সরকার সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় পুরোপুরি ব্যর্থ: জিএম কাদের
jugantor
সরকার সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় পুরোপুরি ব্যর্থ: জিএম কাদের

  যুগান্তর ডেস্ক  

২০ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের এমপি বলেছেন, সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা ও পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা রক্ষায় সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কেন ব্যর্থ হলো, তা অবশ্যই খতিয়ে দেখতে হবে। এছাড়া সারা দেশে সহিংসতা রোধে কোনো সাফল্য নেই সরকারের। জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় কাকরাইল মিলনায়তনে ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) উপলক্ষ্যে আলোচনাসভায় তিনি মঙ্গলবার বিকালে এ কথা বলেন।
জিএম কাদের বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য রয়েছে আমাদের। সেই ঐতিহ্য ধ্বংস হয়ে পৃথিবীতে আমাদের নেতিবাচক ইমেজ তৈরি হচ্ছে। দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। দেশের মানুষ ঐতিহ্যে বিশ্বাস করে। দেশের মানুষ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও হামলা পছন্দ করে না।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে একজন প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রধর্ম মানি না বলে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ সরকার পঞ্চদশ সংশোধনীতে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রেখেছে। তাই রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলে ওই মন্ত্রী দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। কেউ যদি রাষ্ট্রধর্ম বাতিল করতে চায়, জাতীয় পার্টি তা আনচ্যালেঞ্জড ছেড়ে দেবে না।
এ সময় জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনকালে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর কখনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশ পরিচালনা করলেই সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। বর্তমান সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) উপলক্ষ্যে আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, নাজমা আক্তার এমপি, লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সেলিম উদ্দিন, ড. নূরুল আজহার শামীম, জহিরুল আলম রুবেল, হেনা খান পন্নী, অ্যাডভোকেট লাকি বেগম, ভাইস চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান খান, নিগার সুলতানা রানী, এইচএম শাহারিয়ার আসিফ, যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, সামছুল হক, ফখরুল আহসান শাহজাদা, বেলাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন খান, আনোয়ার হোসেন তোতা, এবিএম লিয়াকত হোসেন চাকলাদার, কাজী আবুল খায়ের, মমতাজ উদ্দিন, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সুলতান মাহমুদ, এমএ রাজ্জাক খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসহাক ভূঁইয়া, আহাদ ইউ চৌধুরী শাহিন, এসএম আল জুবায়ের, মিজানুর রহমান মিরু, অ্যাডভোকেট খন্দকার ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ, যুগ্ম সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য হেলাল উদ্দিন, আকতার হোসেন দেওয়ান, এমএ সোবাহান, মাহমুদ আলম, সমরেশ মন্ডল মানিক, হাফেজ কারি ইসারুহুল্লা আসিফ, শেখ মোহাম্মদ শান্ত, মীর সামসুল আলম লিপ্টন, শাজাহান কবির, আব্দুস সাত্তার গালিব, মিয়াজী মো. সহিদুল ইসলাম লিটন, কেন্দ্রীয় নেতা রিতুন নুর, আবু সাঈদ স্বপন, মাওলালা খলিলুর রহমান সিদ্দিকী, হুমায়ুন কবির শাওন, লোকমান ভুইয়া রাজু, আলমগীর কবির মজুমদার, জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, ফারুক শেঠ, সোলায়মান সামি, আসমা আক্তার রুমি, তাসলিমা আকবর রুনা, সিমানা আমির, জিয়াউর রহমান বিপুল, মোস্তাইন বিল্লাহ, রমজান আলী ভূঁইয়া, আলাউদ্দিন আহমেদ, মো. কাদির, মোমেনা বেগম, মোখলেছুর রহমান বস্তু, জাহাঙ্গীর আলম, ইঞ্জিনিয়ার এহলান উদ্দিন, জাতীয় তরুণ পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোড়ল জিয়াউর রহমান, জাতীয় ছাত্রনেতা নাজমুল হাসান রেজাসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।
কুমিল্লায় জাতীয় ছাত্র সমাজের প্রতিনিধি দল : যুগান্তরের কুমিল্লা ব্যুরো জানায়, কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে সংঘর্ষের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে জাতীয় ছাত্র সমাজের প্রতিনিধিদল। মঙ্গলবার জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের নির্দেশে ওই প্রতিনিধিদল নগরীর নানুয়ার দীঘিরপাড় এলাকা পরিদর্শনে আসে। এ সময় মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদকসহ স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন তারা। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক আল মামুন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন বিনষ্ট করে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে। এ দেশ আমাদের সব ধর্মের। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ছাত্র সমাজের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আহ্বায়ক ফকির আল মামুন, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ আজিজ ড্যানি, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সদস্য সামিউল সোহাগ, আবুল হাসনাত, ওমর ফারুক সোহেল প্রমুখ।

সরকার সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় পুরোপুরি ব্যর্থ: জিএম কাদের

 যুগান্তর ডেস্ক 
২০ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
জিএম কাদের
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মঙ্গলবার ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) উপলক্ষ্যে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের -যুগান্তর

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের এমপি বলেছেন, সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা ও পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা রক্ষায় সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কেন ব্যর্থ হলো, তা অবশ্যই খতিয়ে দেখতে হবে। এছাড়া সারা দেশে সহিংসতা রোধে কোনো সাফল্য নেই সরকারের। জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় কাকরাইল মিলনায়তনে ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) উপলক্ষ্যে আলোচনাসভায় তিনি মঙ্গলবার বিকালে এ কথা বলেন।
জিএম কাদের বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য রয়েছে আমাদের। সেই ঐতিহ্য ধ্বংস হয়ে পৃথিবীতে আমাদের নেতিবাচক ইমেজ তৈরি হচ্ছে। দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। দেশের মানুষ ঐতিহ্যে বিশ্বাস করে। দেশের মানুষ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও হামলা পছন্দ করে না।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে একজন প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রধর্ম মানি না বলে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ সরকার পঞ্চদশ সংশোধনীতে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রেখেছে। তাই রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলে ওই মন্ত্রী দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। কেউ যদি রাষ্ট্রধর্ম বাতিল করতে চায়, জাতীয় পার্টি তা আনচ্যালেঞ্জড ছেড়ে দেবে না।
এ সময় জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনকালে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর কখনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশ পরিচালনা করলেই সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। বর্তমান সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) উপলক্ষ্যে আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, নাজমা আক্তার এমপি, লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সেলিম উদ্দিন, ড. নূরুল আজহার শামীম, জহিরুল আলম রুবেল, হেনা খান পন্নী, অ্যাডভোকেট লাকি বেগম, ভাইস চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান খান, নিগার সুলতানা রানী, এইচএম শাহারিয়ার আসিফ, যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, সামছুল হক, ফখরুল আহসান শাহজাদা, বেলাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন খান, আনোয়ার হোসেন তোতা, এবিএম লিয়াকত হোসেন চাকলাদার, কাজী আবুল খায়ের, মমতাজ উদ্দিন, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সুলতান মাহমুদ, এমএ রাজ্জাক খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসহাক ভূঁইয়া, আহাদ ইউ চৌধুরী শাহিন, এসএম আল জুবায়ের, মিজানুর রহমান মিরু, অ্যাডভোকেট খন্দকার ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ, যুগ্ম সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য হেলাল উদ্দিন, আকতার হোসেন দেওয়ান, এমএ সোবাহান, মাহমুদ আলম, সমরেশ মন্ডল মানিক, হাফেজ কারি ইসারুহুল্লা আসিফ, শেখ মোহাম্মদ শান্ত, মীর সামসুল আলম লিপ্টন, শাজাহান কবির, আব্দুস সাত্তার গালিব, মিয়াজী মো. সহিদুল ইসলাম লিটন, কেন্দ্রীয় নেতা রিতুন নুর, আবু সাঈদ স্বপন, মাওলালা খলিলুর রহমান সিদ্দিকী, হুমায়ুন কবির শাওন, লোকমান ভুইয়া রাজু, আলমগীর কবির মজুমদার, জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, ফারুক শেঠ, সোলায়মান সামি, আসমা আক্তার রুমি, তাসলিমা আকবর রুনা, সিমানা আমির, জিয়াউর রহমান বিপুল, মোস্তাইন বিল্লাহ, রমজান আলী ভূঁইয়া, আলাউদ্দিন আহমেদ, মো. কাদির, মোমেনা বেগম, মোখলেছুর রহমান বস্তু, জাহাঙ্গীর আলম, ইঞ্জিনিয়ার এহলান উদ্দিন, জাতীয় তরুণ পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোড়ল জিয়াউর রহমান, জাতীয় ছাত্রনেতা নাজমুল হাসান রেজাসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।
কুমিল্লায় জাতীয় ছাত্র সমাজের প্রতিনিধি দল : যুগান্তরের কুমিল্লা ব্যুরো জানায়, কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে সংঘর্ষের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে জাতীয় ছাত্র সমাজের প্রতিনিধিদল। মঙ্গলবার জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের নির্দেশে ওই প্রতিনিধিদল নগরীর নানুয়ার দীঘিরপাড় এলাকা পরিদর্শনে আসে। এ সময় মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদকসহ স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন তারা। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক আল মামুন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন বিনষ্ট করে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে। এ দেশ আমাদের সব ধর্মের। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ছাত্র সমাজের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আহ্বায়ক ফকির আল মামুন, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ আজিজ ড্যানি, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সদস্য সামিউল সোহাগ, আবুল হাসনাত, ওমর ফারুক সোহেল প্রমুখ।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন