সমালোচনার জবাব বিএনপির পরিকল্পিত লকডাউনটা কী?: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী
jugantor
সমালোচনার জবাব বিএনপির পরিকল্পিত লকডাউনটা কী?: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

  সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক  

২৭ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির পরিকল্পিত লকডাউনটা কী? সেটা ২০১৩-১৪-১৫ সালে ১৫৮ দিন মানুষকে বন্দি করে রাখার মতো কি না। সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে লকডাউন নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সমালোচনার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি পালটা প্রশ্ন ছুড়ে দেন।

মির্জা ফখরুলকে তথ্যমন্ত্রী ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং বলেন, লকডাউন নিয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে একেক সময় একেক ধরনের কথা বলা হচ্ছে। লকডাউনের আগে তারা বলেছিল দেশে কঠোর লকডাউন দেওয়া দরকার। আবার লকডাউন দেওয়ার পর বলছে এই লকডাউন অপরিকল্পিত। তাহলে তাদের পরিকল্পিত লকডাউনটা কী, সেটার প্রেসক্রিপসন তারা দিক। আর বিএনপি যে এসব কথা বলে, ২০১৩-১৪-১৫ সালে দিনের পর দিন হরতাল-অবরোধ ডেকে ১৫৮ দিন মানুষকে বন্দি করে রেখেছিল, জনগণের যে অসুবিধা হয়েছে, সেটা কি তাদের মাথায় ছিল না? মন্ত্রী বলেন, আজ তো মানুষের জীবনরক্ষার জন্য লকডাউন দিতে হচ্ছে এবং শুধু বাংলাদেশে নয়, পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই হচ্ছে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে আজ প্রায় দেড় বছর করোনা। সাময়িক অসুবিধা যে হচ্ছে না, তা নয়। তবে সবাই যদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে, তাহলে লকডাউন বাড়াতে হবে না।

মির্জা ফখরুলের ‘সরকার দিন দিন হিংস হয়ে উঠছে, বিএনপি কর্মীদের গ্রেফতার করছে’-এ বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রকৃতপক্ষে হিংস তার রাজনীতি বিশেষ করে ২০১৩-১৪-১৫ সালে যেভাবে মানুষকে পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে হত্যা করা, বহু মানুষকে ঝলসে দেওয়া, বহু মানুষকে জীবনের তরে পঙ্গু করে দেওয়া, এটি বাংলাদেশে আগে কেউ কখনো দেখেনি। পৃথিবীতেও সামসময়িককালে রাজনীতির জন্য এভাবে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করা কেউ দেখেনি।

ড. হাছান বলেন, এখন এই লকডাউনের মধ্যে যদি কেউ ফৌজদারি মামলার আসামি হন, তিনি যদি কোনো দল করেন, তাহলে তাকে গ্রেফতার করা যাবে না? মির্জা ফখরুল সাহেবরা ফৌজদারি অপরাধের আসামির পক্ষ কেন নেন? কোনো রাজনীতিবিদও যদি ফৌজদারি মামলার আসামি হন, আইন ও আদালত তো তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেবেন। এখন গ্রামাঞ্চলেও করোনা ছড়িয়েছে-এ পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি, মানুষের মধ্যে করোনার শুরুতে যে ধরনের ভীতি ছিল, সেই ভীতিটা নেই। দীর্ঘ এক বছর গ্রামে করোনা ছড়ায়নি। গ্রামের মানুষের মধ্যে একটি ধারণা জন্মেছিল গ্রামে কখনো করোনা আসবে না। কিন্তু আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি, শহরের হাসপাতালগুলোয় যে রোগীরা ভর্তি হচ্ছে, এর ৭০ ভাগ গ্রাম থেকে আসছেন। নিজের সুরক্ষার জন্যই লকডাউন এবং সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য আবারও অনুরোধ জানান মন্ত্রী।

সমালোচনার জবাব বিএনপির পরিকল্পিত লকডাউনটা কী?: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

 সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক 
২৭ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির পরিকল্পিত লকডাউনটা কী? সেটা ২০১৩-১৪-১৫ সালে ১৫৮ দিন মানুষকে বন্দি করে রাখার মতো কি না। সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে লকডাউন নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সমালোচনার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি পালটা প্রশ্ন ছুড়ে দেন।

মির্জা ফখরুলকে তথ্যমন্ত্রী ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং বলেন, লকডাউন নিয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে একেক সময় একেক ধরনের কথা বলা হচ্ছে। লকডাউনের আগে তারা বলেছিল দেশে কঠোর লকডাউন দেওয়া দরকার। আবার লকডাউন দেওয়ার পর বলছে এই লকডাউন অপরিকল্পিত। তাহলে তাদের পরিকল্পিত লকডাউনটা কী, সেটার প্রেসক্রিপসন তারা দিক। আর বিএনপি যে এসব কথা বলে, ২০১৩-১৪-১৫ সালে দিনের পর দিন হরতাল-অবরোধ ডেকে ১৫৮ দিন মানুষকে বন্দি করে রেখেছিল, জনগণের যে অসুবিধা হয়েছে, সেটা কি তাদের মাথায় ছিল না? মন্ত্রী বলেন, আজ তো মানুষের জীবনরক্ষার জন্য লকডাউন দিতে হচ্ছে এবং শুধু বাংলাদেশে নয়, পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই হচ্ছে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে আজ প্রায় দেড় বছর করোনা। সাময়িক অসুবিধা যে হচ্ছে না, তা নয়। তবে সবাই যদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে, তাহলে লকডাউন বাড়াতে হবে না।

মির্জা ফখরুলের ‘সরকার দিন দিন হিংস হয়ে উঠছে, বিএনপি কর্মীদের গ্রেফতার করছে’-এ বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রকৃতপক্ষে হিংস তার রাজনীতি বিশেষ করে ২০১৩-১৪-১৫ সালে যেভাবে মানুষকে পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে হত্যা করা, বহু মানুষকে ঝলসে দেওয়া, বহু মানুষকে জীবনের তরে পঙ্গু করে দেওয়া, এটি বাংলাদেশে আগে কেউ কখনো দেখেনি। পৃথিবীতেও সামসময়িককালে রাজনীতির জন্য এভাবে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করা কেউ দেখেনি।

ড. হাছান বলেন, এখন এই লকডাউনের মধ্যে যদি কেউ ফৌজদারি মামলার আসামি হন, তিনি যদি কোনো দল করেন, তাহলে তাকে গ্রেফতার করা যাবে না? মির্জা ফখরুল সাহেবরা ফৌজদারি অপরাধের আসামির পক্ষ কেন নেন? কোনো রাজনীতিবিদও যদি ফৌজদারি মামলার আসামি হন, আইন ও আদালত তো তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেবেন। এখন গ্রামাঞ্চলেও করোনা ছড়িয়েছে-এ পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি, মানুষের মধ্যে করোনার শুরুতে যে ধরনের ভীতি ছিল, সেই ভীতিটা নেই। দীর্ঘ এক বছর গ্রামে করোনা ছড়ায়নি। গ্রামের মানুষের মধ্যে একটি ধারণা জন্মেছিল গ্রামে কখনো করোনা আসবে না। কিন্তু আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি, শহরের হাসপাতালগুলোয় যে রোগীরা ভর্তি হচ্ছে, এর ৭০ ভাগ গ্রাম থেকে আসছেন। নিজের সুরক্ষার জন্যই লকডাউন এবং সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য আবারও অনুরোধ জানান মন্ত্রী।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন