চট্টগ্রামে বাসায় রহস্যজনক বিস্ফোরণ নিহত ১ দগ্ধ ৩
jugantor
চট্টগ্রামে বাসায় রহস্যজনক বিস্ফোরণ নিহত ১ দগ্ধ ৩

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

১৮ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামে রহস্যজনক বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে একজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। রোববার সকাল ১০টার দিকে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন বালুছড়া এলাকায় কাসেম কলোনির একটি তিনতলা ভবনের নিচতলায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম মো. ফারুক আকাশ (২৩)। তিনি চট্টগ্রাম কলেজ পূর্ব গেট ধনার বাপের বাড়ির রবিউল ইসলামের ছেলে। আহতরা হলেন-কালাম (৩০), ফোরকান উল্লাহ (৬০) ও দিদার হোসেন (৪০)। তাদের মধ্যে প্রথম দুজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। আঘাত গুরুতর না হওয়ায় দিদার হোসেনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হতাহত সবাই শ্রমিক। তারা ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) মোখলেসুর রহমান বলেন, বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। নিহত ফারুক ওই সময় বাইরে থেকে এসে মাত্র বাসার ভেতরে প্রবেশ করেন। বিস্ফোরণে ভবনের দেয়ালের একটি অংশ ভেঙে তার (ফারুক) ওপর পড়ে। যে ঘরটিতে বিস্ফোরণ হয়েছে সেখানে ফোরকান ও কালাম নামে দুজন ছিলেন। তাদের দগ্ধ অবস্থায় চমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দিদার ছিলেন পাশের রুমে। এজন্য তার আঘাত গুরুতর নয়।

তিনি আরও বলেন, কী কারণে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, ভেতরে গ্যাস জমে বিস্ফোরণ হয়েছে। আহতরাও একই কথা বলেছেন। তবে খালি চোখে দাহ্য পদার্থ কিংবা বিস্ফোরণের কোনো আলামত মেলেনি। ঘটনাস্থলে বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেছে।

বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান বলেন, ভবনের নিচতলায় কিছু শ্রমিক ভাড়া থাকেন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় মসজিদ ও মাদ্রাসা রয়েছে। গ্যাস জমে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক ফরিদ আহমেদ বলেন, বিস্ফোরণের কারণ এখনো জানা যায়নি। কেননা এখানে বোমা বিস্ফোরণ কিংবা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের আলামত পাওয়া যায়নি। এরপরও বিকট শব্দে কেন এ বিস্ফোরণ তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিস্ফোরণের পর শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

চমেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. আলী জামান বলেন, বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি দুজনের মধ্যে একজনের ৬০ শতাংশ ও অন্যজনের ৪৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুজনেরই শ্বাসনালি পুড়ে গেছে।

চট্টগ্রামে বাসায় রহস্যজনক বিস্ফোরণ নিহত ১ দগ্ধ ৩

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
১৮ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামে রহস্যজনক বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে একজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। রোববার সকাল ১০টার দিকে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন বালুছড়া এলাকায় কাসেম কলোনির একটি তিনতলা ভবনের নিচতলায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম মো. ফারুক আকাশ (২৩)। তিনি চট্টগ্রাম কলেজ পূর্ব গেট ধনার বাপের বাড়ির রবিউল ইসলামের ছেলে। আহতরা হলেন-কালাম (৩০), ফোরকান উল্লাহ (৬০) ও দিদার হোসেন (৪০)। তাদের মধ্যে প্রথম দুজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। আঘাত গুরুতর না হওয়ায় দিদার হোসেনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হতাহত সবাই শ্রমিক। তারা ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) মোখলেসুর রহমান বলেন, বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। নিহত ফারুক ওই সময় বাইরে থেকে এসে মাত্র বাসার ভেতরে প্রবেশ করেন। বিস্ফোরণে ভবনের দেয়ালের একটি অংশ ভেঙে তার (ফারুক) ওপর পড়ে। যে ঘরটিতে বিস্ফোরণ হয়েছে সেখানে ফোরকান ও কালাম নামে দুজন ছিলেন। তাদের দগ্ধ অবস্থায় চমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দিদার ছিলেন পাশের রুমে। এজন্য তার আঘাত গুরুতর নয়।

তিনি আরও বলেন, কী কারণে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, ভেতরে গ্যাস জমে বিস্ফোরণ হয়েছে। আহতরাও একই কথা বলেছেন। তবে খালি চোখে দাহ্য পদার্থ কিংবা বিস্ফোরণের কোনো আলামত মেলেনি। ঘটনাস্থলে বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেছে।

বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান বলেন, ভবনের নিচতলায় কিছু শ্রমিক ভাড়া থাকেন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় মসজিদ ও মাদ্রাসা রয়েছে। গ্যাস জমে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক ফরিদ আহমেদ বলেন, বিস্ফোরণের কারণ এখনো জানা যায়নি। কেননা এখানে বোমা বিস্ফোরণ কিংবা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের আলামত পাওয়া যায়নি। এরপরও বিকট শব্দে কেন এ বিস্ফোরণ তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিস্ফোরণের পর শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

চমেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. আলী জামান বলেন, বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি দুজনের মধ্যে একজনের ৬০ শতাংশ ও অন্যজনের ৪৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুজনেরই শ্বাসনালি পুড়ে গেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন