কোম্পানীগঞ্জে আ.লীগ সভাপতির বাসভবনে বোমা হামলা
jugantor
কোম্পানীগঞ্জে আ.লীগ সভাপতির বাসভবনে বোমা হামলা
ড্রিম লাইন কাউন্টারে অগ্নি সংযোগ

  কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি  

১১ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানের বাসায় বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নে ৫নং ওয়ার্ডে খিজির হায়াত মঞ্জিলে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় হামলাকারীরা বাসার বাইরে ব্যাপক ভাঙচুর করেছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি খিজির হায়াত খান ও তার স্ত্রী উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ভাইস চেয়ারম্যান আনজুমান আরা পারভিন অভিযোগ করে বলেন, শনিবার রাতে মুখোশপরা ২০-২৫ সন্ত্রাসী বাসা লক্ষ্য করে কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। আওয়াজ শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। বোমা হামলার কিছু দৃশ্য বাসভবনের সিসি ক্যামেরায় দেখা যায় এবং হামলাকারীরা মেয়র কাদের মির্জার অনুসারী বলে তারা দাবি করেন।

এদিকে ওই রাতে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে বসুরহাট পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডে সাবেক কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন চৌধুরী শিমুলের (৪৩) ওপর হামলা হয়েছে। একই বাড়ির মনজিল চৌধুরী (২৫) নামের যুবক তার ওপর হামলা করে মাথা ফাটিয়ে দেয়। মনজিল নোয়াখালী জেলা পরিষদের সদস্য ও জেলা বাস মালিক সমিতির নেতা আকরাম উদ্দিন চৌধুরী সবুজের ছেলে। শিমুলকে শনিবার রাতে কোম্পানীগঞ্জ হাসপাতাল থেকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শিমুল চৌধুরী বসুরহাট পৌরসভা মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারী।

এ ঘটনার জেরে রাত পৌনে ১০টায় মেয়র কাদের মির্জার অনুসারীরা বসুরহাট বাস স্ট্যান্ডে সবুজ চৌধুরীর মালিকানাধীন বসুরহাট ড্রিম লাইন বাস সার্ভিস কাউন্টারে অগ্নিসংযোগ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আহত সাবেক কাউন্সিলর শিমুলের ছোট ভাই সোহেলের নেতৃত্বে ২০-৩০ জন পৌরসভা ৬নং ওয়ার্ড এলাকায় একটি মাদ্রাসা বন্ধ করে দেয়। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল অভিযোগ করেন, তার পিতা মরহুম কামাল পাশা চৌধুরীর নামে প্রতিষ্ঠিত কামাল পাশা চৌধুরী নুরানী মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বের করে দিয়ে মাদ্রাসাটি বন্ধ করে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এজন্য তিনি মেয়র কাদের মির্জার অনুসারীদের দায়ী করেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে মেয়রের মোবাইলে একাধিকবার কল করলেও তিনি ফোন ধরেননি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. সাইফুদ্দিন আনোয়ার বলেন, এসব ঘটনায় কেউ এখনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলা সদর ও পৌরসভা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জে আ.লীগ সভাপতির বাসভবনে বোমা হামলা

ড্রিম লাইন কাউন্টারে অগ্নি সংযোগ
 কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি 
১১ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানের বাসায় বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নে ৫নং ওয়ার্ডে খিজির হায়াত মঞ্জিলে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় হামলাকারীরা বাসার বাইরে ব্যাপক ভাঙচুর করেছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি খিজির হায়াত খান ও তার স্ত্রী উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ভাইস চেয়ারম্যান আনজুমান আরা পারভিন অভিযোগ করে বলেন, শনিবার রাতে মুখোশপরা ২০-২৫ সন্ত্রাসী বাসা লক্ষ্য করে কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। আওয়াজ শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। বোমা হামলার কিছু দৃশ্য বাসভবনের সিসি ক্যামেরায় দেখা যায় এবং হামলাকারীরা মেয়র কাদের মির্জার অনুসারী বলে তারা দাবি করেন।

এদিকে ওই রাতে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে বসুরহাট পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডে সাবেক কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন চৌধুরী শিমুলের (৪৩) ওপর হামলা হয়েছে। একই বাড়ির মনজিল চৌধুরী (২৫) নামের যুবক তার ওপর হামলা করে মাথা ফাটিয়ে দেয়। মনজিল নোয়াখালী জেলা পরিষদের সদস্য ও জেলা বাস মালিক সমিতির নেতা আকরাম উদ্দিন চৌধুরী সবুজের ছেলে। শিমুলকে শনিবার রাতে কোম্পানীগঞ্জ হাসপাতাল থেকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শিমুল চৌধুরী বসুরহাট পৌরসভা মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারী।

এ ঘটনার জেরে রাত পৌনে ১০টায় মেয়র কাদের মির্জার অনুসারীরা বসুরহাট বাস স্ট্যান্ডে সবুজ চৌধুরীর মালিকানাধীন বসুরহাট ড্রিম লাইন বাস সার্ভিস কাউন্টারে অগ্নিসংযোগ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আহত সাবেক কাউন্সিলর শিমুলের ছোট ভাই সোহেলের নেতৃত্বে ২০-৩০ জন পৌরসভা ৬নং ওয়ার্ড এলাকায় একটি মাদ্রাসা বন্ধ করে দেয়। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল অভিযোগ করেন, তার পিতা মরহুম কামাল পাশা চৌধুরীর নামে প্রতিষ্ঠিত কামাল পাশা চৌধুরী নুরানী মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বের করে দিয়ে মাদ্রাসাটি বন্ধ করে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এজন্য তিনি মেয়র কাদের মির্জার অনুসারীদের দায়ী করেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে মেয়রের মোবাইলে একাধিকবার কল করলেও তিনি ফোন ধরেননি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. সাইফুদ্দিন আনোয়ার বলেন, এসব ঘটনায় কেউ এখনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলা সদর ও পৌরসভা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন