শিবচরে লুডু খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা
jugantor
শিবচরে লুডু খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা
ঘাতক গ্রেফতার

  শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাদারীপুরের শিবচরে মোবাইল ফোনে লুডু খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে আট বছরের এক শিশুকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক তরুণের বিরুদ্ধে। পদ্মা সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কের সীমানা এলাকা থেকে মঙ্গলবার মধ্যরাতে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শিশুটির নাম রতন মোল্লা। সে শিবচর উপজেলার তাহের আকনের চরকান্দী এলাকার জসিম মোল্লার ছেলে। এ ঘটনায় সোহান শিকদার (৯) নামের আরেক শিশুকে হত্যাচেষ্টা করা হয়। সে একই এলাকার নাসির শিকদারের ছেলে। এদিকে এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ওইদিন রাতেই অভিযান চালিয়ে মেহেদী হাসান (১৮) নামের এক তরুণকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মেহেদী উপজেলার কাচাই মাতবরেরকান্দি এলাকার বিদ্যুৎ মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় বুধবার নিহত শিশুর বাবা থানায় মামলা করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেহেদী মাসখানেক চরকান্দি গ্রামে নানাবাড়িতে বেড়াতে আসে। মাঝেমধ্যেই সে পাশের বাড়ির রতন ও সোহানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে লুডু খেলত। সোহানের মায়ের মোবাইল ফোনে মঙ্গলবার সকালে মেহেদী ও দুই শিশু লুডু খেলছিল। খেলার একপর্যায়ে জয়-পরাজয় নিয়ে মেহেদীকে গালি দেয় রতন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মেহেদী তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। ওইদিন বিকালে মেহেদী ওই দুই শিশুকে কাঁঠালবাড়ি এলাকার রেস্তোরাঁয় খাওয়ার প্রস্তাব দেয়। সন্ধ্যার দিকে তারা তিনজন পদ্মা সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কের নির্জন একটি স্থানে যায়। মেহেদী সোহানকে পানি ও চানাচুর কেনার জন্য দোকানে পাঠায়। এরপর রতনের গলায় বেল্ট প্যাঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে।

সোহান সেখানে ফিরে রতনের খোঁজ করলে মেহেদী জানায়, সে বাড়ি চলে গেছে। পরে মেহেদী সোহানকে বাংলাবাজার ঘাট এলাকায় গিয়ে বৈদ্যুতিক তার প্যাঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করে। সোহানের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে মেহেদী সেখান থেকে পালিয়ে যায়। রতন বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজতে থাকে। পরে সোহানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত সাড়ে ১০টায় পুলিশ মেহেদীকে তার নানার বাড়ি এলাকা থেকে আটক করে। পরে মেহেদীকে নিয়ে পদ্মা সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কের সীমানা এলাকা থেকে রাত ১২টায় রতনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

শিবচরে লুডু খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা

ঘাতক গ্রেফতার
 শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাদারীপুরের শিবচরে মোবাইল ফোনে লুডু খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে আট বছরের এক শিশুকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক তরুণের বিরুদ্ধে। পদ্মা সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কের সীমানা এলাকা থেকে মঙ্গলবার মধ্যরাতে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শিশুটির নাম রতন মোল্লা। সে শিবচর উপজেলার তাহের আকনের চরকান্দী এলাকার জসিম মোল্লার ছেলে। এ ঘটনায় সোহান শিকদার (৯) নামের আরেক শিশুকে হত্যাচেষ্টা করা হয়। সে একই এলাকার নাসির শিকদারের ছেলে। এদিকে এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ওইদিন রাতেই অভিযান চালিয়ে মেহেদী হাসান (১৮) নামের এক তরুণকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মেহেদী উপজেলার কাচাই মাতবরেরকান্দি এলাকার বিদ্যুৎ মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় বুধবার নিহত শিশুর বাবা থানায় মামলা করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেহেদী মাসখানেক চরকান্দি গ্রামে নানাবাড়িতে বেড়াতে আসে। মাঝেমধ্যেই সে পাশের বাড়ির রতন ও সোহানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে লুডু খেলত। সোহানের মায়ের মোবাইল ফোনে মঙ্গলবার সকালে মেহেদী ও দুই শিশু লুডু খেলছিল। খেলার একপর্যায়ে জয়-পরাজয় নিয়ে মেহেদীকে গালি দেয় রতন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মেহেদী তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। ওইদিন বিকালে মেহেদী ওই দুই শিশুকে কাঁঠালবাড়ি এলাকার রেস্তোরাঁয় খাওয়ার প্রস্তাব দেয়। সন্ধ্যার দিকে তারা তিনজন পদ্মা সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কের নির্জন একটি স্থানে যায়। মেহেদী সোহানকে পানি ও চানাচুর কেনার জন্য দোকানে পাঠায়। এরপর রতনের গলায় বেল্ট প্যাঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে।

সোহান সেখানে ফিরে রতনের খোঁজ করলে মেহেদী জানায়, সে বাড়ি চলে গেছে। পরে মেহেদী সোহানকে বাংলাবাজার ঘাট এলাকায় গিয়ে বৈদ্যুতিক তার প্যাঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করে। সোহানের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে মেহেদী সেখান থেকে পালিয়ে যায়। রতন বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজতে থাকে। পরে সোহানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত সাড়ে ১০টায় পুলিশ মেহেদীকে তার নানার বাড়ি এলাকা থেকে আটক করে। পরে মেহেদীকে নিয়ে পদ্মা সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কের সীমানা এলাকা থেকে রাত ১২টায় রতনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন