‘পকেট কমিটি’গঠনের চেষ্টার অভিযোগ
jugantor
বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপি
‘পকেট কমিটি’গঠনের চেষ্টার অভিযোগ
সম্মেলন স্থগিত

  বগুড়া ব্যুরো  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নির্দেশে শুক্রবার গভীর রাতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২৮ সেপ্টেম্বর সদরের নুনগোলা ইউনিয়নের হাজরাদীঘি স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল। এক পক্ষ ‘তারেক মডেল’ (গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচন) অবজ্ঞা এবং তফসিল ঘোষণা না করে পকেট কমিটি গঠনের চেষ্টার অভিযোগ তুলে তারেক রহমানের কাছে চিঠি দিয়েছিল। সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও নামুজা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাসেল মামুন শনিবার বিকালে সম্মেলন স্থগিতের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অনিবার্য কারণবশত তারেক রহমানের নির্দেশে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ এমপি সম্মেলন স্থগিতের বিষয়টি তাদের জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, সম্মেলন হওয়ার আগেই ‘পকেট কমিটি’ গঠন নিয়ে আলোচনা অবান্তর। শুক্রবার সন্ধ্যায় সদর বিএনপি কার্যালয়ে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সভায় নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল।

বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাইদুল ইসলাম গফুর জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান ২০০০ সালে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচনের ধারা (তারেক মডেল খ্যাত) চালু করেছিলেন। কিন্তু জেলা বিএনপির নেতারা তাদের পছন্দের কাউকে দিয়ে নির্বাচন ছাড়াই সদর উপজেলা বিএনপির পকেট কমিটি গঠনের চেষ্টা করেন। তাই আহ্বায়ক কমিটি তড়িঘড়ি করে ২৮ সেপ্টেম্বর শহর ছেড়ে গ্রামে হাজরাদীঘি স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে সম্মেলনের প্রস্তুতি নেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি (গফুর) ও আহ্বায়ক কমিটির কয়েকজন তারেক রহমানের কাছে ব্যালটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচনের দাবি করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার গভীর রাতে তারেক রহমান সদর উপজেলা বিএনপির সম্মেলন স্থগিত ঘোষণা করেন। এরপর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ এমপি বিষয়টি সদর উপজেলা বিএনপির সম্মেলন কমিটির নেতাদের জানান। ফলে সম্মেলনটি স্থগিত করা হয়েছে। এ জন্য নেতারা তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

মাইদুল ইসলাম গফুর তার ফেসবুকে পেজে ও ফোনে জানান, জেলা বিএনপির কতিপয় নেতা তারেক মডেল অবজ্ঞা করে পকেট কমিটি গঠনের চেষ্টা করেছিলেন। ব্যর্থ হয়ে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সভায় অনেক ত্যাগী নেতাকর্মীকে কুকুর আখ্যায়িত করে অসৌজন্যমূলক কথা বলেন।

শহর ছেড়ে গ্রামে প্রহসনের সম্মেলনটি স্থগিত করায় তারা তারেক রহমানকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তিনি তৃণমূল পর্যায়ের দাবি অনুসারে নতুন করে তফসিল ঘোষণা ও ব্যালটের মাধ্যমে সদর উপজেলা বিএনপির নেতা নির্বাচনের দাবি জানান।

সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নামুজা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাসেল মামুন বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ এমপি শুক্রবার গভীর রাতে সম্মেলন স্থগিতের ঘোষণা দেন। তাই তিনি শনিবার সকাল থেকে নেতাকর্মীদের সম্মেলন স্থগিতের বিষয়টি জানান। পকেট কমিটি গঠনের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সম্মেলন হওয়ার আগেই এমন মন্তব্য করা ঠিক নয়।

বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপি

‘পকেট কমিটি’গঠনের চেষ্টার অভিযোগ

সম্মেলন স্থগিত
 বগুড়া ব্যুরো 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নির্দেশে শুক্রবার গভীর রাতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২৮ সেপ্টেম্বর সদরের নুনগোলা ইউনিয়নের হাজরাদীঘি স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল। এক পক্ষ ‘তারেক মডেল’ (গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচন) অবজ্ঞা এবং তফসিল ঘোষণা না করে পকেট কমিটি গঠনের চেষ্টার অভিযোগ তুলে তারেক রহমানের কাছে চিঠি দিয়েছিল। সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও নামুজা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাসেল মামুন শনিবার বিকালে সম্মেলন স্থগিতের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অনিবার্য কারণবশত তারেক রহমানের নির্দেশে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ এমপি সম্মেলন স্থগিতের বিষয়টি তাদের জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, সম্মেলন হওয়ার আগেই ‘পকেট কমিটি’ গঠন নিয়ে আলোচনা অবান্তর। শুক্রবার সন্ধ্যায় সদর বিএনপি কার্যালয়ে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সভায় নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল।

বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাইদুল ইসলাম গফুর জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান ২০০০ সালে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচনের ধারা (তারেক মডেল খ্যাত) চালু করেছিলেন। কিন্তু জেলা বিএনপির নেতারা তাদের পছন্দের কাউকে দিয়ে নির্বাচন ছাড়াই সদর উপজেলা বিএনপির পকেট কমিটি গঠনের চেষ্টা করেন। তাই আহ্বায়ক কমিটি তড়িঘড়ি করে ২৮ সেপ্টেম্বর শহর ছেড়ে গ্রামে হাজরাদীঘি স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে সম্মেলনের প্রস্তুতি নেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি (গফুর) ও আহ্বায়ক কমিটির কয়েকজন তারেক রহমানের কাছে ব্যালটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচনের দাবি করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার গভীর রাতে তারেক রহমান সদর উপজেলা বিএনপির সম্মেলন স্থগিত ঘোষণা করেন। এরপর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ এমপি বিষয়টি সদর উপজেলা বিএনপির সম্মেলন কমিটির নেতাদের জানান। ফলে সম্মেলনটি স্থগিত করা হয়েছে। এ জন্য নেতারা তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

মাইদুল ইসলাম গফুর তার ফেসবুকে পেজে ও ফোনে জানান, জেলা বিএনপির কতিপয় নেতা তারেক মডেল অবজ্ঞা করে পকেট কমিটি গঠনের চেষ্টা করেছিলেন। ব্যর্থ হয়ে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সভায় অনেক ত্যাগী নেতাকর্মীকে কুকুর আখ্যায়িত করে অসৌজন্যমূলক কথা বলেন।

শহর ছেড়ে গ্রামে প্রহসনের সম্মেলনটি স্থগিত করায় তারা তারেক রহমানকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তিনি তৃণমূল পর্যায়ের দাবি অনুসারে নতুন করে তফসিল ঘোষণা ও ব্যালটের মাধ্যমে সদর উপজেলা বিএনপির নেতা নির্বাচনের দাবি জানান।

সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নামুজা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাসেল মামুন বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ এমপি শুক্রবার গভীর রাতে সম্মেলন স্থগিতের ঘোষণা দেন। তাই তিনি শনিবার সকাল থেকে নেতাকর্মীদের সম্মেলন স্থগিতের বিষয়টি জানান। পকেট কমিটি গঠনের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সম্মেলন হওয়ার আগেই এমন মন্তব্য করা ঠিক নয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন