আতাউস সামাদ ছিলেন একটি প্রতিষ্ঠান
jugantor
স্মরণসভায় বক্তারা
আতাউস সামাদ ছিলেন একটি প্রতিষ্ঠান

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সাংবাদিক আতাউস সামাদ শুধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি ছিলেন একটি প্রতিষ্ঠান। তার সান্নিধ্য যারা পেয়েছেন তারা কখনও তাকে ভুলতে পারবেন না। তিনি ছিলেন সৎ, নিষ্ঠাবান এবং নির্ভিক সাংবাদিক। সেই সঙ্গে ছিলেন শিক্ষাগুরুও। নবম মৃত্যুবার্ষিকী

উপলক্ষ্যে স্মরণসভায় বক্তারা এ কথা বলেন। আতাউস সামাদ স্মৃতি পরিষদ রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সভার আয়োজন করে।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। বক্তব্য দেন, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, কবি হেলাল হাফিজ, দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের নির্বাহী সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, আজকের পত্রিকার সম্পাদক অধ্যাপক গোলাম রহমান, আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক নাইমুল ইসলাম খান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন একাংশের মহাসচিব নূরুল আলম রোকন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গণি চৌধুরী, সাংবাদিক মুন্নি সাহা ও আতাউস সামাদের ভাইপো ইশতিয়াক আজিজুর রহমান। সভায় আতাউস সামাদ স্মৃতি পুরস্কার-২০২১ প্রদান করা হয়। পুরস্কার পান রয়টার্সের ফটো সাংবাদিক এবিএম রফিকুর রহমান। সভায় এবিএম রফিকুর রহমানের মা অনুভূতি ব্যক্ত করেন। সভা সঞ্চালনা করেন আতাউস সামাদ স্মৃতি পরিষদের আহ্বায়ক হাসান হাফিজ।

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকদের ঐক্যের জন্য আতাউস সামাদ সারা জীবন সংগ্রাম করে গেছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় আজও সাংবাদিকদের ঐক্য প্রতিষ্ঠা হয়নি। তিনি বলেন, পেশাজীবীদের এক হতে হবে। এ ঐক্য যে কত শক্তিশালী তা পাকিস্তান আমলেই প্রমাণিত হয়েছে। আজ ব্যাংক হিসাব তলব করে সাংবাদিক নেতাদের অপমান করা হচ্ছে। এজন্য সবাইকে এক হতে হবে। এখন বাংলাদেশের বাস্তবতা হচ্ছে সবাই সূর্যমুখী হয়ে গেছেন। অর্থাৎ শক্তির দিকে, ক্ষমতার দিকে সবাই মুখ করে আছেন। কিন্তু বর্তমানে যে উন্নয়ন হচ্ছে তা আরও বৈষম্য সৃষ্টি করছে। সেই সঙ্গে সৃষ্টি করছে দুর্নীতিও। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আতাউস সামাদ সংবাদপত্রের স্বাধীনতার জন্য কাজ করেছেন। তাকে অনেকেই অস্থির প্রকৃতির মানুষ বলতেন। কিন্তু তিনি যখন একটি আইডিয়া তৈরি করতেন, সেটি যতক্ষণ ডেলিভারি না দিতে পারতেন ততক্ষণ স্থির হয়ে বসে থাকতে পারতেন না। তিনি ছিলেন সহজ, সরল ও সৎ মানুষ। আজ যাকে আতাউস সামদ স্মৃতি পুরস্কার দেওয়া হলো তিনি সত্যিকার অর্থে যোগ্য লোক। তার ছবি অনন্য। ফলে তিনি রয়টার্সের জার্নালিস্ট অব দ্য ইয়ার টু থাউজেন্ট সেভেন সম্মাননা লাভ করেছেন।

স্মরণসভায় বক্তারা

আতাউস সামাদ ছিলেন একটি প্রতিষ্ঠান

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সাংবাদিক আতাউস সামাদ শুধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি ছিলেন একটি প্রতিষ্ঠান। তার সান্নিধ্য যারা পেয়েছেন তারা কখনও তাকে ভুলতে পারবেন না। তিনি ছিলেন সৎ, নিষ্ঠাবান এবং নির্ভিক সাংবাদিক। সেই সঙ্গে ছিলেন শিক্ষাগুরুও। নবম মৃত্যুবার্ষিকী

উপলক্ষ্যে স্মরণসভায় বক্তারা এ কথা বলেন। আতাউস সামাদ স্মৃতি পরিষদ রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সভার আয়োজন করে।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। বক্তব্য দেন, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, কবি হেলাল হাফিজ, দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের নির্বাহী সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, আজকের পত্রিকার সম্পাদক অধ্যাপক গোলাম রহমান, আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক নাইমুল ইসলাম খান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন একাংশের মহাসচিব নূরুল আলম রোকন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গণি চৌধুরী, সাংবাদিক মুন্নি সাহা ও আতাউস সামাদের ভাইপো ইশতিয়াক আজিজুর রহমান। সভায় আতাউস সামাদ স্মৃতি পুরস্কার-২০২১ প্রদান করা হয়। পুরস্কার পান রয়টার্সের ফটো সাংবাদিক এবিএম রফিকুর রহমান। সভায় এবিএম রফিকুর রহমানের মা অনুভূতি ব্যক্ত করেন। সভা সঞ্চালনা করেন আতাউস সামাদ স্মৃতি পরিষদের আহ্বায়ক হাসান হাফিজ।

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকদের ঐক্যের জন্য আতাউস সামাদ সারা জীবন সংগ্রাম করে গেছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় আজও সাংবাদিকদের ঐক্য প্রতিষ্ঠা হয়নি। তিনি বলেন, পেশাজীবীদের এক হতে হবে। এ ঐক্য যে কত শক্তিশালী তা পাকিস্তান আমলেই প্রমাণিত হয়েছে। আজ ব্যাংক হিসাব তলব করে সাংবাদিক নেতাদের অপমান করা হচ্ছে। এজন্য সবাইকে এক হতে হবে। এখন বাংলাদেশের বাস্তবতা হচ্ছে সবাই সূর্যমুখী হয়ে গেছেন। অর্থাৎ শক্তির দিকে, ক্ষমতার দিকে সবাই মুখ করে আছেন। কিন্তু বর্তমানে যে উন্নয়ন হচ্ছে তা আরও বৈষম্য সৃষ্টি করছে। সেই সঙ্গে সৃষ্টি করছে দুর্নীতিও। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আতাউস সামাদ সংবাদপত্রের স্বাধীনতার জন্য কাজ করেছেন। তাকে অনেকেই অস্থির প্রকৃতির মানুষ বলতেন। কিন্তু তিনি যখন একটি আইডিয়া তৈরি করতেন, সেটি যতক্ষণ ডেলিভারি না দিতে পারতেন ততক্ষণ স্থির হয়ে বসে থাকতে পারতেন না। তিনি ছিলেন সহজ, সরল ও সৎ মানুষ। আজ যাকে আতাউস সামদ স্মৃতি পুরস্কার দেওয়া হলো তিনি সত্যিকার অর্থে যোগ্য লোক। তার ছবি অনন্য। ফলে তিনি রয়টার্সের জার্নালিস্ট অব দ্য ইয়ার টু থাউজেন্ট সেভেন সম্মাননা লাভ করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন