নানা আয়োজনে প্রতিষ্ঠার ৭৩ বছর উদযাপন
jugantor
ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন
নানা আয়োজনে প্রতিষ্ঠার ৭৩ বছর উদযাপন

  ঢাবি প্রতিনিধি  

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পতাকা উত্তোলন, কেক কাটা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজনে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠার ৭৩ বছর উদযাপন হয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের অ্যালামনাই ফ্লোরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান কেক কেটে ও পতাকা উত্তোলন করে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একে আজাদের সভাপতিতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এসএম মাকসুদ কামাল, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান অ্যালামনাই নেটওয়ার্কের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও চতুর্থ শিল্প বিল্পব উপযোগী বিশ্ববিদ্যালয় বিনির্মাণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণাসহ উদ্ভাবন এবং উদ্যোক্তামুখী নানারকম কর্মপ্রয়াস গ্রহণ করেছে। অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিং ও ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক বৃদ্ধির মাধ্যমে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে অ্যাসোসিয়েশন গুরুত্বপূণর্ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি।

সভাপতির বক্তব্যে একে আজাদ বলেন, অ্যালামনাইয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর আমি বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যালামনাইদের কার্যকলাপ এবং তাদের অবদান প্রত্যক্ষ করেছি। এ ক্ষেত্রে আমি সত্যিই খুব ব্যথিত এবং লজ্জিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি অ্যালামনাই হিসাবে আমাদের যে দায়িত্ব ও কর্তব্য তা আমরা পালন করতে সক্ষম হইনি। কারণ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো খরচই সরকারি অনুদান এবং শিক্ষার্থীদের সামান্য বেতনে চলে। সরকারি অনুদানে একটি বিশ্ববিদ্যালয় চলতে পারে না। এ ক্ষেত্রে অ্যালামনাইদেরও অবদান রাখতে হবে।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অ্যালামনাইয়ের পক্ষ থেকে ১২০০ শিক্ষার্থীকে মাসে আড়াই হাজার টাকা করে প্রতি বছর তিন কোটি টাকা বৃত্তি দেওয়া হয়। এই বৃত্তি না দেওয়া হলে অনেক শিক্ষার্থীরই হয়তো লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হতো না। তাই আগামী দিনে আমাদের লক্ষ্য হলো, অ্যালামনাইয়ের উদ্যোগে ১০০ কোটি টাকার ফান্ড গঠন করা।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান। অনলাইনে যুক্ত হয়ে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন বক্তব্য দেন-সিনিয়র সহ-সভাপতি মোল্লা মোহম্মাদ আবু কাওছার, ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ও মহাসচিব রকীবউদ্দীন আহম্মেদ। এছাড়া সশরীরে উপস্থিত হয়ে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন অ্যালামনাইয়ের সহ-সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী (পারভেজ), মহাসচিব রঞ্জন কর্মকার, কোষাধ্যক্ষ দেওয়ান রাশিদুল হাসান এবং কার্যনিবাহী কমিটির সদস্য সেলিমা খাতুন।

দ্বিতীয় পর্ব সঞ্চালনা করেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম-মহাসচিব আশরাফুল হক মুকুল। এরপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী প্রিয়াঙ্কা গোপ। নৃত্য পরিবেশন করেন নৃত্যশিল্পী সামিনা হোসেন প্রেমা।

ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন

নানা আয়োজনে প্রতিষ্ঠার ৭৩ বছর উদযাপন

 ঢাবি প্রতিনিধি 
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পতাকা উত্তোলন, কেক কাটা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজনে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠার ৭৩ বছর উদযাপন হয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের অ্যালামনাই ফ্লোরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান কেক কেটে ও পতাকা উত্তোলন করে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একে আজাদের সভাপতিতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এসএম মাকসুদ কামাল, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান অ্যালামনাই নেটওয়ার্কের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও চতুর্থ শিল্প বিল্পব উপযোগী বিশ্ববিদ্যালয় বিনির্মাণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণাসহ উদ্ভাবন এবং উদ্যোক্তামুখী নানারকম কর্মপ্রয়াস গ্রহণ করেছে। অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিং ও ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক বৃদ্ধির মাধ্যমে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে অ্যাসোসিয়েশন গুরুত্বপূণর্ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি।

সভাপতির বক্তব্যে একে আজাদ বলেন, অ্যালামনাইয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর আমি বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যালামনাইদের কার্যকলাপ এবং তাদের অবদান প্রত্যক্ষ করেছি। এ ক্ষেত্রে আমি সত্যিই খুব ব্যথিত এবং লজ্জিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি অ্যালামনাই হিসাবে আমাদের যে দায়িত্ব ও কর্তব্য তা আমরা পালন করতে সক্ষম হইনি। কারণ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো খরচই সরকারি অনুদান এবং শিক্ষার্থীদের সামান্য বেতনে চলে। সরকারি অনুদানে একটি বিশ্ববিদ্যালয় চলতে পারে না। এ ক্ষেত্রে অ্যালামনাইদেরও অবদান রাখতে হবে।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অ্যালামনাইয়ের পক্ষ থেকে ১২০০ শিক্ষার্থীকে মাসে আড়াই হাজার টাকা করে প্রতি বছর তিন কোটি টাকা বৃত্তি দেওয়া হয়। এই বৃত্তি না দেওয়া হলে অনেক শিক্ষার্থীরই হয়তো লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হতো না। তাই আগামী দিনে আমাদের লক্ষ্য হলো, অ্যালামনাইয়ের উদ্যোগে ১০০ কোটি টাকার ফান্ড গঠন করা।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান। অনলাইনে যুক্ত হয়ে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন বক্তব্য দেন-সিনিয়র সহ-সভাপতি মোল্লা মোহম্মাদ আবু কাওছার, ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ও মহাসচিব রকীবউদ্দীন আহম্মেদ। এছাড়া সশরীরে উপস্থিত হয়ে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন অ্যালামনাইয়ের সহ-সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী (পারভেজ), মহাসচিব রঞ্জন কর্মকার, কোষাধ্যক্ষ দেওয়ান রাশিদুল হাসান এবং কার্যনিবাহী কমিটির সদস্য সেলিমা খাতুন।

দ্বিতীয় পর্ব সঞ্চালনা করেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম-মহাসচিব আশরাফুল হক মুকুল। এরপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী প্রিয়াঙ্কা গোপ। নৃত্য পরিবেশন করেন নৃত্যশিল্পী সামিনা হোসেন প্রেমা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন