যশোরে পেট্রোল ঢেলে গৃহবধূকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ
jugantor
যশোরে পেট্রোল ঢেলে গৃহবধূকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ

  যশোর ব্যুরো  

১৪ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যশোরে এক সন্তানের জননীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহত শিরিনা বেগমের (২৮) স্বামী জুয়েলকে এ ঘটনায় দায়ী করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। ঘটনাটি মঙ্গলবার দুপুরের দিকে যশোর সদরের আরবপুর এলাকায় ঘটে। পুলিশ বলছে, গৃহবধূ মৃত্যুর ঘটনায় দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়া গেছে। এটি একটি স্পর্শকাতর ঘটনা, সে কারণে পুলিশ বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখছে।

পুলিশ ও স্বজনরা জানিয়েছেন, যশোর সদর উপজেলার আরবপুর মাঠপাড়া এলাকার বাসিন্দা জুয়েল সরদার প্রথম স্ত্রী পলি খাতুনের মৃত্যু পর আড়াই বছর আগে পলির ফুফাতো বোন শিরিনকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে তাদের মধ্যে সাংসারিক বিষয়াদি নিয়ে প্রায়ই গোলযোগ হতো। শিরিনের বাবা ও ভাইদের অভিযোগ পারিবারিক গোলযোগের জেরে মঙ্গলবার দুপুরে নিজ ঘরে শিরিনকে গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয় তার স্বামী জুয়েল সরদার। এরপর তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে জুয়েল প্রতিবেশীদের নিয়ে স্ত্রীকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে দুপুরেই তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকে বুধবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

শিরিনের বাবা খলিলুর রহমানের দাবি, তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে গা-ঢাকা দিয়েছে জুয়েল। আমরা এ হত্যার বিচার চাই। হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্বামীর পরিবারের লোকজন। জুয়েলের মা আমেনা বেগম জানান, শিরিন নিজেই ঘরে থাকা মোটরসাইকেলের পেট্রোল নিজ গায়ে ঢেলে আগুন ধরিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। আমরা খবর পেয়ে ছুটে আসি। এরপর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। জুয়েলের প্রথম পক্ষের ছেলে সিয়াম সরদার বলেন, দুপুরে আব্বু আম্মু ঝগড়া করে। এরপর আম্মু ঘরে থাকা মোটরসাইকেলের পেট্রোল নিজের গায়ে দিয়ে গ্যাসলাইট দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। প্রতিবেশীরা জানিয়েছে, আগুন লাগার পর চিৎকার শুনে আমরা ঘর থেকে বের হই। শিরিন বলেছে, ভাবি আমি কি ভুল করলাম। আমার ঘাড়ে শয়তান চেপেছিল। আমার ছেলের কি হবে।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (তদন্ত) শেখ তাসমীম আলম জানান, পুলিশ লাশ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। দুটি পরিবারই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত জুয়েল পলাতক রয়েছে। অভিযোগ খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যশোরে পেট্রোল ঢেলে গৃহবধূকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ

 যশোর ব্যুরো 
১৪ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যশোরে এক সন্তানের জননীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহত শিরিনা বেগমের (২৮) স্বামী জুয়েলকে এ ঘটনায় দায়ী করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। ঘটনাটি মঙ্গলবার দুপুরের দিকে যশোর সদরের আরবপুর এলাকায় ঘটে। পুলিশ বলছে, গৃহবধূ মৃত্যুর ঘটনায় দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়া গেছে। এটি একটি স্পর্শকাতর ঘটনা, সে কারণে পুলিশ বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখছে।

পুলিশ ও স্বজনরা জানিয়েছেন, যশোর সদর উপজেলার আরবপুর মাঠপাড়া এলাকার বাসিন্দা জুয়েল সরদার প্রথম স্ত্রী পলি খাতুনের মৃত্যু পর আড়াই বছর আগে পলির ফুফাতো বোন শিরিনকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে তাদের মধ্যে সাংসারিক বিষয়াদি নিয়ে প্রায়ই গোলযোগ হতো। শিরিনের বাবা ও ভাইদের অভিযোগ পারিবারিক গোলযোগের জেরে মঙ্গলবার দুপুরে নিজ ঘরে শিরিনকে গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয় তার স্বামী জুয়েল সরদার। এরপর তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে জুয়েল প্রতিবেশীদের নিয়ে স্ত্রীকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে দুপুরেই তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকে বুধবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

শিরিনের বাবা খলিলুর রহমানের দাবি, তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে গা-ঢাকা দিয়েছে জুয়েল। আমরা এ হত্যার বিচার চাই। হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্বামীর পরিবারের লোকজন। জুয়েলের মা আমেনা বেগম জানান, শিরিন নিজেই ঘরে থাকা মোটরসাইকেলের পেট্রোল নিজ গায়ে ঢেলে আগুন ধরিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। আমরা খবর পেয়ে ছুটে আসি। এরপর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। জুয়েলের প্রথম পক্ষের ছেলে সিয়াম সরদার বলেন, দুপুরে আব্বু আম্মু ঝগড়া করে। এরপর আম্মু ঘরে থাকা মোটরসাইকেলের পেট্রোল নিজের গায়ে দিয়ে গ্যাসলাইট দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। প্রতিবেশীরা জানিয়েছে, আগুন লাগার পর চিৎকার শুনে আমরা ঘর থেকে বের হই। শিরিন বলেছে, ভাবি আমি কি ভুল করলাম। আমার ঘাড়ে শয়তান চেপেছিল। আমার ছেলের কি হবে।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (তদন্ত) শেখ তাসমীম আলম জানান, পুলিশ লাশ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। দুটি পরিবারই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত জুয়েল পলাতক রয়েছে। অভিযোগ খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন