কুমিল্লায় সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার হবে ট্রাইব্যুনালে: আইনমন্ত্রী
jugantor
কুমিল্লায় সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার হবে ট্রাইব্যুনালে: আইনমন্ত্রী

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৪ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। শনিবার বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত নবাগত সাব-রেজিস্ট্রারদের বরণ এবং রেজিস্ট্রেশন সার্ভিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, ভিডিও দেখে আসামি শনাক্ত করা হয়েছে। ভিডিও এভিডেন্স গ্রহণ করার একটা ধারা আছে। সে ধারায় কোনো অসুবিধা হবে না। মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে যাবে এবং বিচার হবে।

তিনি বলেন, আমার যত দূর জানা আছে, নাসিরনগরের যে ঘটনা সেটার তদন্ত বোধহয় এখনও শেষ হয়নি। আমি বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই, যতক্ষণ পর্যন্ত তদন্ত শেষ না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত কিন্তু আদালতের বিচারিক এখতিয়ার হয় না। আদালতের হয়তো অনেকগুলো ইন্টারিম অর্ডার দেওয়ার ক্ষমতা থাকে, কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত পুলিশ প্রতিবেদন না আসে আদালত কিন্তু বিচারিক কাজ শুরু করতে পারে না। তিনি বলেন, আমরা সেটার জন্য অপেক্ষা করছি। আমি সবাইকে আশ্বস্ত করতে চাই, যে মুহূর্তে তদন্ত শেষ হয়ে এটা বিচারিক আদালতে আসবে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে সমাপ্তি করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশ প্রযুক্তিতে অনেকদূর এগিয়ে গেছে। এই অবস্থায় রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে ডিজিটাইজেশন বা ই-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চালুর বিকল্প নেই। এই প্রক্রিয়া চালু হলে জনগণকে দ্রুত রেজিস্ট্রেশন সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। তিনি যোগ করেন, ই-রেজিস্ট্রেশনের পাশাপাশি প্রচলিত ব্যবস্থাও বহাল থাকবে। তাই ই-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চালু হলেও কোনো নকলনবিশ বা দলিল লেখক কাজ হারাবেন না।

বিআরএসএ-এর সভাপতি মো. জিয়াউল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব মো. মইনুল কবির, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক শহীদুল আলম ঝিনুক, বিআরএসএ-এর মহাসচিব মো. জাহিদ হোসেন প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

কুমিল্লায় সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার হবে ট্রাইব্যুনালে: আইনমন্ত্রী

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৪ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। শনিবার বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত নবাগত সাব-রেজিস্ট্রারদের বরণ এবং রেজিস্ট্রেশন সার্ভিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, ভিডিও দেখে আসামি শনাক্ত করা হয়েছে। ভিডিও এভিডেন্স গ্রহণ করার একটা ধারা আছে। সে ধারায় কোনো অসুবিধা হবে না। মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে যাবে এবং বিচার হবে।

তিনি বলেন, আমার যত দূর জানা আছে, নাসিরনগরের যে ঘটনা সেটার তদন্ত বোধহয় এখনও শেষ হয়নি। আমি বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই, যতক্ষণ পর্যন্ত তদন্ত শেষ না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত কিন্তু আদালতের বিচারিক এখতিয়ার হয় না। আদালতের হয়তো অনেকগুলো ইন্টারিম অর্ডার দেওয়ার ক্ষমতা থাকে, কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত পুলিশ প্রতিবেদন না আসে আদালত কিন্তু বিচারিক কাজ শুরু করতে পারে না। তিনি বলেন, আমরা সেটার জন্য অপেক্ষা করছি। আমি সবাইকে আশ্বস্ত করতে চাই, যে মুহূর্তে তদন্ত শেষ হয়ে এটা বিচারিক আদালতে আসবে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে সমাপ্তি করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশ প্রযুক্তিতে অনেকদূর এগিয়ে গেছে। এই অবস্থায় রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে ডিজিটাইজেশন বা ই-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চালুর বিকল্প নেই। এই প্রক্রিয়া চালু হলে জনগণকে দ্রুত রেজিস্ট্রেশন সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। তিনি যোগ করেন, ই-রেজিস্ট্রেশনের পাশাপাশি প্রচলিত ব্যবস্থাও বহাল থাকবে। তাই ই-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চালু হলেও কোনো নকলনবিশ বা দলিল লেখক কাজ হারাবেন না।

বিআরএসএ-এর সভাপতি মো. জিয়াউল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব মো. মইনুল কবির, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক শহীদুল আলম ঝিনুক, বিআরএসএ-এর মহাসচিব মো. জাহিদ হোসেন প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন