দাউদকান্দিতে কিশোরের লাশ উদ্ধার
jugantor
দাউদকান্দিতে কিশোরের লাশ উদ্ধার

  তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গাছে বাঁধা অবস্থায় আশরাফুল আমিন (১৬) নামে এক স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। করোনায় সংসারের হাল ধরতে বাবার সঙ্গে অটোরিকশা হাতে রাস্তায় নেমেছিল সে। শুক্রবার সকালে দাউদকান্দির গৌরীপুর ইউনিয়নের দৈয়াপাড়া থেকে তার লাশ উদ্ধার করে গৌরীপুর ফাঁড়ি থানা পুলিশ। আশরাফুল কুমিল্লার তিতাস উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের আল-আমিনের ছেলে।

বাবা আল-আমিন বলেন, আমরা বাবা-ছেলে দুজনই গৌরীপুর বাজারে অটোরিকশা চালাতাম। বৃহস্পতিবার রাত ৭টা ৪০ মিনিটে আশরাফুল আমাকে বলে, বাবা আমার গাড়িতে চার্জ নাই, আমি বাড়ি চলে যাই। তখন আমি বলি ঠিক আছে গাড়ি গ্যারেজে রেখে চলে যাও। রাত ৯টার দিকে গেরেজে গিয়ে দেখি আমার ছেলের গাড়ি নেই। পরে কোথাও তার খোঁজ না পেয়ে গৌরীপুর ফাঁড়ি পুলিশ ও তিতাস থানা পুলিশকে জানাই। তারা বলে, রাতে আরও খোঁজখবর নিয়ে না পেলে সকালে আসবেন। শুক্রবার সকালে গৌরীপুর বাজারে এসে দৈয়াপাড়ায় লাশ পাওয়ার কথা জানতে পারি। পরে গিয়ে দেখি আমার ছেলে আশরাফুলের লাশ।

তিনি জানান, আশরাফুল তিতাস উপজেলার লালপুর নজরুল উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। করোনায় স্কুল বন্ধ থাকায় বাবার সঙ্গে অটোরিকশা চালিয়ে সংসারের হাল ধরেছিল সে।

গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সৈয়দ ফারুক আহম্মেদ বলেন, দৈয়াপাড়া হাজ্বিবাড়ির নোমান মিয়ার মাছের প্রজেক্টের দক্ষিণ পশ্চিম কোণে আম গাছের সঙ্গে হাত পিছমোড়া করে আশরাফুলের লাশ বাঁধা ছিল। মুখে ছিল সাদা স্কচটেপ লাগানো। এর কিছু দূরে তার অটোরিকশাটি পড়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

দাউদকান্দিতে কিশোরের লাশ উদ্ধার

 তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গাছে বাঁধা অবস্থায় আশরাফুল আমিন (১৬) নামে এক স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। করোনায় সংসারের হাল ধরতে বাবার সঙ্গে অটোরিকশা হাতে রাস্তায় নেমেছিল সে। শুক্রবার সকালে দাউদকান্দির গৌরীপুর ইউনিয়নের দৈয়াপাড়া থেকে তার লাশ উদ্ধার করে গৌরীপুর ফাঁড়ি থানা পুলিশ। আশরাফুল কুমিল্লার তিতাস উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের আল-আমিনের ছেলে।

বাবা আল-আমিন বলেন, আমরা বাবা-ছেলে দুজনই গৌরীপুর বাজারে অটোরিকশা চালাতাম। বৃহস্পতিবার রাত ৭টা ৪০ মিনিটে আশরাফুল আমাকে বলে, বাবা আমার গাড়িতে চার্জ নাই, আমি বাড়ি চলে যাই। তখন আমি বলি ঠিক আছে গাড়ি গ্যারেজে রেখে চলে যাও। রাত ৯টার দিকে গেরেজে গিয়ে দেখি আমার ছেলের গাড়ি নেই। পরে কোথাও তার খোঁজ না পেয়ে গৌরীপুর ফাঁড়ি পুলিশ ও তিতাস থানা পুলিশকে জানাই। তারা বলে, রাতে আরও খোঁজখবর নিয়ে না পেলে সকালে আসবেন। শুক্রবার সকালে গৌরীপুর বাজারে এসে দৈয়াপাড়ায় লাশ পাওয়ার কথা জানতে পারি। পরে গিয়ে দেখি আমার ছেলে আশরাফুলের লাশ।

তিনি জানান, আশরাফুল তিতাস উপজেলার লালপুর নজরুল উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। করোনায় স্কুল বন্ধ থাকায় বাবার সঙ্গে অটোরিকশা চালিয়ে সংসারের হাল ধরেছিল সে।

গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সৈয়দ ফারুক আহম্মেদ বলেন, দৈয়াপাড়া হাজ্বিবাড়ির নোমান মিয়ার মাছের প্রজেক্টের দক্ষিণ পশ্চিম কোণে আম গাছের সঙ্গে হাত পিছমোড়া করে আশরাফুলের লাশ বাঁধা ছিল। মুখে ছিল সাদা স্কচটেপ লাগানো। এর কিছু দূরে তার অটোরিকশাটি পড়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন