চট্টগ্রামে সিন্ডিকেটের কারণে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি
jugantor
চট্টগ্রামে সিন্ডিকেটের কারণে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি
সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস

  আহমেদ মুসা, চট্টগ্রাম  

১৮ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাস উঠছে সাধারণ মানুষের। চাল, ডাল, তেল, চিনি, পেঁয়াজসহ প্রায় সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চড়া। কোনো কোনো পণ্যের দাম বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ। সব পণ্যের দাম বাড়লেও মানুষের আয় বাড়েনি। দ্রব্যমূল্যের কাশাঘাতে জর্জরিত সাধারণ মানুষ বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তরা।

ব্যবসায়ীরা কখনো আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণে আবার কখনো দেশীয় বাজারে সংকটের কারণে মূল্য বাড়ছে বলে দাবি করছেন। তবে সাধারণ ব্যবসায়ীরা বলছেন, সিন্ডিকেট করেই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অকারণে পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে। সরকারের তদারকি না থাকায় দ্রব্যমূল্যের লাগাম টানা যাচ্ছে না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা গেছে, বাজারে যে দামে পণ্য বিক্রি হচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তার চেয়ে কেজিতে দুই-তিন টাকা বেশি দাম নির্ধারণ করে দেয়। এ কারণেও বাজার নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে।

চট্টগ্রামে খুচরা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। ভারতীয় ভালোমানের পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৫ টাকা দামে। মিয়ানমারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকা দরে। আর মিয়ানমারের নিম্নমানের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩৫ টাকা দরে। ভালো মানের পেঁয়াজ এক মাস আগেও ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। এক মাসের ব্যবধানে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে।

চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের একটি সূত্র জানায়, প্রথমদিকে বলা হয়েছিল ভারতে বন্যায় ক্ষতির কারণে সেখান থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের দামও বেড়েছে। কিন্তু প্রায় ৪০ শতাংশের মতো পেঁয়াজ মিয়ানমার থেকে আমদানি করা হয়। মিয়ানমারে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়নি। সেখানে দামও বাড়েনি। তবু কম দামে মিয়ানমার থেকে কেনা পেঁয়াজও পাইকারি বাজারে অস্বাভাবিক দামে বিক্রি হচ্ছে। সূত্র মতে, চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের তিন থেকে চারটি সিন্ডিকেট রয়েছে। এ সিন্ডিকেটগুলোই বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়িয়ে সাধারণ ভোক্তাদের পকেট থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

খাতুনগঞ্জের পেঁয়াজের পাইকারি মার্কেট হামিদুল্লাহ মিয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস যুগান্তরকে বলেন, চট্টগ্রামে পেঁয়াজের সংকট নেই। ভারতীয় রপ্তানিকারক, ব্যবসায়ী ও মজুতদাররা সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। পূজার আগে পুরোদমে পেঁয়াজের ট্রাক খাতুনগঞ্জে এসেছে। এখন খাতুনগঞ্জে প্রায় ৬৫০ মেট্রিক টন থেকে ৭০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ মুজত রয়েছে। মিয়ানমার থেকেও প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ আসছে।

চিনি, সয়াবিন তেল ও মসুর ডালের দামও এখন চড়া। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত ৫ সেপ্টেম্বর লিটারে চার টাকা বাড়িয়ে খোলা সয়াবিন তেলের দর খুচরা পর্যায়ে ১২৯ টাকা, পাম অয়েল ১১৬ টাকা ও বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৫৩ টাকা নির্ধারণ করে দেয়। এরপর ৯ সেপ্টেম্বর খোলা চিনির দাম প্রতি কেজি সর্বোচ্চ ৭৪ টাকা ও প্যাকেটজাত চিনি প্রতি কেজি ৭৫ টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। কিন্তু কোথাও খুচরা বিক্রেতারা এ দামে সয়াবিন তেল ও চিনি বিক্রি করছেন না। খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৪০-১৪৫ টাকা, বোতলজাত প্রতি লিটার ১৪৮-১৫০ টাকা, খোলা চিনি ৮০ টাকা ও প্যাকেটজাত চিনি ৮৫-৮৭ টাকায় বিক্রি করছেন তারা। আমদানি করা মসুর ডাল ৯০ টাকা ও দেশি মসুর ডাল ১০৫-১১০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে। এক মাসে এসব পণ্য কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

কয়েকদিন ধরে চালের বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। পাইকারি বাজারে চালের দাম বস্তাপ্রতি কিছুটা কমলেও খুচরা বাজারে এর প্রভাব এখনো পড়েনি। এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারিতে নাজিরশাইল সিদ্ধ বস্তাপ্রতি ১০০ টাকা কমে গিয়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার টাকায়। মিনিকেট সিদ্ধ ১০০ টাকা কমে ২ হাজার ৩০০ টাকা এবং স্বর্ণা সিদ্ধ বস্তাপ্রতি ১০০ টাকা কমে এখন বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮০ টাকায়। অন্যদিকে মিনিকেট আতপ বস্তায় ১০০ টাকা কমে ২ হাজার ৪৫০ টাকা, কাটারিভোগ আতপ ১০০ টাকা কমে দুই হাজার ৯০০ টাকা, পারি সিদ্ধ ১০০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩০০ টাকা এবং মোটা সিদ্ধ চাল ১০০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৮৫০ টাকায়। এছাড়া দেশি বেতি আতপ বস্তায় ১৫০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ১৫০ টাকায়। এরপরও খুচরা বাজারে ৫০ টাকার কেজির নিচে কোনো চাল নেই।

১০ দিন আগেও চট্টগ্রামে ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল কেজিপ্রতি ১১০ থেকে ১১৫ টাকা। এখন বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা। পাকিস্তানি মুরগি প্রতি কেজি ৩০০-৩২০ টাকা। দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৮০-৪০০ টাকা কেজিদরে। উৎপাদকরা বলছেন, লকডাউনের পর কয়েক দফায় বেড়েছে ভুট্টা ও সয়াবিনের দাম। এছাড়া বর্তমানে বিভিন্ন সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান পুরোদমে শুরু হওয়ায় মুরগির চাহিদা বেড়েছে। এ কারণে দাম বাড়ছে।

চট্টগ্রামের কাঁচাবাজারে শীতের সবজি আসা শুরু হলেও দাম অনেক চড়া। বিক্রেতারা ছোট আকারের প্রতি পিস ফুলকপির দাম হাঁকছেন ৬০ থেকে ৭০ টাকা। এছাড়া শিম ৯০-১০০ টাকা, টমেটো ১২০-১৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৫৫-৬০ টাকা, করলা ৪৫-৫০ টাকা, গাজর ১৩০-১৪০ টাকা, মুলা ৪০-৪৫ টাকা, পটোল ৩০-৩৫ টাকা, ঢেঁড়শ ৪০-৪৫ টাকা, গোল বেগুন ৫৫-৬০ টাকা, চিকন বেগুন ৩৫-৪০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, শসা ৪০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাউ প্রতি পিস ৩০-৪০ টাকা, ডিমের হালি ৩৫-৩৬ টাকা ও রসুন ৫০-৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চট্টগ্রামে সিন্ডিকেটের কারণে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি

সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস
 আহমেদ মুসা, চট্টগ্রাম 
১৮ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাস উঠছে সাধারণ মানুষের। চাল, ডাল, তেল, চিনি, পেঁয়াজসহ প্রায় সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চড়া। কোনো কোনো পণ্যের দাম বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ। সব পণ্যের দাম বাড়লেও মানুষের আয় বাড়েনি। দ্রব্যমূল্যের কাশাঘাতে জর্জরিত সাধারণ মানুষ বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তরা।

ব্যবসায়ীরা কখনো আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণে আবার কখনো দেশীয় বাজারে সংকটের কারণে মূল্য বাড়ছে বলে দাবি করছেন। তবে সাধারণ ব্যবসায়ীরা বলছেন, সিন্ডিকেট করেই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অকারণে পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে। সরকারের তদারকি না থাকায় দ্রব্যমূল্যের লাগাম টানা যাচ্ছে না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা গেছে, বাজারে যে দামে পণ্য বিক্রি হচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তার চেয়ে কেজিতে দুই-তিন টাকা বেশি দাম নির্ধারণ করে দেয়। এ কারণেও বাজার নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে।

চট্টগ্রামে খুচরা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। ভারতীয় ভালোমানের পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৫ টাকা দামে। মিয়ানমারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকা দরে। আর মিয়ানমারের নিম্নমানের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩৫ টাকা দরে। ভালো মানের পেঁয়াজ এক মাস আগেও ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। এক মাসের ব্যবধানে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে।

চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের একটি সূত্র জানায়, প্রথমদিকে বলা হয়েছিল ভারতে বন্যায় ক্ষতির কারণে সেখান থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের দামও বেড়েছে। কিন্তু প্রায় ৪০ শতাংশের মতো পেঁয়াজ মিয়ানমার থেকে আমদানি করা হয়। মিয়ানমারে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়নি। সেখানে দামও বাড়েনি। তবু কম দামে মিয়ানমার থেকে কেনা পেঁয়াজও পাইকারি বাজারে অস্বাভাবিক দামে বিক্রি হচ্ছে। সূত্র মতে, চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের তিন থেকে চারটি সিন্ডিকেট রয়েছে। এ সিন্ডিকেটগুলোই বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়িয়ে সাধারণ ভোক্তাদের পকেট থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

খাতুনগঞ্জের পেঁয়াজের পাইকারি মার্কেট হামিদুল্লাহ মিয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস যুগান্তরকে বলেন, চট্টগ্রামে পেঁয়াজের সংকট নেই। ভারতীয় রপ্তানিকারক, ব্যবসায়ী ও মজুতদাররা সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। পূজার আগে পুরোদমে পেঁয়াজের ট্রাক খাতুনগঞ্জে এসেছে। এখন খাতুনগঞ্জে প্রায় ৬৫০ মেট্রিক টন থেকে ৭০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ মুজত রয়েছে। মিয়ানমার থেকেও প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ আসছে।

চিনি, সয়াবিন তেল ও মসুর ডালের দামও এখন চড়া। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত ৫ সেপ্টেম্বর লিটারে চার টাকা বাড়িয়ে খোলা সয়াবিন তেলের দর খুচরা পর্যায়ে ১২৯ টাকা, পাম অয়েল ১১৬ টাকা ও বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৫৩ টাকা নির্ধারণ করে দেয়। এরপর ৯ সেপ্টেম্বর খোলা চিনির দাম প্রতি কেজি সর্বোচ্চ ৭৪ টাকা ও প্যাকেটজাত চিনি প্রতি কেজি ৭৫ টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। কিন্তু কোথাও খুচরা বিক্রেতারা এ দামে সয়াবিন তেল ও চিনি বিক্রি করছেন না। খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৪০-১৪৫ টাকা, বোতলজাত প্রতি লিটার ১৪৮-১৫০ টাকা, খোলা চিনি ৮০ টাকা ও প্যাকেটজাত চিনি ৮৫-৮৭ টাকায় বিক্রি করছেন তারা। আমদানি করা মসুর ডাল ৯০ টাকা ও দেশি মসুর ডাল ১০৫-১১০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে। এক মাসে এসব পণ্য কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

কয়েকদিন ধরে চালের বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। পাইকারি বাজারে চালের দাম বস্তাপ্রতি কিছুটা কমলেও খুচরা বাজারে এর প্রভাব এখনো পড়েনি। এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারিতে নাজিরশাইল সিদ্ধ বস্তাপ্রতি ১০০ টাকা কমে গিয়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার টাকায়। মিনিকেট সিদ্ধ ১০০ টাকা কমে ২ হাজার ৩০০ টাকা এবং স্বর্ণা সিদ্ধ বস্তাপ্রতি ১০০ টাকা কমে এখন বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮০ টাকায়। অন্যদিকে মিনিকেট আতপ বস্তায় ১০০ টাকা কমে ২ হাজার ৪৫০ টাকা, কাটারিভোগ আতপ ১০০ টাকা কমে দুই হাজার ৯০০ টাকা, পারি সিদ্ধ ১০০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩০০ টাকা এবং মোটা সিদ্ধ চাল ১০০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৮৫০ টাকায়। এছাড়া দেশি বেতি আতপ বস্তায় ১৫০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ১৫০ টাকায়। এরপরও খুচরা বাজারে ৫০ টাকার কেজির নিচে কোনো চাল নেই।

১০ দিন আগেও চট্টগ্রামে ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল কেজিপ্রতি ১১০ থেকে ১১৫ টাকা। এখন বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা। পাকিস্তানি মুরগি প্রতি কেজি ৩০০-৩২০ টাকা। দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৮০-৪০০ টাকা কেজিদরে। উৎপাদকরা বলছেন, লকডাউনের পর কয়েক দফায় বেড়েছে ভুট্টা ও সয়াবিনের দাম। এছাড়া বর্তমানে বিভিন্ন সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান পুরোদমে শুরু হওয়ায় মুরগির চাহিদা বেড়েছে। এ কারণে দাম বাড়ছে।

চট্টগ্রামের কাঁচাবাজারে শীতের সবজি আসা শুরু হলেও দাম অনেক চড়া। বিক্রেতারা ছোট আকারের প্রতি পিস ফুলকপির দাম হাঁকছেন ৬০ থেকে ৭০ টাকা। এছাড়া শিম ৯০-১০০ টাকা, টমেটো ১২০-১৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৫৫-৬০ টাকা, করলা ৪৫-৫০ টাকা, গাজর ১৩০-১৪০ টাকা, মুলা ৪০-৪৫ টাকা, পটোল ৩০-৩৫ টাকা, ঢেঁড়শ ৪০-৪৫ টাকা, গোল বেগুন ৫৫-৬০ টাকা, চিকন বেগুন ৩৫-৪০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, শসা ৪০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাউ প্রতি পিস ৩০-৪০ টাকা, ডিমের হালি ৩৫-৩৬ টাকা ও রসুন ৫০-৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন