিনিটি আখ্যা দিয়েছে, তিনি ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করেছেন। অথচ এটার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোনো জোরালো দাবি ছিল না।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সিআরবি চট্টগ্রামের একটি নান্দনিক ও ঐতিহাসিক জায়গা। সেটি নিয়ে চট্টগ্রামের মানুষের মাঝে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। আপনারা জানেন, প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলার ক্ষেত্রে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ রাখার কারণে ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ পদকে ভূষিত হয়েছেন। সুতরাং তার হাত দিয়ে পরিবেশ নষ্ট হয় এমন কোনো কাজ হবে না। সিআরবিতে পরিবেশ নষ্ট হোক, গাছপালা কাটা হোক সেটি আমিও ব্যক্তিগতভাবে চাই না। আমি বিষয়টি যথাযথ জায়গায় উপস্থাপন করব।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, আমরা একটি বহুমাত্রিক সমাজে বসবাস করি। এখানে বিতর্ক থাকবে, সমালোচনা থাকবে। কিন্তু এটির পাশাপাশি ভালো কাজের প্রশংসাও হতে হয়। সরকারে থাকলে সবই খারাপ, সেটি বিশেষ করে বিএনপিসহ কেউ কেউ মনে করে। তারা সরকারে থাকলে সব ভালো, আমরা থাকলে সব খারাপ। দেশটা কি এমনি এমনি এগিয়ে গেল- প্রশ্ন রাখেন তথ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্তমানে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট সাংবাদিকদের ভরসার জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনো সাংবাদিক মৃত্যুবরণ করলে তার পরিবার তিন লাখ টাকা পাচ্ছে, কেউ অসুস্থ হলেও টাকা পাচ্ছে। সম্প্রতি কল্যাণ ট্রাস্টে সাংবাদিক পরিবারের সদস্যদের পড়ালেখার ক্ষেত্রেও অনুদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু বাংলাদেশেই সাংবাদিকদের করোনাকালে এককালীন সহায়তা দেওয়া হয়েছে- সেটা ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও ভুটানসহ আশপাশের কোনো দেশই করেনি। প্রধানমন্ত্রী ১০ কোটি টাকা দিয়েছেন করোনাকালীন সহায়তার জন্য। ঈদুল আজহার আগেই সেগুলো বিতরণ শুরু হয়েছে।

ভাষাহীনদের মুখে ভাষা দিতে পারেন সাংবাদিকরা: তথ্যমন্ত্রী

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
২৪ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যার মুখে কথা নেই কিংবা বলতে ভয় পান তার মুখে ভাষা দিতে পারেন একজন সাংবাদিক।

অব্যক্তের পক্ষে ব্যক্ত করতে পারেন। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বৃহস্পতিবার বিকালে এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) আয়োজনে সভাপতি মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুগ্ম সম্পাদক সবুর শুভ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, সিইউজের সহসভাপতি অনিন্দ্য টিটু, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শামসুল ইসলাম।

মন্ত্রী বলেন, সমাজ যেদিকে তাকায় না একজন সাংবাদিক সেদিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে পারেন। লেখনীর মাধ্যমে সমাজকে উজ্জীবিত করতে পারেন। যে স্বপ্ন দেখতেও ভুলে গেছে, তাকেও স্বপ্ন দেখাতে পারেন। দেশটা যে এগিয়ে যাচ্ছে সেটাও মানুষকে জানাতে হবে। তাহলে তারা আরও স্বপ্ন দেখবে। মানবিক প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা, যাকে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম মাদার অব হিউমিনিটি আখ্যা দিয়েছে, তিনি ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করেছেন। অথচ এটার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোনো জোরালো দাবি ছিল না।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সিআরবি চট্টগ্রামের একটি নান্দনিক ও ঐতিহাসিক জায়গা। সেটি নিয়ে চট্টগ্রামের মানুষের মাঝে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। আপনারা জানেন, প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলার ক্ষেত্রে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ রাখার কারণে ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ পদকে ভূষিত হয়েছেন। সুতরাং তার হাত দিয়ে পরিবেশ নষ্ট হয় এমন কোনো কাজ হবে না। সিআরবিতে পরিবেশ নষ্ট হোক, গাছপালা কাটা হোক সেটি আমিও ব্যক্তিগতভাবে চাই না। আমি বিষয়টি যথাযথ জায়গায় উপস্থাপন করব।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, আমরা একটি বহুমাত্রিক সমাজে বসবাস করি। এখানে বিতর্ক থাকবে, সমালোচনা থাকবে। কিন্তু এটির পাশাপাশি ভালো কাজের প্রশংসাও হতে হয়। সরকারে থাকলে সবই খারাপ, সেটি বিশেষ করে বিএনপিসহ কেউ কেউ মনে করে। তারা সরকারে থাকলে সব ভালো, আমরা থাকলে সব খারাপ। দেশটা কি এমনি এমনি এগিয়ে গেল- প্রশ্ন রাখেন তথ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্তমানে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট সাংবাদিকদের ভরসার জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনো সাংবাদিক মৃত্যুবরণ করলে তার পরিবার তিন লাখ টাকা পাচ্ছে, কেউ অসুস্থ হলেও টাকা পাচ্ছে। সম্প্রতি কল্যাণ ট্রাস্টে সাংবাদিক পরিবারের সদস্যদের পড়ালেখার ক্ষেত্রেও অনুদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু বাংলাদেশেই সাংবাদিকদের করোনাকালে এককালীন সহায়তা দেওয়া হয়েছে- সেটা ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও ভুটানসহ আশপাশের কোনো দেশই করেনি। প্রধানমন্ত্রী ১০ কোটি টাকা দিয়েছেন করোনাকালীন সহায়তার জন্য। ঈদুল আজহার আগেই সেগুলো বিতরণ শুরু হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন