মিরপুরে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার

জেসমিনের সুইসাইড নোট সিআইডিতে পাঠাবে পুলিশ

  যুগান্তর রিপোর্ট ০৬ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

জেসমিনের সুইসাইড নোট সিআইডিতে পাঠাবে পুলিশ

জেসমিন আক্তারের অফিসের ড্রয়ার থেকে উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটটি তার নিজের হাতের লেখা কিনা তা সুনিশ্চিত হতে পরীক্ষার জন্য সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে পাঠাবে পুলিশ।

এতে লেখা আছে- ‘আমি বেঁচে থাকার কোনো রাস্তা খুঁজে পাচ্ছি না। আমার সব দিকে অন্ধকার নেমে আসছে। তাই এ পথটি বেছে নিতে হল। আমার মৃত্যুর জন্য নির্মম দুর্ভাগ্যই দায়ী।’

দারুসসালাম থানার ওসি মো. সেলিমুজ্জামান যুগান্তরকে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার জেসমিন আক্তারের কর্মস্থলের ড্রয়ার থেকে যে চিরকুটটি পুলিশ উদ্ধার করেছে তা তার অন্য লেখার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে এটি জেসমিন আক্তারেরই হাতের লেখা। তারপরও আরও নিশ্চিত হতে চিরকুটটি পরীক্ষার জন্য সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হবে।

সেলিমুজ্জামান জানান, ৩০ এপ্রিল মিরপুরের বাংলা কলেজসংলগ্ন ‘সি’ টাইপ সরকারি কোয়ার্টারের একটি ফ্ল্যাট থেকে জেসমিন আক্তারসহ তার দুই মেয়ে হিমি ও হানির রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, জেসমিন আক্তার দুই মেয়েকে হত্যার পর নিজে আÍহত্যা করেছেন। এরপরও মা-মেয়ের মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জেসমিন আক্তার চাকরি করতেন খামারবাড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরে কোষাধ্যক্ষ পদে।

বৃহস্পতিবার তার অফিসের ড্রয়ার থেকে ছোট একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়। ওসি বলেন, ওই লেখার সঙ্গে জেসমিন আক্তারের একাধিক লেখা আমরা মিলিয়ে দেখেছি। এতে আমরা নিশ্চিত হয়েছি চিরকুটটি জেসমিন আক্তারেরই হাতের লেখা।

এরপরও সন্দেহের কোনো অবকাশ যাতে না থাকে সেজন্য প্রয়োজনে এটি পরীক্ষার জন্য সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হবে। তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো মামলা হয়নি। তবে এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে।

এ ঘটনায় এখনও হত্যাকাণ্ডের কোনো ক্লু খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাছাড়া দুই মেয়েকে হত্যার পর মা জেসমিন নিজে আÍহত্যা করেছেন কিনা, সেটি ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে নিশ্চিতভাবে বলা যাবে। তবে সুইসাইড নোট পাওয়ার পর এ ধারণাটি অনেকাংশে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর আগে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সেলিম রেজা জানান, নিহত তিনজনের শরীরেই ধারালো অস্ত্রের জখম পাওয়া গেছে।

মৃত্যুর আগে তাদের কোনো কিছু খাওয়ানো হয়েছিল কিনা, তা নিশ্চিত করতে তিনটি মরদেহের ভিসেরা নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে তিনটি মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্নগুলো একটু ব্যতিক্রমধর্মী।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter