দুর্ভাগ্য, এখন দেশ রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করেন না : মির্জা ফখরুল
jugantor
দুর্ভাগ্য, এখন দেশ রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করেন না : মির্জা ফখরুল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ১/১১ এর চক্রান্ত থেকে আমরা মুক্তি পাইনি। ২০০৮ সালের নির্বাচন এবং পরবর্তী নির্বাচন সবই একই লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আজকে আমাদের দুর্ভাগ্য, এখন দেশ কিন্তু রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করে না। শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (একাংশ) বার্ষিক সাধারণ সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশে নির্বাচন ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। কোথায় নির্বাচন কমিশন? এই কমিশন সম্পূর্ণভাবে একটা আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আজকে আবার শোনা যাচ্ছে, ফেব্র“য়ারি মাসে আবার নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। পত্রিকায় দেখলাম, ৫২ জনবিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী একটা আইন প্রণয়ন করতে বলেছেন নির্বাচন কমিশনের জন্য। ভালো কথা। কিন্তু আইনটা করবে কে? এই আইন তো পাশ করবে সেই পার্লামেন্ট, যেখানে আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কিছু নেই। সুতরাং নির্বাচনের আইন যারা করতে চান, সবার আগে তাদের এই বিষয়টি লক্ষ্য রাখা উচিত।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি কাদের গণি চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও ডিইউজে নেতা শাহজাহান সাজু ও দিদারুল আলম দিদারের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন বিএফইউজের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এমএ আজিজ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, বর্তমান সভাপতি ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাবেক সভাপতি বাকের হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালিন নোমানী, ডিইউজের শাহীন হাসনাত, বাসির জামাল, রাশেদুল হক প্রমুখ। নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগ শাখার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একজন সাংবাদিকের ওপর নির্যাতনের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এটা কিন্তু আওয়ামী লীগের চরিত্র। যখনই তাদের মতের বিরুদ্ধে কিছু বলবেন, তখনই তার ওপর নির্যাতন করবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার পরিকল্পিতভাবে সংবাদমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য, যাতে সত্য কথা বলতে না পারি সেজন্য নতুন নতুন আইন করছে। ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট করেছে। এখন নতুন একটি আইন তৈরি করতে যাচ্ছে সেটাকে তারা বলছে ব্যক্তি সুরক্ষা আইন। এটা আরেকটা কৌশলে নিয়ন্ত্রণ করা। সবার প্রতি আবেদন থাকবে, বিভেদ নয়, ঐক্য দিয়ে এ দেশের মুক্তি হবে। গণতন্ত্র মুক্তি পাবে, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া মুক্ত হবেন। ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের কারাবন্দি সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানান তিনি।

শওকত মাহমুদ বলেন, বহু সাংবাদিক মত প্রকাশ করতে গিয়ে জেলে গেছেন, নির্যাতিত হয়েছেন। এ অবস্থার সমাধানের একটাই পথ, সরকারের পতন ঘটানো। আসুন, সবাই ঐক্যবদ্ধ হই। কাদের গণি চৌধুরী বলেন, দেশ এক ভয়াবহ সংকটকাল অতিক্রম করছে। এই অবস্থার অবসানে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই ছাড়া বিকল্প নেই।

দুর্ভাগ্য, এখন দেশ রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করেন না : মির্জা ফখরুল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ১/১১ এর চক্রান্ত থেকে আমরা মুক্তি পাইনি। ২০০৮ সালের নির্বাচন এবং পরবর্তী নির্বাচন সবই একই লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আজকে আমাদের দুর্ভাগ্য, এখন দেশ কিন্তু রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করে না। শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (একাংশ) বার্ষিক সাধারণ সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশে নির্বাচন ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। কোথায় নির্বাচন কমিশন? এই কমিশন সম্পূর্ণভাবে একটা আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আজকে আবার শোনা যাচ্ছে, ফেব্র“য়ারি মাসে আবার নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। পত্রিকায় দেখলাম, ৫২ জনবিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী একটা আইন প্রণয়ন করতে বলেছেন নির্বাচন কমিশনের জন্য। ভালো কথা। কিন্তু আইনটা করবে কে? এই আইন তো পাশ করবে সেই পার্লামেন্ট, যেখানে আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কিছু নেই। সুতরাং নির্বাচনের আইন যারা করতে চান, সবার আগে তাদের এই বিষয়টি লক্ষ্য রাখা উচিত।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি কাদের গণি চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও ডিইউজে নেতা শাহজাহান সাজু ও দিদারুল আলম দিদারের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন বিএফইউজের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এমএ আজিজ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, বর্তমান সভাপতি ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাবেক সভাপতি বাকের হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালিন নোমানী, ডিইউজের শাহীন হাসনাত, বাসির জামাল, রাশেদুল হক প্রমুখ। নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগ শাখার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একজন সাংবাদিকের ওপর নির্যাতনের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এটা কিন্তু আওয়ামী লীগের চরিত্র। যখনই তাদের মতের বিরুদ্ধে কিছু বলবেন, তখনই তার ওপর নির্যাতন করবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার পরিকল্পিতভাবে সংবাদমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য, যাতে সত্য কথা বলতে না পারি সেজন্য নতুন নতুন আইন করছে। ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট করেছে। এখন নতুন একটি আইন তৈরি করতে যাচ্ছে সেটাকে তারা বলছে ব্যক্তি সুরক্ষা আইন। এটা আরেকটা কৌশলে নিয়ন্ত্রণ করা। সবার প্রতি আবেদন থাকবে, বিভেদ নয়, ঐক্য দিয়ে এ দেশের মুক্তি হবে। গণতন্ত্র মুক্তি পাবে, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া মুক্ত হবেন। ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের কারাবন্দি সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানান তিনি।

শওকত মাহমুদ বলেন, বহু সাংবাদিক মত প্রকাশ করতে গিয়ে জেলে গেছেন, নির্যাতিত হয়েছেন। এ অবস্থার সমাধানের একটাই পথ, সরকারের পতন ঘটানো। আসুন, সবাই ঐক্যবদ্ধ হই। কাদের গণি চৌধুরী বলেন, দেশ এক ভয়াবহ সংকটকাল অতিক্রম করছে। এই অবস্থার অবসানে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই ছাড়া বিকল্প নেই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন