রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহর ১৪ নিরাপত্তাকর্মী লাপাত্তা
jugantor
রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহর ১৪ নিরাপত্তাকর্মী লাপাত্তা
আরসার কমান্ডার ছলিমসহ ৮ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রেফতার

  শফিউল্লাহ শফি, (যুগান্তর প্রতিবেদন) কক্সবাজার  

১৩ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকা ১৫ জনের মধ্যে ১৪ জনই পলাতক রয়েছেন। আছেন শুধু নুরুল আলম। পলাতক ১৪ জনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে। যে কারণে হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তাদের কোনো ধরনের খোঁজখবর নেই বলেই জানালেন নুরুল আলম।

তিনি জানান, মুহিবুল্লাহকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য ১৫ জনের একটি টিম ছিল। তবে তারা সবাই রোহিঙ্গা। নিরাপত্তা দেওয়ার পাশাপাশি জড়িত ছিলেন মুহিবুল্লাহর সংগঠনের সঙ্গেও। নিজেদের নেতাকে সুরক্ষিত রাখতে তারা ২৪ ঘণ্টা পাহারা দিতেন। কিন্তু মুহিবুল্লাহকে যেদিন খুন করা হয়েছে, সেদিন তিনি (নুরুল আলম) ছাড়া বাকি কোনো নিরাপত্তারক্ষী অফিসে আসেননি। নুরুল জানান, ঘটনার আগে তাদের কাউকে দেখা যায়নি। অথচ অন্য সময় সবাই উপস্থিত থাকতেন। তাছাড়া ঘটনার পর থেকে তাদের খোঁজও নেই। নুরুল আলমের মতে, মুহিবুল্লাহকে হত্যার পর থেকে তাদের সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে হত্যার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে হত্যাকারীরা। তবে হুমকিদাতারা কারা, সেই বিষয়ে স্পষ্ট করে তিনি কিছুই বলতে পারছেন না।

সরেজমিন জানা যায়, মুহিবুল্লাহর বাড়ির সঙ্গে লাগোয়া তার সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের কার্যালয়। যে কার্যালয়ে বসে বাড়ি ফেরার অর্থাৎ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের স্বপ্ন দেখতেন এবং দেখাতেন। সেই কার্যালয়ে এখন শুধুই মুহিবুল্লাহর রক্তের দাগ। স্বগোত্রের লোকজনই কেড়ে নিয়েছে মুহিবুল্লাহর প্রাণ-এমন অভিযোগ ও দাবি স্থানীয় সাধারণ রোহিঙ্গাদের। এছাড়া ঘটনার পর থেকে পুলিশ নিরাপত্তা দিয়ে ঘিরে রেখেছে তার বাড়ি ও অফিস। মামলার তদন্তে নিয়োজিত সংস্থার প্রতিনিধি ছাড়া অন্য কারও সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন না নিহত মুহিবুল্লাহর পরিবার ও নিরাপত্তাকর্মী নুরুল আলম। নুরুল আলম বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে মোরশেদসহ কয়েকজনের নাম আলোচনায় এসেছে। কারণ ওইদিন মোরশেদ নামাজের পর থেকেই মুহিবুল্লাহর কার্যালয়ের সামনে ছিলেন। অফিসে প্রবেশের সময় মোরশেদের সঙ্গে মুহিবুল্লাহ কথাও বলেছেন। অল্প সময় পর সেই মোরশেদকেই হত্যাকারীর ভূমিকায় দেখেন তিনি। মোরশেদ আরসা রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য। ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভেতরে অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত হন রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মুহিবুল্লাহ। এরপর আলোচনায় আসে কথিত ও বিতর্কিত সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)। ছোট ভাই হাবিবুল্লাহর দাবি, আরসা সন্ত্রাসীরা তার ভাইকে গুলি করে হত্যা করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ২৯ সেপ্টেম্বর এশার নামাজের পর আশপাশের রোহিঙ্গা নেতাদের নিয়ে বৈঠক করছিলেন মুহিবুল্লাহ। বৈঠকে প্রত্যাবাসনের অগ্রগতি নিয়ে কথা বলছিলেন। সন্ত্রাসীরা অতর্কিত এসে তাকে খুন করে চলে যায়। এ সময় সেখানে আগে থেকে উপস্থিত থাকা লোকজনও সন্ত্রাসীদের দেখে কোনো বাধা না দিয়ে সরে যান। তবে ওই সময় নিরাপত্তাকর্মী নুরুল আলম অফিসের পশ্চিম পাশের সরু পথের পর্দা সরিয়ে দিতে গিয়েছিলেন বলে নুরুল আলমসহ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

কক্সাবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান জানিয়েছেন, অনেক বিষয় মাথায় রেখে তারা তদন্ত কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছেন। সেখানে কোনো কিছুই বাদ পড়ার সুযোগ নেই। যারা হত্যা করেছে, তাদের মাস্টারমাইন্ডদেরও খুঁজে বের করার কথা বলছেন পুলিশ সুপার। তবে ঘটনার পর মুহিবুল্লাহর সংগঠনের কোনো নেতাকর্মীকে হত্যার হুমকি দেওয়ার বিষয়টি তাদের কেউ জানায়নি।

কক্সবাজারের ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাইমুল হক যুগান্তরকে বলেন, ঘটনার শুরু থেকেই নিহত মুহিবুল্লাহর সঙ্গে সার্বক্ষণিক থাকা লোকজনকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। কারণ, যেখানে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে, সেখানে বাইরে থেকে গিয়ে ঘটানোর সুযোগ খুবই কম। তাছাড়া হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তার কয়েকজন কাছের লোকের সন্ধানে কাজ করছে এপিবিএনের ছায়া তদন্ত কমিটি এবং খুনিদের গ্রেফতারে অভিযান পরিচালনাকারী পুলিশ টিম।

আরসার কমান্ডার ছলিমসহ ৮ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রেফতার : কক্সবাজার প্রতিনিধি জানান, সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে কথিত ও বিতর্কিত সংগঠন আরসার কমান্ডার ছলিম প্রকাশ মাস্টার ছলিমসহ ৮ জন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন এনায়েত উল্লাহ, আরিফ উল্লাহ, নূর মোহাম্মদ, রফিক, মো. রফিক, ফিরোজ মিয়া, আব্দুল আমিন এবং আরসা কমান্ডার ছলিম মাস্টার। এ সময় তাদের কাছ থেকে দা, হাঁসুয়া, শাবল, সিমকার্ড, মোবাইল ফোন ও নোটবুক উদ্ধার করা হয়।

৮ এপিবিএন-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. কামরান হোসেন বলেন, গ্রেফতার এনায়েত উল্লাহ, আব্দুল আমিন, নূর মোহাম্মদ, মো. রফিক, আরিফ উল্লাহ কথিত ‘আরসা’র অন্যতম নেতা আনাসের ঘনিষ্ঠ সহচর এবং ফিরোজ মিয়া চিহ্নিত মাদক কারবারি। ছলিম মাস্টার কথিত বিতর্কিত সংগঠন ‘আরসা’র স্থানীয় কমান্ডার। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করে উখিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহর ১৪ নিরাপত্তাকর্মী লাপাত্তা

আরসার কমান্ডার ছলিমসহ ৮ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রেফতার
 শফিউল্লাহ শফি, (যুগান্তর প্রতিবেদন) কক্সবাজার 
১৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকা ১৫ জনের মধ্যে ১৪ জনই পলাতক রয়েছেন। আছেন শুধু নুরুল আলম। পলাতক ১৪ জনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে। যে কারণে হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তাদের কোনো ধরনের খোঁজখবর নেই বলেই জানালেন নুরুল আলম।

তিনি জানান, মুহিবুল্লাহকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য ১৫ জনের একটি টিম ছিল। তবে তারা সবাই রোহিঙ্গা। নিরাপত্তা দেওয়ার পাশাপাশি জড়িত ছিলেন মুহিবুল্লাহর সংগঠনের সঙ্গেও। নিজেদের নেতাকে সুরক্ষিত রাখতে তারা ২৪ ঘণ্টা পাহারা দিতেন। কিন্তু মুহিবুল্লাহকে যেদিন খুন করা হয়েছে, সেদিন তিনি (নুরুল আলম) ছাড়া বাকি কোনো নিরাপত্তারক্ষী অফিসে আসেননি। নুরুল জানান, ঘটনার আগে তাদের কাউকে দেখা যায়নি। অথচ অন্য সময় সবাই উপস্থিত থাকতেন। তাছাড়া ঘটনার পর থেকে তাদের খোঁজও নেই। নুরুল আলমের মতে, মুহিবুল্লাহকে হত্যার পর থেকে তাদের সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে হত্যার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে হত্যাকারীরা। তবে হুমকিদাতারা কারা, সেই বিষয়ে স্পষ্ট করে তিনি কিছুই বলতে পারছেন না।

সরেজমিন জানা যায়, মুহিবুল্লাহর বাড়ির সঙ্গে লাগোয়া তার সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের কার্যালয়। যে কার্যালয়ে বসে বাড়ি ফেরার অর্থাৎ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের স্বপ্ন দেখতেন এবং দেখাতেন। সেই কার্যালয়ে এখন শুধুই মুহিবুল্লাহর রক্তের দাগ। স্বগোত্রের লোকজনই কেড়ে নিয়েছে মুহিবুল্লাহর প্রাণ-এমন অভিযোগ ও দাবি স্থানীয় সাধারণ রোহিঙ্গাদের। এছাড়া ঘটনার পর থেকে পুলিশ নিরাপত্তা দিয়ে ঘিরে রেখেছে তার বাড়ি ও অফিস। মামলার তদন্তে নিয়োজিত সংস্থার প্রতিনিধি ছাড়া অন্য কারও সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন না নিহত মুহিবুল্লাহর পরিবার ও নিরাপত্তাকর্মী নুরুল আলম। নুরুল আলম বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে মোরশেদসহ কয়েকজনের নাম আলোচনায় এসেছে। কারণ ওইদিন মোরশেদ নামাজের পর থেকেই মুহিবুল্লাহর কার্যালয়ের সামনে ছিলেন। অফিসে প্রবেশের সময় মোরশেদের সঙ্গে মুহিবুল্লাহ কথাও বলেছেন। অল্প সময় পর সেই মোরশেদকেই হত্যাকারীর ভূমিকায় দেখেন তিনি। মোরশেদ আরসা রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য। ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভেতরে অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত হন রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মুহিবুল্লাহ। এরপর আলোচনায় আসে কথিত ও বিতর্কিত সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)। ছোট ভাই হাবিবুল্লাহর দাবি, আরসা সন্ত্রাসীরা তার ভাইকে গুলি করে হত্যা করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ২৯ সেপ্টেম্বর এশার নামাজের পর আশপাশের রোহিঙ্গা নেতাদের নিয়ে বৈঠক করছিলেন মুহিবুল্লাহ। বৈঠকে প্রত্যাবাসনের অগ্রগতি নিয়ে কথা বলছিলেন। সন্ত্রাসীরা অতর্কিত এসে তাকে খুন করে চলে যায়। এ সময় সেখানে আগে থেকে উপস্থিত থাকা লোকজনও সন্ত্রাসীদের দেখে কোনো বাধা না দিয়ে সরে যান। তবে ওই সময় নিরাপত্তাকর্মী নুরুল আলম অফিসের পশ্চিম পাশের সরু পথের পর্দা সরিয়ে দিতে গিয়েছিলেন বলে নুরুল আলমসহ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

কক্সাবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান জানিয়েছেন, অনেক বিষয় মাথায় রেখে তারা তদন্ত কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছেন। সেখানে কোনো কিছুই বাদ পড়ার সুযোগ নেই। যারা হত্যা করেছে, তাদের মাস্টারমাইন্ডদেরও খুঁজে বের করার কথা বলছেন পুলিশ সুপার। তবে ঘটনার পর মুহিবুল্লাহর সংগঠনের কোনো নেতাকর্মীকে হত্যার হুমকি দেওয়ার বিষয়টি তাদের কেউ জানায়নি।

কক্সবাজারের ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাইমুল হক যুগান্তরকে বলেন, ঘটনার শুরু থেকেই নিহত মুহিবুল্লাহর সঙ্গে সার্বক্ষণিক থাকা লোকজনকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। কারণ, যেখানে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে, সেখানে বাইরে থেকে গিয়ে ঘটানোর সুযোগ খুবই কম। তাছাড়া হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তার কয়েকজন কাছের লোকের সন্ধানে কাজ করছে এপিবিএনের ছায়া তদন্ত কমিটি এবং খুনিদের গ্রেফতারে অভিযান পরিচালনাকারী পুলিশ টিম।

আরসার কমান্ডার ছলিমসহ ৮ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রেফতার : কক্সবাজার প্রতিনিধি জানান, সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে কথিত ও বিতর্কিত সংগঠন আরসার কমান্ডার ছলিম প্রকাশ মাস্টার ছলিমসহ ৮ জন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন এনায়েত উল্লাহ, আরিফ উল্লাহ, নূর মোহাম্মদ, রফিক, মো. রফিক, ফিরোজ মিয়া, আব্দুল আমিন এবং আরসা কমান্ডার ছলিম মাস্টার। এ সময় তাদের কাছ থেকে দা, হাঁসুয়া, শাবল, সিমকার্ড, মোবাইল ফোন ও নোটবুক উদ্ধার করা হয়।

৮ এপিবিএন-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. কামরান হোসেন বলেন, গ্রেফতার এনায়েত উল্লাহ, আব্দুল আমিন, নূর মোহাম্মদ, মো. রফিক, আরিফ উল্লাহ কথিত ‘আরসা’র অন্যতম নেতা আনাসের ঘনিষ্ঠ সহচর এবং ফিরোজ মিয়া চিহ্নিত মাদক কারবারি। ছলিম মাস্টার কথিত বিতর্কিত সংগঠন ‘আরসা’র স্থানীয় কমান্ডার। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করে উখিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন