আদালতের আদেশ অমান্য করে স্থাপনা উচ্ছেদ
jugantor
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
আদালতের আদেশ অমান্য করে স্থাপনা উচ্ছেদ

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

১৫ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আদালতের স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ অমান্য করে বিনা নোটিশে খতিয়ানি জমির স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক)। ভেঙে তছনছ করে দেওয়া হয়েছে দোকানের মূল্যবান আসবাবপত্রও। সোমবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কক্সবাজার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় ‘বিসমিল্লাহ রেস্টুরেন্ট’ নামক খাবার হোটেলসহ বেশকিছু দোকানঘর ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগীদের একজন রেহেনা বেগমের ছেলে তৌহিদ আরমান অভিযোগ করে বলেন, আমার মামা মোহাম্মদ হাশেম ২০০১ সালে আম্মাকে দানপত্র মূলে দশমিক শূন্য ১১৩ একর জমি দখল দেন। যার অনুকূলে ঝিলংজা মৌজার সৃজিত বিএস খতিয়ান নং-১২২৪১ প্রচারিত হয়। ওই জমিতে টিনশেড ঘর করে সেখানে একটি পানের দোকান ও আরেকটি খাবার হোটেল স্থাপন করি।

আমাদের মালিকানাধীন জমি সড়ক ও জনপদের (সওজ) দাবি করা হলে সব কাগজপত্র দেখানোর পর সওজ সরে যায়। পরে কউকের লোকজন গিয়ে ‘লাল চিহ্ন’ দেয়। এরপর ঘটনা জানিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা করি। ১২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি মামনুর রহমান ও খন্দকার দিলিরুজ্জামানের দৈত বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। শেষে বিরোধীয় জমিতে ‘স্থিতাবস্থা বজায়’ রাখার আদেশ দেন বিচারক। আদেশের পর ডিসি, কউক চেয়ারম্যান এবং সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীকে উকিল নোটিশ পাঠানো হয়। তৌহিদ আরমান আরও বলেন, ‘স্থিতাবস্থা বজায়’ রাখার বিষয়ে আদালতের আদেশসহ সাইনবোর্ড টাঙিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারও করা হয়।

উচ্চ আদালতের আদেশ ও উকিল নোটিশ তোয়াক্কা না করেই আমাদের মালিকানাধীন জমিতে নির্মিত দোকানঘর উচ্ছেদ ও মূল্যবান জিনিসপত্র তছনছ করেছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ- যা সুস্পষ্ট আদালত অবমাননার শামিল।

কউক চেয়ারম্যান বলেন, নিয়ম মেনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আদালতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে এ ধরনের তথ্য আমাদের কাছে নেই। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার ফাইল কউকে দেওয়ার রিসিভ কপি রয়েছে বলে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে, কাকে দেওয়া হয়েছিল কপিটি উল্টো এমন প্রশ্ন করে তা নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে তার দপ্তরে যেতে বলেন কউক চেয়ারম্যান।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ

আদালতের আদেশ অমান্য করে স্থাপনা উচ্ছেদ

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
১৫ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আদালতের স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ অমান্য করে বিনা নোটিশে খতিয়ানি জমির স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক)। ভেঙে তছনছ করে দেওয়া হয়েছে দোকানের মূল্যবান আসবাবপত্রও। সোমবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কক্সবাজার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় ‘বিসমিল্লাহ রেস্টুরেন্ট’ নামক খাবার হোটেলসহ বেশকিছু দোকানঘর ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগীদের একজন রেহেনা বেগমের ছেলে তৌহিদ আরমান অভিযোগ করে বলেন, আমার মামা মোহাম্মদ হাশেম ২০০১ সালে আম্মাকে দানপত্র মূলে দশমিক শূন্য ১১৩ একর জমি দখল দেন। যার অনুকূলে ঝিলংজা মৌজার সৃজিত বিএস খতিয়ান নং-১২২৪১ প্রচারিত হয়। ওই জমিতে টিনশেড ঘর করে সেখানে একটি পানের দোকান ও আরেকটি খাবার হোটেল স্থাপন করি।

আমাদের মালিকানাধীন জমি সড়ক ও জনপদের (সওজ) দাবি করা হলে সব কাগজপত্র দেখানোর পর সওজ সরে যায়। পরে কউকের লোকজন গিয়ে ‘লাল চিহ্ন’ দেয়। এরপর ঘটনা জানিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা করি। ১২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি মামনুর রহমান ও খন্দকার দিলিরুজ্জামানের দৈত বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। শেষে বিরোধীয় জমিতে ‘স্থিতাবস্থা বজায়’ রাখার আদেশ দেন বিচারক। আদেশের পর ডিসি, কউক চেয়ারম্যান এবং সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীকে উকিল নোটিশ পাঠানো হয়। তৌহিদ আরমান আরও বলেন, ‘স্থিতাবস্থা বজায়’ রাখার বিষয়ে আদালতের আদেশসহ সাইনবোর্ড টাঙিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারও করা হয়।

উচ্চ আদালতের আদেশ ও উকিল নোটিশ তোয়াক্কা না করেই আমাদের মালিকানাধীন জমিতে নির্মিত দোকানঘর উচ্ছেদ ও মূল্যবান জিনিসপত্র তছনছ করেছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ- যা সুস্পষ্ট আদালত অবমাননার শামিল।

কউক চেয়ারম্যান বলেন, নিয়ম মেনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আদালতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে এ ধরনের তথ্য আমাদের কাছে নেই। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার ফাইল কউকে দেওয়ার রিসিভ কপি রয়েছে বলে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে, কাকে দেওয়া হয়েছিল কপিটি উল্টো এমন প্রশ্ন করে তা নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে তার দপ্তরে যেতে বলেন কউক চেয়ারম্যান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন