মা-ভাবির সামনে আগুনে পুড়ে মরল শেকলবন্দি ছাত্র
jugantor
বুড়িচংয়ে বৈদ্যুতিক মিটার থেকে অগ্নিকাণ্ড
মা-ভাবির সামনে আগুনে পুড়ে মরল শেকলবন্দি ছাত্র

  কুমিল্লা ব্যুরো  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে আগুনে পুড়ে শেকলবন্দি মানসিক ভারসাম্যহীন এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। মা ও ভাবির সামনে আগুনে পুড়ে মারা যায় এ কলেজছাত্র। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার বাকশীমুল ইউনিয়নের খাড়েরা গ্রমের পশ্চিমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। কলেজছাত্রের নাম আলাউদ্দিন (১৯)। সে এলাকার চটপটি বিক্রেতা আবদুল মমিনের ছেলে এবং পার্শ্ববর্তী কালিকাপুর আবদুল মতিন খসরু সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিল। তাকে উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে তার বন্ধু খলিল মিয়ার ছেলে মামুন, মা হেলেনা বেগম ও ভাবিসহ ৩-৪ জন আগুনে দগ্ধ হয়েছেন।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বুড়িচং থানার ওসি মো. আলমগীর হোসেন। পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, কলেজছাত্র আলাউদ্দিন তিন মাস আগে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। এজন্য তাকে ঘরের ভেতর শেকল দিয়ে বেঁধে রাখা হতো। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ওই ঘরের বৈদ্যুতিক মিটার থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়ে পুরো ঘর পুড়ে যায়। এতে পুড়ে প্রাণ যায় আলাউদ্দিনের। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের অনুরোধে এবং মানবিক কারণে তার লাশ স্বজনদের কাছে দিয়ে আসা হয়। খবর পেয়ে বুধবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম খান। তিনি তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে মৃতের পরিবারকে এক লাখ টাকা, তিন বান ঢেউটিন ও খাদ্যসামগ্রী দেন। তিনি সরকারি ত্রাণ তহবিল থেকে সাহায্য-সহযোগিতা করারও আশ্বাস দেন। সকালে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসাম্মৎ সাবিনা ইয়াসমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে ২৫ হাজার টাকা ও প্রধানমন্ত্রীর উপহার ৪ বস্তা খাদ্য সামগ্রী দেন পরিবারটিকে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল করিম নিজ তহবিল থেকে ওই পরিবারকে ১০ হাজার টাকা দেন।

বুড়িচংয়ে বৈদ্যুতিক মিটার থেকে অগ্নিকাণ্ড

মা-ভাবির সামনে আগুনে পুড়ে মরল শেকলবন্দি ছাত্র

 কুমিল্লা ব্যুরো 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে আগুনে পুড়ে শেকলবন্দি মানসিক ভারসাম্যহীন এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। মা ও ভাবির সামনে আগুনে পুড়ে মারা যায় এ কলেজছাত্র। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার বাকশীমুল ইউনিয়নের খাড়েরা গ্রমের পশ্চিমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। কলেজছাত্রের নাম আলাউদ্দিন (১৯)। সে এলাকার চটপটি বিক্রেতা আবদুল মমিনের ছেলে এবং পার্শ্ববর্তী কালিকাপুর আবদুল মতিন খসরু সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিল। তাকে উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে তার বন্ধু খলিল মিয়ার ছেলে মামুন, মা হেলেনা বেগম ও ভাবিসহ ৩-৪ জন আগুনে দগ্ধ হয়েছেন।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বুড়িচং থানার ওসি মো. আলমগীর হোসেন। পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, কলেজছাত্র আলাউদ্দিন তিন মাস আগে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। এজন্য তাকে ঘরের ভেতর শেকল দিয়ে বেঁধে রাখা হতো। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ওই ঘরের বৈদ্যুতিক মিটার থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়ে পুরো ঘর পুড়ে যায়। এতে পুড়ে প্রাণ যায় আলাউদ্দিনের। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের অনুরোধে এবং মানবিক কারণে তার লাশ স্বজনদের কাছে দিয়ে আসা হয়। খবর পেয়ে বুধবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম খান। তিনি তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে মৃতের পরিবারকে এক লাখ টাকা, তিন বান ঢেউটিন ও খাদ্যসামগ্রী দেন। তিনি সরকারি ত্রাণ তহবিল থেকে সাহায্য-সহযোগিতা করারও আশ্বাস দেন। সকালে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসাম্মৎ সাবিনা ইয়াসমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে ২৫ হাজার টাকা ও প্রধানমন্ত্রীর উপহার ৪ বস্তা খাদ্য সামগ্রী দেন পরিবারটিকে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল করিম নিজ তহবিল থেকে ওই পরিবারকে ১০ হাজার টাকা দেন।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন