রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশুরোগীর চাপ
jugantor
হ্যান্ড ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশুরোগীর চাপ

  রংপুর ব্যুরো  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে এখন নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত শিশুদের প্রচণ্ড ভিড়। তবে ‘হ্যান্ড, ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ’ নামে নতুন রোগে আক্রান্ত শিশুরাই বেশি আসছে এ হাসপাতালে। এ রোগে আক্রান্ত শিশুদের হাত, পা ও মুখে ফোসকা দেখা দেয়, মুখে ঘা হয়। প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়। খাবার খাওয়া কমিয়ে দেয়। মূলত সংক্রামক ভাইরাসের মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায়।

তবে এতে অভিভাবকদের আতঙ্কিত না হয়ে শিশুদের পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। হাসপাতালের তৃতীয় তলার ৯ ও ১০ নম্বর শিশু ওয়ার্ড এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মোট ১১৭টি শয্যার বিপরীতে দুই শতাধিক শিশু ভর্তি আছে। এমনকি মেঝেতেও শিশুসহ অভিভাবকরা অবস্থান করায় ওয়ার্ডগুলোতে চলাচল একরকম কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিশু ওয়ার্ডের রেজিস্ট্রার ডা. আ. ন. ম. তানভীর চৌধুরী বলেন, সাধারণত এ সময় ওয়ার্ডগুলোতে শিশুরোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ জন শিশু। তবে এ বছরই প্রথম উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় হ্যান্ড, ফুট অ্যান্ড মাউথ রোগে আক্রান্ত শিশুরা চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসছে। দুই মাস ধরে এ রোগের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন গড়ে চার থেকে পাঁচটি শিশু এ রোগের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসছে।

তিনি বলেন, এ রোগে শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি পানি ও তরল জাতীয় খাবার বেশি করে খাওয়াতে হবে। আক্রান্ত শিশুদের কাছে অন্য শিশুরা যাতে না আসে তা খেয়াল রাখতে হবে। সাধারণত দেড় বছর থেকে শুরু করে ছয় বছরের শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। অনেকে এ রোগকে সাধারণ পক্স মনে করে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। তাই অভিজ্ঞ চিকিৎসক দেখিয়ে ওষুধ সেবন করাতে হবে। শিশু ওয়ার্ডের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. অতনু বসাক বলেন, ভাইরাসজনিত হ্যান্ড, ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজে আক্রান্ত শিশুদের এন্টিবায়োটিক প্রয়োজন হয় না।

হ্যান্ড ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশুরোগীর চাপ

 রংপুর ব্যুরো 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে এখন নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত শিশুদের প্রচণ্ড ভিড়। তবে ‘হ্যান্ড, ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ’ নামে নতুন রোগে আক্রান্ত শিশুরাই বেশি আসছে এ হাসপাতালে। এ রোগে আক্রান্ত শিশুদের হাত, পা ও মুখে ফোসকা দেখা দেয়, মুখে ঘা হয়। প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়। খাবার খাওয়া কমিয়ে দেয়। মূলত সংক্রামক ভাইরাসের মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায়।

তবে এতে অভিভাবকদের আতঙ্কিত না হয়ে শিশুদের পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। হাসপাতালের তৃতীয় তলার ৯ ও ১০ নম্বর শিশু ওয়ার্ড এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মোট ১১৭টি শয্যার বিপরীতে দুই শতাধিক শিশু ভর্তি আছে। এমনকি মেঝেতেও শিশুসহ অভিভাবকরা অবস্থান করায় ওয়ার্ডগুলোতে চলাচল একরকম কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিশু ওয়ার্ডের রেজিস্ট্রার ডা. আ. ন. ম. তানভীর চৌধুরী বলেন, সাধারণত এ সময় ওয়ার্ডগুলোতে শিশুরোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ জন শিশু। তবে এ বছরই প্রথম উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় হ্যান্ড, ফুট অ্যান্ড মাউথ রোগে আক্রান্ত শিশুরা চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসছে। দুই মাস ধরে এ রোগের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন গড়ে চার থেকে পাঁচটি শিশু এ রোগের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসছে।

তিনি বলেন, এ রোগে শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি পানি ও তরল জাতীয় খাবার বেশি করে খাওয়াতে হবে। আক্রান্ত শিশুদের কাছে অন্য শিশুরা যাতে না আসে তা খেয়াল রাখতে হবে। সাধারণত দেড় বছর থেকে শুরু করে ছয় বছরের শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। অনেকে এ রোগকে সাধারণ পক্স মনে করে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। তাই অভিজ্ঞ চিকিৎসক দেখিয়ে ওষুধ সেবন করাতে হবে। শিশু ওয়ার্ডের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. অতনু বসাক বলেন, ভাইরাসজনিত হ্যান্ড, ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজে আক্রান্ত শিশুদের এন্টিবায়োটিক প্রয়োজন হয় না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন