মেয়াদোত্তীর্ণ নেতৃত্বে কিশোরগঞ্জ আ.লীগ
jugantor
মেয়াদোত্তীর্ণ নেতৃত্বে কিশোরগঞ্জ আ.লীগ
দুই বছর আগে শেষ হয়েছে জেলা কমিটির মেয়াদ * ২৩ বছর আগের কমিটি দিয়ে চলছে সদর উপজেলা * দ্বন্দ্ব-কোন্দলে স্থবির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড

  এটিএম নিজাম, কিশোরগঞ্জ  

১৪ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কিশোরগঞ্জে মেয়াদোত্তীর্ণ নেতৃত্বে চলছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দুই বছর আগে জেলা কমিটির মেয়াদ হয়েছে। উপজেলা কমিটিগুলোর (১৩টি) মেয়াদ শেষ হয়েছে কয়েক বছর আগে। সদর উপজেলায় ২৩ বছর আগের কমিটিই বহাল আছে। এ কারণে জেলার সব শাখায় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ছাপিয়ে পড়েছে দলটি। সব স্তরে নেতৃত্বের বিরোধও প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। কিশোরগঞ্জ সদর, পাকুন্দিয়া, কটিয়াদী, করিমগঞ্জ- এ চারটি উপজেলায় দ্বন্দ্ব ও কোন্দল চরম আকার ধারণ করেছে।

বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ দীর্ঘ ৩৮ বছর সভাপতি হিসাবে নেতৃত্ব দিয়ে জেলা আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী ভিত দিয়েছিলেন। তিনি দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার পর শহিদ সৈয়দ নজরুল ইসলামের ছোট ভাই সৈয়দ ওয়াহিদুল ইসলাম পট্টু মিয়া ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পান। সৈয়দ ওয়াহিদুল ইসলাম পট্টু মিয়া ২০১৫ সালের ১ ডিসেম্বর মারা গেলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পান অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান শাহজাহান। ১৮ বছরেরও বেশি সময় পর ২০১৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়। ১৪ অক্টোবর আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কমিটির অনুমোদন দিলেও তিন মাস পর ২০১৭ সালের ৯ জানুয়ারি কমিটি আত্মপ্রকাশ করে। ওই সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক (প্রয়াত) জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা সম্মেলন আয়োজনের তাগিদ দেন। এর পরও বেশির ভাগ উপজেলায় সম্মেলন হয়নি।

১৩টি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে পুরনো কমিটি দিয়ে চলছে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ। ১৯৯৭ সালের ২ এপ্রিল এই উপজেলায় কমিটি গঠন হয়। ২৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই উপজেলায় আওয়ামী লীগ পুরাতন কমিটি দিয়ে চলছে। দলের সুদিনেও এই উপজেলায় সংগঠন গোছাতে পারেননি নেতারা। বরং উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলে বিভেদ ও কোন্দল প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শরীফ আহমেদ সাদী দুই ধারায় বিভক্ত হয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে তৃণমূলে।

কটিয়াদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়নি ২৪ বছর। এর মধ্যে সভাপতি-সম্পাদকসহ ২৮ নেতার মৃত্যু হয়েছে। ফলে নেতৃত্বহীন অবস্থায় খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে কটিয়াদী উপজেলা আওয়ামী লীগ।

২০০২ সালে নাসিরুল ইসলাম খান আওলাদকে আহ্বায়ক করে ৪৫ সদস্যবিশিষ্ট করিমগঞ্জ উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়। দীর্ঘ ১৮ বছরেও এই কমিটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়নি। এই সময়ে আহ্বায়ক কমিটির ১৪ জন সদস্য মারা গেছেন এবং একজন বহিষ্কৃত হয়েছেন। নেতৃত্বের দ্বন্দ্বে এখন অরাজক পরিস্থিতি বিরাজ করছে এই উপজেলায়। ২০০০ সালে পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়। বার্ধক্যজনিত কারণে এই কমিটির দুই যুগ্ম-আহ্বায়কসহ ৩১ সদস্য মারা গেছেন। ২০১৩ সালে আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ওবায়দুল্লাহও পদত্যাগ করেন। এর ফলে নেতৃত্বহীন অবস্থায় খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছিল পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ। নাজুক এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বর্তমান এমপি নূর মোহাম্মদের পৃষ্ঠপোষকতায় সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়। পৌরসভা ও ইউনিয়নসহ ২০টি সাংগঠনিক কমিটির মধ্যে ১০টি ইউনিয়নে সম্মেলন শেষ হয়। কিন্তু অন্তর্দ্বন্দ্বের কারণে এ প্রক্রিয়া ভেস্তে গেছে।

এরপর ২২ জুলাই জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সভায় সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট সোহরাব উদ্দিনকে পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। ৯ সেপ্টেম্বর সোহরাব উদ্দিনের নেতৃত্বে ৬৭ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে এই কমিটিতে বিএনপি-জামায়াত নেতাসহ অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের অভিযোগ ওঠে। এ কারণে ওই কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি গঠনের জোরালো দাবি উঠেছে। এই দাবিতে ধারাবাহিক বিক্ষোভ-সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন হচ্ছে।

২০০৫ সাল থেকে এক কমিটি দিয়ে চলছে ইটনা, অষ্টগ্রাম, মিঠামইন ও নিকলী উপজেলা আওয়ামী লীগ। ২০০৫ সালের ২০মার্চ মিঠামইন, ২১মার্চ ইটনা, ২৯ মার্চ নিকলী এবং ২৮ সেপ্টেম্বর অষ্টগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়। এসব উপজেলায় নতুন সম্মেলনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও করোনা কারনে আটকে যায়।

দীর্ঘ ২৭ বছর পর ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর সম্মেলনের মাধ্যমে বাজিতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠিত হয়। আর ২০১৩ সালে তাড়াইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়। এখানে ৭ বছর ধরে একই কমিটি দিয়ে চলছে সংগঠন।

এ ছাড়া ২০০৫ সালের ২৩মার্চ হোসেনপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সর্বশেষ সম্মেলন হয়। ২০১৫ সালের ৩০নভেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আয়ুব আলী মারা যান। এরপর ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন জহিরুল ইসলাম নূরু মিয়া।

জানতে চাইলে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমএ আফজল যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদারকি করছেন ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর্জা আজম এমপি। সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা ও উপজেলা শাখাকে পুনর্গঠন এবং শক্তিশালী করার কাজ চলছে।

মেয়াদোত্তীর্ণ নেতৃত্বে কিশোরগঞ্জ আ.লীগ

দুই বছর আগে শেষ হয়েছে জেলা কমিটির মেয়াদ * ২৩ বছর আগের কমিটি দিয়ে চলছে সদর উপজেলা * দ্বন্দ্ব-কোন্দলে স্থবির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড
 এটিএম নিজাম, কিশোরগঞ্জ 
১৪ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কিশোরগঞ্জে মেয়াদোত্তীর্ণ নেতৃত্বে চলছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দুই বছর আগে জেলা কমিটির মেয়াদ হয়েছে। উপজেলা কমিটিগুলোর (১৩টি) মেয়াদ শেষ হয়েছে কয়েক বছর আগে। সদর উপজেলায় ২৩ বছর আগের কমিটিই বহাল আছে। এ কারণে জেলার সব শাখায় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ছাপিয়ে পড়েছে দলটি। সব স্তরে নেতৃত্বের বিরোধও প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। কিশোরগঞ্জ সদর, পাকুন্দিয়া, কটিয়াদী, করিমগঞ্জ- এ চারটি উপজেলায় দ্বন্দ্ব ও কোন্দল চরম আকার ধারণ করেছে।

বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ দীর্ঘ ৩৮ বছর সভাপতি হিসাবে নেতৃত্ব দিয়ে জেলা আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী ভিত দিয়েছিলেন। তিনি দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার পর শহিদ সৈয়দ নজরুল ইসলামের ছোট ভাই সৈয়দ ওয়াহিদুল ইসলাম পট্টু মিয়া ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পান। সৈয়দ ওয়াহিদুল ইসলাম পট্টু মিয়া ২০১৫ সালের ১ ডিসেম্বর মারা গেলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পান অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান শাহজাহান। ১৮ বছরেরও বেশি সময় পর ২০১৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়। ১৪ অক্টোবর আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কমিটির অনুমোদন দিলেও তিন মাস পর ২০১৭ সালের ৯ জানুয়ারি কমিটি আত্মপ্রকাশ করে। ওই সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক (প্রয়াত) জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা সম্মেলন আয়োজনের তাগিদ দেন। এর পরও বেশির ভাগ উপজেলায় সম্মেলন হয়নি।

১৩টি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে পুরনো কমিটি দিয়ে চলছে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ। ১৯৯৭ সালের ২ এপ্রিল এই উপজেলায় কমিটি গঠন হয়। ২৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই উপজেলায় আওয়ামী লীগ পুরাতন কমিটি দিয়ে চলছে। দলের সুদিনেও এই উপজেলায় সংগঠন গোছাতে পারেননি নেতারা। বরং উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলে বিভেদ ও কোন্দল প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শরীফ আহমেদ সাদী দুই ধারায় বিভক্ত হয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে তৃণমূলে।

কটিয়াদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়নি ২৪ বছর। এর মধ্যে সভাপতি-সম্পাদকসহ ২৮ নেতার মৃত্যু হয়েছে। ফলে নেতৃত্বহীন অবস্থায় খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে কটিয়াদী উপজেলা আওয়ামী লীগ।

২০০২ সালে নাসিরুল ইসলাম খান আওলাদকে আহ্বায়ক করে ৪৫ সদস্যবিশিষ্ট করিমগঞ্জ উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়। দীর্ঘ ১৮ বছরেও এই কমিটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়নি। এই সময়ে আহ্বায়ক কমিটির ১৪ জন সদস্য মারা গেছেন এবং একজন বহিষ্কৃত হয়েছেন। নেতৃত্বের দ্বন্দ্বে এখন অরাজক পরিস্থিতি বিরাজ করছে এই উপজেলায়। ২০০০ সালে পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়। বার্ধক্যজনিত কারণে এই কমিটির দুই যুগ্ম-আহ্বায়কসহ ৩১ সদস্য মারা গেছেন। ২০১৩ সালে আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ওবায়দুল্লাহও পদত্যাগ করেন। এর ফলে নেতৃত্বহীন অবস্থায় খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছিল পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ। নাজুক এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বর্তমান এমপি নূর মোহাম্মদের পৃষ্ঠপোষকতায় সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়। পৌরসভা ও ইউনিয়নসহ ২০টি সাংগঠনিক কমিটির মধ্যে ১০টি ইউনিয়নে সম্মেলন শেষ হয়। কিন্তু অন্তর্দ্বন্দ্বের কারণে এ প্রক্রিয়া ভেস্তে গেছে।

এরপর ২২ জুলাই জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সভায় সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট সোহরাব উদ্দিনকে পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। ৯ সেপ্টেম্বর সোহরাব উদ্দিনের নেতৃত্বে ৬৭ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে এই কমিটিতে বিএনপি-জামায়াত নেতাসহ অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের অভিযোগ ওঠে। এ কারণে ওই কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি গঠনের জোরালো দাবি উঠেছে। এই দাবিতে ধারাবাহিক বিক্ষোভ-সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন হচ্ছে।

২০০৫ সাল থেকে এক কমিটি দিয়ে চলছে ইটনা, অষ্টগ্রাম, মিঠামইন ও নিকলী উপজেলা আওয়ামী লীগ। ২০০৫ সালের ২০মার্চ মিঠামইন, ২১মার্চ ইটনা, ২৯ মার্চ নিকলী এবং ২৮ সেপ্টেম্বর অষ্টগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়। এসব উপজেলায় নতুন সম্মেলনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও করোনা কারনে আটকে যায়।

দীর্ঘ ২৭ বছর পর ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর সম্মেলনের মাধ্যমে বাজিতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠিত হয়। আর ২০১৩ সালে তাড়াইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়। এখানে ৭ বছর ধরে একই কমিটি দিয়ে চলছে সংগঠন।

এ ছাড়া ২০০৫ সালের ২৩মার্চ হোসেনপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সর্বশেষ সম্মেলন হয়। ২০১৫ সালের ৩০নভেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আয়ুব আলী মারা যান। এরপর ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন জহিরুল ইসলাম নূরু মিয়া।

জানতে চাইলে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমএ আফজল যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদারকি করছেন ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর্জা আজম এমপি। সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা ও উপজেলা শাখাকে পুনর্গঠন এবং শক্তিশালী করার কাজ চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন