গজারিয়ায় হাতুড়ি দিয়ে থেঁতলে দিল তরুণের শরীর
jugantor
গজারিয়ায় হাতুড়ি দিয়ে থেঁতলে দিল তরুণের শরীর
ঢামেকে আইসিউতে ২২ ঘণ্টায়ও জ্ঞান ফেরেনি

  গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ইসমানির চর ও হোসেন্দির টিটু হাজি গ্রুপের মধ্যে সোর্স মনে করে তথ্য ফাঁসের সন্দেহে ইসমানির চর প্রাইমারি স্কুলের একটি কক্ষে আটকে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে মাথা, হাত, পায়ের জয়েন্ট এবং শরীর থেঁতলে দেওয়া হয়েছে। এ সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত সাজিদুল ইসলাম মীমকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যান স্বজনরা। সেখান থেকে ফেরত দিলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ-ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ছেলেটি এখন আইসিউতে রয়েছে। ২২ ঘণ্টায়ও তার জ্ঞান ফেরেনি। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে। বৃহস্পতিবার এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি।

ইসমানির চর এলাকায় ডা. তপন ও সন্ত্রাসী টিটু হাজির ছত্রছায়ায় একটি খুন হয়। খুনের ঘটনা ডা. তপনের সহায়তায় ধামাচাপা দেওয়া হয়। সাজিদুল ইসলাম মীম সেই হত্যা মামলার আসামিদের মধ্যে একজন। সন্ত্রাসী টিটু হাজির আদেশে সংগ্রাম মোল্লার নেতৃত্বে ৮-১০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানা গেছে। সন্ত্রাসী সংগ্রাম মোল্লা (৩০) ওই এলাকার মৃত বাসেত মোল্লার ছেলে।

সাজিদুল ইসলাম মীম (২২) ইসমানির চরের আব্দুল সাত্তারের ছেলে। বড় ভাই তসলিম জানান, ৮-১০ জনের একটি গ্রুপ আমার ভাইকে কুপিয়ে এবং রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে। ঢাকা মেডিকেলের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। দুদিন অতিবাহিত হলেও ভাইয়ের জ্ঞান ফিরেনি। পায়ের হাঁটুতে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ভেঙে ফেলেছে। হাতুড়ি ও রড দিয়ে পিটিয়ে থেঁতলে দিয়েছে। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। আরও জানান, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ইসমানির চরে একটি কক্ষে আটকে মীমকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে অজ্ঞান করে ফেলে রাখে। একটি হাতও ভেঙে ফেলেছে। পায়ের হাঁটু ভেঙে ফেলেছে। ডান পায়ের হাঁটুর নিচে, বাম হাতের কব্জিতে, পাঁচ আঙ্গুলের পাঞ্জা, মাথায় হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়েছে। সংগ্রাম মোল্লার নেতৃত্বে এ হামলা হয়। হত্যা মামলার আসামিদের ডাক্তার তপন মিলিয়ে দিয়েছিল। হত্যার ঘটনা এবং বিয়ারের টাকা পাওনাকে কেন্দ্র করে এ হামলার শিকার হয় সাজিদুল ইসলাম মীম। হাজি টিটু এ ঘটনার কোনো কিছুই জানেন না বলে দাবি করেন। অথচ হোসেন্দি ও ইসমানির চর সব ঘটনার মূলে রয়েছেন তিনি।

এসআই সুজিত জানান, এমন ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানেন না। তবে বন্ধুবান্ধব মিলে মারামারি হয়েছে বলে জেনেছি। কেউ অভিযোগ করেনি। ওর ভাই একজন র‌্যাবে চাকরি করেন। গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রইছ উদ্দিন জানান, ঘটনা জেনেছি এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গজারিয়ায় হাতুড়ি দিয়ে থেঁতলে দিল তরুণের শরীর

ঢামেকে আইসিউতে ২২ ঘণ্টায়ও জ্ঞান ফেরেনি
 গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ইসমানির চর ও হোসেন্দির টিটু হাজি গ্রুপের মধ্যে সোর্স মনে করে তথ্য ফাঁসের সন্দেহে ইসমানির চর প্রাইমারি স্কুলের একটি কক্ষে আটকে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে মাথা, হাত, পায়ের জয়েন্ট এবং শরীর থেঁতলে দেওয়া হয়েছে। এ সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত সাজিদুল ইসলাম মীমকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যান স্বজনরা। সেখান থেকে ফেরত দিলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ-ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ছেলেটি এখন আইসিউতে রয়েছে। ২২ ঘণ্টায়ও তার জ্ঞান ফেরেনি। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে। বৃহস্পতিবার এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি।

ইসমানির চর এলাকায় ডা. তপন ও সন্ত্রাসী টিটু হাজির ছত্রছায়ায় একটি খুন হয়। খুনের ঘটনা ডা. তপনের সহায়তায় ধামাচাপা দেওয়া হয়। সাজিদুল ইসলাম মীম সেই হত্যা মামলার আসামিদের মধ্যে একজন। সন্ত্রাসী টিটু হাজির আদেশে সংগ্রাম মোল্লার নেতৃত্বে ৮-১০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানা গেছে। সন্ত্রাসী সংগ্রাম মোল্লা (৩০) ওই এলাকার মৃত বাসেত মোল্লার ছেলে।

সাজিদুল ইসলাম মীম (২২) ইসমানির চরের আব্দুল সাত্তারের ছেলে। বড় ভাই তসলিম জানান, ৮-১০ জনের একটি গ্রুপ আমার ভাইকে কুপিয়ে এবং রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে। ঢাকা মেডিকেলের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। দুদিন অতিবাহিত হলেও ভাইয়ের জ্ঞান ফিরেনি। পায়ের হাঁটুতে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ভেঙে ফেলেছে। হাতুড়ি ও রড দিয়ে পিটিয়ে থেঁতলে দিয়েছে। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। আরও জানান, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ইসমানির চরে একটি কক্ষে আটকে মীমকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে অজ্ঞান করে ফেলে রাখে। একটি হাতও ভেঙে ফেলেছে। পায়ের হাঁটু ভেঙে ফেলেছে। ডান পায়ের হাঁটুর নিচে, বাম হাতের কব্জিতে, পাঁচ আঙ্গুলের পাঞ্জা, মাথায় হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়েছে। সংগ্রাম মোল্লার নেতৃত্বে এ হামলা হয়। হত্যা মামলার আসামিদের ডাক্তার তপন মিলিয়ে দিয়েছিল। হত্যার ঘটনা এবং বিয়ারের টাকা পাওনাকে কেন্দ্র করে এ হামলার শিকার হয় সাজিদুল ইসলাম মীম। হাজি টিটু এ ঘটনার কোনো কিছুই জানেন না বলে দাবি করেন। অথচ হোসেন্দি ও ইসমানির চর সব ঘটনার মূলে রয়েছেন তিনি।

এসআই সুজিত জানান, এমন ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানেন না। তবে বন্ধুবান্ধব মিলে মারামারি হয়েছে বলে জেনেছি। কেউ অভিযোগ করেনি। ওর ভাই একজন র‌্যাবে চাকরি করেন। গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রইছ উদ্দিন জানান, ঘটনা জেনেছি এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন