আমদানিতে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা
jugantor
ডলারের উচ্চমূল্য
আমদানিতে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা
৫০ দিনে ৪২ কোটি ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক * রপ্তানিকারক ও প্রবাসীরা লাভবান

  হামিদ বিশ্বাস  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আমদানিতে গতি আসায় অনেক ব্যাংকে দেখা দিয়েছে ডলার সংকট। এতে কিছুদিন ধরেই ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে ডলারের দাম। মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলারের দাম ০.৪৭ পয়সা বেড়ে সর্বোচ্চ ৮৫ টাকা ২৭ পয়সায় ওঠে। চলতি সপ্তাহে বেড়েছে ৭ পয়সা। সংকট সামাল দিতে বাজারে ডলার বিক্রি অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের দামে লাগাম টানার চেষ্টা থাকলেও খোলাবাজারে প্রতিদিনই দাম বাড়ছে। একইসঙ্গে কয়েকটি ব্যাংক চড়া দামে নগদ ডলার বিক্রি করছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডলারের উচ্চমূল্যে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন আমদানিকারকরা। কারণ তাদের বেশি দাম দিয়ে এলসি খুলতে হয়। এতে আমদানি পণ্যের দাম যায় বেড়ে। এছাড়া যারা উচ্চ শিক্ষা, চিকিৎসা ও ভ্রমণে বিদেশে যান তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হন। তবে লাভবান হচ্ছেন রপ্তানিকারক ও প্রবাসীরা। জানা গেছে, বর্তমানে খোলাবাজারে প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ৮৮ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৮৮ টাকা ৬০ পয়সায়। খোলাবাজারের সঙ্গে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারের দামের পার্থক্য এখন তিন টাকা ছাড়িয়ে গেছে। স্বাভাবিক সময়ে এই পার্থক্য থাকে দেড় থেকে দুই টাকা। মূলত সরবরাহের চেয়ে চাহিদা বেশি হওয়ায় খোলাবাজারে ডলারের দাম বেশি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ‘লকডাউন উঠে যাওয়ার পর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল হচ্ছে। ডেফার্ড এলসির দায় পরিশোধ করতে হচ্ছে। এতে ডলারের চাপ বাড়ছে। আর কোনো পণ্যের চাহিদা বাড়লে সংকট ও দাম এমনিতেই বেড়ে যায়। তবে বাজারে যেন ডলারের সংকট তৈরি না হয় সে জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক বেশ কিছুদিন ধরেই ডলার বিক্রি করছে। গত মাসে দুই দফায় ডলার বিক্রি করা হয়েছে। চলতি মাসেও ডলার বিক্রি অব্যাহত রয়েছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক কখনও খোলাবাজারে ডলার বিক্রি করে না, কোনো ব্যাংক ডলার সংকটে এলসি খুলতে না পারলে কেবল ওই ব্যাংকের কাছে ডলার বিক্রি করা হয়।’

জানা গেছে, করোনার মধ্যেও সমানে ভোগ্যপণ্য আমদানি চলছে। রপ্তানিতে গতি আসায় শিল্পের কাঁচামাল ও মধ্যবর্তী পণ্যের আমদানিও বেড়েছে। এছাড়া শিল্প স্থাপনের মূলধনি যন্ত্রপাতির আমদানি বাড়তে শুরু করেছে। সব মিলে কয়েক মাস ধরে আমদানি ব্যয় বেশ বেড়েছে। আবার করোনার কারণে বৈদেশিক মুদ্রার দায় পরিশোধে অনেক ক্ষেত্রে শেষ হয়েছে বিশেষ সুবিধার মেয়াদ। ফলে আগের দায় পরিশোধও বেড়েছে। এতে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের চাহিদা বেড়েছে। একই সময়ে প্রবাসী আয়ে এসেছে নিুমুখী প্রবণতা। টানা পাঁচ মাস ধরে অর্থনীতির এই সূচক নিুমুখী।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগস্ট মাসে প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১৮১ কোটি ডলার। এটি গত পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বনিু। এ ছাড়া এটি গত অর্থবছরের একই মাসের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৫ কোটি ডলার কম। সব মিলে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) রেমিট্যান্স এসেছে ৩৬৮ কোটি ডলার। এটি গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১৯ শতাংশ কম। গত অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ৪৫৬ কোটি ডলার।

গত অর্থবছরে সার্বিক আমদানি ব্যয় বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ। এ সময়ে মূলধনি যন্ত্রপাতির এলসি খোলা বেড়েছে প্রায় সাড়ে ১৫ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের এলসি বেড়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ। শিল্পের কাঁচামালের এলসি বেড়েছে ২১ শতাংশ। এছাড়া শিল্পের মধ্যবর্তী পণ্যের এলসি বেড়েছে সাড়ে ২০ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায় বিক্রি হচ্ছিল ডলার। কিন্তু আগস্টের শুরু থেকে এক-দুই পয়সা করে বাড়তে শুরু করে। ১২ আগস্টের পর এই বৃদ্ধির গতি আরও বেড়ে যায়। এক-দুই পয়সার জায়গায় প্রতিদিন পাঁচ থেকে সাত পয়সা করে বাড়তে থাকে। এভাবে বাড়তে বাড়তে ২১ সেপ্টেম্বর সর্বোচ্চ ৮৫ টাকা ২৭ পয়সায় ওঠে। তবে দাম বাড়ার বিষয়টি টের পেয়ে আগেই বাজারে ডলার বিক্রি শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে ডলারের দামে লাগাম টানতে না পেরে আগস্টের পর সেপ্টেম্বর মাসেও বাজারে ডলার বিক্রি অব্যাহত রেখেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে কোনো ডলার বিক্রি করেনি বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে আগস্টে ৩০ কোটি ৫০ লাখ ও ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চার দফায় ১১ কোটি ৫০ লাখ ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে বাজার থেকে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এদিকে করোনার প্রাদুর্ভাবের পর বিদেশি পর্যটক ও যাত্রীদের আসা-যাওয়া সীমিত হয়ে যাওয়ায় খোলাবাজারে নগদ ডলারের সরবরাহ দীর্ঘদিন ধরেই তুলনামূলক কম ছিল। এখন লকডাউন উঠে যাওয়ায় বিদেশি পর্যটক ও যাত্রীদের আসা-যাওয়া কিছুটা শুরু হয়েছে, যদিও স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক কম। অন্যদিকে করোনার মধ্যেই চিকিৎসাসহ জরুরি প্রয়োজনে অনেকেই দেশের বাইরে যাচ্ছেন। ফলে তারা খোলাবাজার থেকে নগদ ডলার সংগ্রহ করছেন। কারণ ব্যাংক থেকে ডলার কিনতে গেলে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু খোলাবাজারে সহজেই ডলার কেনা যায়। খোলাবাজারে বর্তমানে প্রতি ডলারের দাম রাখা হচ্ছে ৮৮ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৮৮ টাকা ৬০ পয়সা পর্যন্ত। একইভাবে কয়েকটি ব্যাংকও নগদ ডলার বিক্রি করছে ৮৮ টাকা দরে।

ডলারের উচ্চমূল্য

আমদানিতে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা

৫০ দিনে ৪২ কোটি ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক * রপ্তানিকারক ও প্রবাসীরা লাভবান
 হামিদ বিশ্বাস 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আমদানিতে গতি আসায় অনেক ব্যাংকে দেখা দিয়েছে ডলার সংকট। এতে কিছুদিন ধরেই ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে ডলারের দাম। মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলারের দাম ০.৪৭ পয়সা বেড়ে সর্বোচ্চ ৮৫ টাকা ২৭ পয়সায় ওঠে। চলতি সপ্তাহে বেড়েছে ৭ পয়সা। সংকট সামাল দিতে বাজারে ডলার বিক্রি অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের দামে লাগাম টানার চেষ্টা থাকলেও খোলাবাজারে প্রতিদিনই দাম বাড়ছে। একইসঙ্গে কয়েকটি ব্যাংক চড়া দামে নগদ ডলার বিক্রি করছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডলারের উচ্চমূল্যে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন আমদানিকারকরা। কারণ তাদের বেশি দাম দিয়ে এলসি খুলতে হয়। এতে আমদানি পণ্যের দাম যায় বেড়ে। এছাড়া যারা উচ্চ শিক্ষা, চিকিৎসা ও ভ্রমণে বিদেশে যান তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হন। তবে লাভবান হচ্ছেন রপ্তানিকারক ও প্রবাসীরা। জানা গেছে, বর্তমানে খোলাবাজারে প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ৮৮ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৮৮ টাকা ৬০ পয়সায়। খোলাবাজারের সঙ্গে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারের দামের পার্থক্য এখন তিন টাকা ছাড়িয়ে গেছে। স্বাভাবিক সময়ে এই পার্থক্য থাকে দেড় থেকে দুই টাকা। মূলত সরবরাহের চেয়ে চাহিদা বেশি হওয়ায় খোলাবাজারে ডলারের দাম বেশি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ‘লকডাউন উঠে যাওয়ার পর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল হচ্ছে। ডেফার্ড এলসির দায় পরিশোধ করতে হচ্ছে। এতে ডলারের চাপ বাড়ছে। আর কোনো পণ্যের চাহিদা বাড়লে সংকট ও দাম এমনিতেই বেড়ে যায়। তবে বাজারে যেন ডলারের সংকট তৈরি না হয় সে জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক বেশ কিছুদিন ধরেই ডলার বিক্রি করছে। গত মাসে দুই দফায় ডলার বিক্রি করা হয়েছে। চলতি মাসেও ডলার বিক্রি অব্যাহত রয়েছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক কখনও খোলাবাজারে ডলার বিক্রি করে না, কোনো ব্যাংক ডলার সংকটে এলসি খুলতে না পারলে কেবল ওই ব্যাংকের কাছে ডলার বিক্রি করা হয়।’

জানা গেছে, করোনার মধ্যেও সমানে ভোগ্যপণ্য আমদানি চলছে। রপ্তানিতে গতি আসায় শিল্পের কাঁচামাল ও মধ্যবর্তী পণ্যের আমদানিও বেড়েছে। এছাড়া শিল্প স্থাপনের মূলধনি যন্ত্রপাতির আমদানি বাড়তে শুরু করেছে। সব মিলে কয়েক মাস ধরে আমদানি ব্যয় বেশ বেড়েছে। আবার করোনার কারণে বৈদেশিক মুদ্রার দায় পরিশোধে অনেক ক্ষেত্রে শেষ হয়েছে বিশেষ সুবিধার মেয়াদ। ফলে আগের দায় পরিশোধও বেড়েছে। এতে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের চাহিদা বেড়েছে। একই সময়ে প্রবাসী আয়ে এসেছে নিুমুখী প্রবণতা। টানা পাঁচ মাস ধরে অর্থনীতির এই সূচক নিুমুখী।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগস্ট মাসে প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১৮১ কোটি ডলার। এটি গত পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বনিু। এ ছাড়া এটি গত অর্থবছরের একই মাসের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৫ কোটি ডলার কম। সব মিলে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) রেমিট্যান্স এসেছে ৩৬৮ কোটি ডলার। এটি গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১৯ শতাংশ কম। গত অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ৪৫৬ কোটি ডলার।

গত অর্থবছরে সার্বিক আমদানি ব্যয় বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ। এ সময়ে মূলধনি যন্ত্রপাতির এলসি খোলা বেড়েছে প্রায় সাড়ে ১৫ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের এলসি বেড়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ। শিল্পের কাঁচামালের এলসি বেড়েছে ২১ শতাংশ। এছাড়া শিল্পের মধ্যবর্তী পণ্যের এলসি বেড়েছে সাড়ে ২০ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায় বিক্রি হচ্ছিল ডলার। কিন্তু আগস্টের শুরু থেকে এক-দুই পয়সা করে বাড়তে শুরু করে। ১২ আগস্টের পর এই বৃদ্ধির গতি আরও বেড়ে যায়। এক-দুই পয়সার জায়গায় প্রতিদিন পাঁচ থেকে সাত পয়সা করে বাড়তে থাকে। এভাবে বাড়তে বাড়তে ২১ সেপ্টেম্বর সর্বোচ্চ ৮৫ টাকা ২৭ পয়সায় ওঠে। তবে দাম বাড়ার বিষয়টি টের পেয়ে আগেই বাজারে ডলার বিক্রি শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে ডলারের দামে লাগাম টানতে না পেরে আগস্টের পর সেপ্টেম্বর মাসেও বাজারে ডলার বিক্রি অব্যাহত রেখেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে কোনো ডলার বিক্রি করেনি বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে আগস্টে ৩০ কোটি ৫০ লাখ ও ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চার দফায় ১১ কোটি ৫০ লাখ ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে বাজার থেকে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এদিকে করোনার প্রাদুর্ভাবের পর বিদেশি পর্যটক ও যাত্রীদের আসা-যাওয়া সীমিত হয়ে যাওয়ায় খোলাবাজারে নগদ ডলারের সরবরাহ দীর্ঘদিন ধরেই তুলনামূলক কম ছিল। এখন লকডাউন উঠে যাওয়ায় বিদেশি পর্যটক ও যাত্রীদের আসা-যাওয়া কিছুটা শুরু হয়েছে, যদিও স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক কম। অন্যদিকে করোনার মধ্যেই চিকিৎসাসহ জরুরি প্রয়োজনে অনেকেই দেশের বাইরে যাচ্ছেন। ফলে তারা খোলাবাজার থেকে নগদ ডলার সংগ্রহ করছেন। কারণ ব্যাংক থেকে ডলার কিনতে গেলে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু খোলাবাজারে সহজেই ডলার কেনা যায়। খোলাবাজারে বর্তমানে প্রতি ডলারের দাম রাখা হচ্ছে ৮৮ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৮৮ টাকা ৬০ পয়সা পর্যন্ত। একইভাবে কয়েকটি ব্যাংকও নগদ ডলার বিক্রি করছে ৮৮ টাকা দরে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন