সিএনজি অটোরিকশা চালকদের ১০ দফা দাবিতে মানববন্ধন
jugantor
সিএনজি অটোরিকশা চালকদের ১০ দফা দাবিতে মানববন্ধন

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দশ দফা দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ সিএনজি অটোরিকশাচালক সংগ্রাম পরিষদ? জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে শুক্রবার দুপুরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়? এতে বক্তব্য দেন পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক শেখ হানিফ, সদস্য আমিনুল ইসলাম, এআর জাহাঙ্গীর ও গোলাপ হোসেন?

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-বিআরটিএ ঘোষণা অনুযায়ী সিএনজি অটোরিকশা নিবন্ধন দিতে হবে। কারণ ঢাকায় ৩ হাজার ১৯৬ জন অটোরিকশা চালকের কাছ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জনপ্রতি আবেদনপত্রের সঙ্গে ৫০ টাকা নেওয়া হয়। সিএনজি অটোরিকশা চালককে নামমাত্র সরল সুদে সিএনজি অটোরিকশা কেনার জন্য দীর্ঘ মেয়াদে (ভ্যাট, আমদানি শুল্কমুক্ত) ঋণ দিতে হবে। সিএনজি অটোরিকশাচালক ছাড়া ব্যক্তি মালিকানায় অটোরিকশা নিবন্ধন ( ব্লু-বুক) দেওয়া চলবে না। ঢাকা মহানগরে অটোরিকশার দৈনিক জমা ৫০০ টাকা ও অন্যান্য জেলার ক্ষেত্রে ৩০০ টাকা করতে হবে। ইয়েস পার্কিং না দেওয়া পর্যন্ত নো পার্কিং মামলা ও মিটারের মামলা চলবে না। বর্তমানে গাড়ির মালিক কর্তৃক সিএনজি অটোরিকশা চালকের নিয়োগপত্র দিতে হবে। সহজ শর্তে ও অল্প অর্থে নতুন লাইসেন্স ও পুরাতন লাইসেন্স নবায়ন করতে হবে। মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচল করতে দিতে হবে।

দাবিগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে, চন্দ্রা থেকে টাঙ্গাইল শহর পর্যন্ত ও মাওয়া মহাসড়কে যেমন ডিভাইডার রয়েছে, ঠিক তেমনি প্রতিটি মহাসড়কে অবিলম্বে আলাদা লেন করতে হবে। সড়কের খানাখন্দ মেরামত করে জেব্রা ক্রসিং, স্পিড ব্রেকার, রোড ডিভাইডার এবং শাখা সড়কে আরও চিহ্ন দৃশ্যমান রঙে রঙিন করতে হবে। অটোরিকশার ক্ষেত্রে সেতুর টোল ৫০ শতাংশ করতে হবে। বিভাগীয় শহরে এবং ঢাকা-চট্টগ্রামের উড়ন্ত সড়কের নিচে থাকা খালি জায়গায় গণশৌচাগার নির্মাণ করতে হবে।

সিএনজি অটোরিকশা চালকদের ১০ দফা দাবিতে মানববন্ধন

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দশ দফা দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ সিএনজি অটোরিকশাচালক সংগ্রাম পরিষদ? জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে শুক্রবার দুপুরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়? এতে বক্তব্য দেন পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক শেখ হানিফ, সদস্য আমিনুল ইসলাম, এআর জাহাঙ্গীর ও গোলাপ হোসেন?

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-বিআরটিএ ঘোষণা অনুযায়ী সিএনজি অটোরিকশা নিবন্ধন দিতে হবে। কারণ ঢাকায় ৩ হাজার ১৯৬ জন অটোরিকশা চালকের কাছ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জনপ্রতি আবেদনপত্রের সঙ্গে ৫০ টাকা নেওয়া হয়। সিএনজি অটোরিকশা চালককে নামমাত্র সরল সুদে সিএনজি অটোরিকশা কেনার জন্য দীর্ঘ মেয়াদে (ভ্যাট, আমদানি শুল্কমুক্ত) ঋণ দিতে হবে। সিএনজি অটোরিকশাচালক ছাড়া ব্যক্তি মালিকানায় অটোরিকশা নিবন্ধন ( ব্লু-বুক) দেওয়া চলবে না। ঢাকা মহানগরে অটোরিকশার দৈনিক জমা ৫০০ টাকা ও অন্যান্য জেলার ক্ষেত্রে ৩০০ টাকা করতে হবে। ইয়েস পার্কিং না দেওয়া পর্যন্ত নো পার্কিং মামলা ও মিটারের মামলা চলবে না। বর্তমানে গাড়ির মালিক কর্তৃক সিএনজি অটোরিকশা চালকের নিয়োগপত্র দিতে হবে। সহজ শর্তে ও অল্প অর্থে নতুন লাইসেন্স ও পুরাতন লাইসেন্স নবায়ন করতে হবে। মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচল করতে দিতে হবে।

দাবিগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে, চন্দ্রা থেকে টাঙ্গাইল শহর পর্যন্ত ও মাওয়া মহাসড়কে যেমন ডিভাইডার রয়েছে, ঠিক তেমনি প্রতিটি মহাসড়কে অবিলম্বে আলাদা লেন করতে হবে। সড়কের খানাখন্দ মেরামত করে জেব্রা ক্রসিং, স্পিড ব্রেকার, রোড ডিভাইডার এবং শাখা সড়কে আরও চিহ্ন দৃশ্যমান রঙে রঙিন করতে হবে। অটোরিকশার ক্ষেত্রে সেতুর টোল ৫০ শতাংশ করতে হবে। বিভাগীয় শহরে এবং ঢাকা-চট্টগ্রামের উড়ন্ত সড়কের নিচে থাকা খালি জায়গায় গণশৌচাগার নির্মাণ করতে হবে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন