বৃথা যায় না শহিদদের আত্মত্যাগ
jugantor
ময়েজউদ্দিন স্মরণে আলোচনা সভায় বক্তারা
বৃথা যায় না শহিদদের আত্মত্যাগ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শহিদদের আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যায় না। তার প্রকৃত উদাহরণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা। এরপর শহিদ ময়েজউদ্দিনের আত্মত্যাগ এ দেশের গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে দিতে সহায়তা করেছে। তাই বলা যায়, শহিদদের আত্মত্যাগের ফসল তার পরবর্তী প্রজন্ম ভোগ করতে পারে। শহিদ ময়েজউদ্দিনের ৩৭তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে শহিদ ময়েজউদ্দিন স্মৃতি সংসদ ‘গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা ও উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে জনপ্রতিনিধি ও পেশাজীবীদের ভূমিকা’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

এতে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও শহিদ ময়েজউদ্দিনের কন্যা মেহের আফরোজ চুমকি। প্রধান অতিথি ছিলেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীরবিক্রম)। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য শামসুন নাহার ভূঁইয়া, গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খান, বাংলাদেশের খবরের সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া এবং ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল বাতেন। মুখ্য আলোচক ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ অবজারভারের সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শহিদ ময়েজউদ্দিন স্মৃতি পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্মৃতি পরিষদের সম্পাদক আতাউর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, উন্নত দেশে পরিণত হতে যে সময় নির্ধারণ করা হয়েছে তার আগেই আমরা উন্নত দেশে পৌঁছে যাব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় ত্যাগী নেতাকর্মী এবং তাদের আত্মীয়স্বজনদের স্মরণ করেন। এমনকি ত্যাগীদের সন্তানদেরও তিনি মর্যাদার আসন দিয়েছেন। ত্যাগীদের কারণেই আমরা ক্ষমতার স্বাদ ভোগ করছি। আর ক্ষমতা পেয়ে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি। বিভিন্ন প্রতিকূলতার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এক সময় যখন আমরা ব্যবসা করতে গিয়েছি তখন দেখেছি বিদ্যুৎ নেই। বিদ্যুৎ ছাড়া কোনো শিল্প উন্নয়ন হয় না। বঙ্গবন্ধুকন্যা এসেই বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন করলেন। কুইক রেন্টাল করে আজকে চারদিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বেড়েছে। আগে ঘন ঘন লোডশেডিং হতো, এখন কোনো লোডশেডিং হয় না। তিনি বলেন, ময়েজউদ্দিনের মতো নেতা শহিদ হয়েছিলেন বলেই সেদিন গণতান্ত্রিক আন্দোলন তুঙ্গে উঠেছিল। শহিদদের আত্মত্যাগ কখনোই বৃথা যায় না।

ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, শুধু ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়নি। এজন্য হত্যা করেছিল, যেন কেউ বঙ্গবন্ধু হত্যার পর নতুন করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার এই বাংলাদেশকে সংগঠিত করতে না পারে। বঙ্গবন্ধু আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক। বঙ্গবন্ধু স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রতীক।

মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, আমার বাবা সব সময় দেশের ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করেছেন। তিনি সেই সময়ই ক্ষুদ্রঋণ দিতেন। কিন্তু কোনো সুদ নিতেন না। আজকে এমডিজি এসডিজিতে যা বলা হচ্ছে তিনি তখনই সেসব করতেন। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে যেমন দেশ আজ অন্য উচ্চতায় থাকত, তেমনি আমার বাবা বেঁচে থাকলেও তার এলাকা বদলে যেত।

ময়েজউদ্দিন স্মরণে আলোচনা সভায় বক্তারা

বৃথা যায় না শহিদদের আত্মত্যাগ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শহিদদের আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যায় না। তার প্রকৃত উদাহরণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা। এরপর শহিদ ময়েজউদ্দিনের আত্মত্যাগ এ দেশের গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে দিতে সহায়তা করেছে। তাই বলা যায়, শহিদদের আত্মত্যাগের ফসল তার পরবর্তী প্রজন্ম ভোগ করতে পারে। শহিদ ময়েজউদ্দিনের ৩৭তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে শহিদ ময়েজউদ্দিন স্মৃতি সংসদ ‘গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা ও উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে জনপ্রতিনিধি ও পেশাজীবীদের ভূমিকা’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

এতে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও শহিদ ময়েজউদ্দিনের কন্যা মেহের আফরোজ চুমকি। প্রধান অতিথি ছিলেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীরবিক্রম)। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য শামসুন নাহার ভূঁইয়া, গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খান, বাংলাদেশের খবরের সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া এবং ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল বাতেন। মুখ্য আলোচক ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ অবজারভারের সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শহিদ ময়েজউদ্দিন স্মৃতি পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্মৃতি পরিষদের সম্পাদক আতাউর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, উন্নত দেশে পরিণত হতে যে সময় নির্ধারণ করা হয়েছে তার আগেই আমরা উন্নত দেশে পৌঁছে যাব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় ত্যাগী নেতাকর্মী এবং তাদের আত্মীয়স্বজনদের স্মরণ করেন। এমনকি ত্যাগীদের সন্তানদেরও তিনি মর্যাদার আসন দিয়েছেন। ত্যাগীদের কারণেই আমরা ক্ষমতার স্বাদ ভোগ করছি। আর ক্ষমতা পেয়ে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি। বিভিন্ন প্রতিকূলতার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এক সময় যখন আমরা ব্যবসা করতে গিয়েছি তখন দেখেছি বিদ্যুৎ নেই। বিদ্যুৎ ছাড়া কোনো শিল্প উন্নয়ন হয় না। বঙ্গবন্ধুকন্যা এসেই বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন করলেন। কুইক রেন্টাল করে আজকে চারদিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বেড়েছে। আগে ঘন ঘন লোডশেডিং হতো, এখন কোনো লোডশেডিং হয় না। তিনি বলেন, ময়েজউদ্দিনের মতো নেতা শহিদ হয়েছিলেন বলেই সেদিন গণতান্ত্রিক আন্দোলন তুঙ্গে উঠেছিল। শহিদদের আত্মত্যাগ কখনোই বৃথা যায় না।

ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, শুধু ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়নি। এজন্য হত্যা করেছিল, যেন কেউ বঙ্গবন্ধু হত্যার পর নতুন করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার এই বাংলাদেশকে সংগঠিত করতে না পারে। বঙ্গবন্ধু আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক। বঙ্গবন্ধু স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রতীক।

মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, আমার বাবা সব সময় দেশের ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করেছেন। তিনি সেই সময়ই ক্ষুদ্রঋণ দিতেন। কিন্তু কোনো সুদ নিতেন না। আজকে এমডিজি এসডিজিতে যা বলা হচ্ছে তিনি তখনই সেসব করতেন। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে যেমন দেশ আজ অন্য উচ্চতায় থাকত, তেমনি আমার বাবা বেঁচে থাকলেও তার এলাকা বদলে যেত।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন