বড়াইগ্রামে ধসে পড়েছে নির্মাণাধীন ব্রিজ
jugantor
নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার
বড়াইগ্রামে ধসে পড়েছে নির্মাণাধীন ব্রিজ

  বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি  

২৫ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নাটোরের বড়াইগ্রামে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় পানির স্রোতে নির্মাণাধীন একটি ফুটওভার ব্রিজের গাইডওয়ালসহ একাংশ ধসে পড়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মাঝগাঁও ইউনিয়নের নেংটাদহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঠিকাদারের দুর্নীতি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকির অভাবে ব্রিজটি ধসে পড়ায় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, নেংটাদহ গ্রামে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে বড়াল নদীতে একটি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ কাজ চলছে। ২৪ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে ছয় ফুট প্রস্থের এ ব্রিজটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৮ লাখ টাকা। নাটোরের ঠিকাদার আজিজুল ইসলাম কাজটি করছেন। কিন্তু কোনো প্রকার পাইলিং ছাড়া নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে নির্মাণ কাজ করায় ব্রিজটি নিয়ে শুরু থেকেই স্থানীয়দের মধ্যে আপত্তি ছিল। শুক্রবার বিকালে হঠাৎ করেই নদীতে প্রবাহমান পানির স্রোতে ব্রিজটির উত্তরাংশের গাইডওয়াল ধসে পড়ে।

এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার আজিজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বড়াইগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহকারী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঠিকাদারকে নদীর পানি শুকিয়ে গেলে নতুনভাবে ওই গাইডওয়ালটি করে দিতে বলেছি। ঠিকাদার কাজ বুঝিয়ে না দিলে তাকে কোনো বিল দেওয়া হবে না।

নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার

বড়াইগ্রামে ধসে পড়েছে নির্মাণাধীন ব্রিজ

 বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি 
২৫ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নাটোরের বড়াইগ্রামে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় পানির স্রোতে নির্মাণাধীন একটি ফুটওভার ব্রিজের গাইডওয়ালসহ একাংশ ধসে পড়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মাঝগাঁও ইউনিয়নের নেংটাদহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঠিকাদারের দুর্নীতি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকির অভাবে ব্রিজটি ধসে পড়ায় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, নেংটাদহ গ্রামে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে বড়াল নদীতে একটি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ কাজ চলছে। ২৪ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে ছয় ফুট প্রস্থের এ ব্রিজটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৮ লাখ টাকা। নাটোরের ঠিকাদার আজিজুল ইসলাম কাজটি করছেন। কিন্তু কোনো প্রকার পাইলিং ছাড়া নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে নির্মাণ কাজ করায় ব্রিজটি নিয়ে শুরু থেকেই স্থানীয়দের মধ্যে আপত্তি ছিল। শুক্রবার বিকালে হঠাৎ করেই নদীতে প্রবাহমান পানির স্রোতে ব্রিজটির উত্তরাংশের গাইডওয়াল ধসে পড়ে।

এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার আজিজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বড়াইগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহকারী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঠিকাদারকে নদীর পানি শুকিয়ে গেলে নতুনভাবে ওই গাইডওয়ালটি করে দিতে বলেছি। ঠিকাদার কাজ বুঝিয়ে না দিলে তাকে কোনো বিল দেওয়া হবে না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন