উন্নয়নের জন্যই নগরবাসী ভোট দেবে

  আহমদ মুসা রঞ্জু, খুলনা ব্যুরো ১৪ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

উন্নয়নের জন্যই নগরবাসী ভোট দেবে
খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক

খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক বলেছেন, ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত মেয়র ছিলাম। সে সময় প্রায় এক হাজার কোটি টাকার কাজ করেছি। তার পরও নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়েছিলাম। আমি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। জনগণের রায় বিশ্বাস করি। ১৫ মে’র নির্বাচনে জনগণ যে রায় দেবে অবশ্যই তা মেনে নেব।

প্রচারের শেষ দিন যুগান্তরকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। নগরবাসী কেন আপনাকে পুনরায় মেয়র নির্বাচিত করবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তালুকদার আবদুল খালেক বলেন, ‘গত পাঁচ বছরে বিএনপির মেয়র কোনো উন্নয়ন করেনি। কিন্তু আমার সময় নগরবাসী দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখেছে। তাই আমাকে তারা ভোট দেবে। বিগত নির্বাচনের তুলনায় এ বছর গণসংযোগে অনেক বেশি সাড়া পেয়েছি। উন্নয়নের জন্যই এবার নগরবাসী আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে বলে আমার বিশ্বাস।’

নির্বাচন নিয়ে বিএনপির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি বিএনপির কথা বিশ্বাস করি না। কারণ ২০১৩ সালেও আমি নির্বাচন করেছি। আমার সরকার ক্ষমতায় ছিল। আমি মেয়র ছিলাম। কিন্তু আমি পরাজিত হয়ে সেটি মেনে নিয়েছিলাম।’

তিনি বলেন, ‘গণসংযোগকালে মাঠে ময়দানে বিএনপির প্রার্থীর সাথে দেখা হয়নি। কোথাও বিএনপি কর্মীদের ভোট চাইতেও দেখিনি। তাদের কি পরিকল্পনা বা এজেন্ডা আছে তা জানি না। তবে তারা কেসিসি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে, যাতে জাতীয় নির্বাচনে ফায়দা লোটা যায়। এ কারণে প্রথম থেকেই নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য যা করার দরকার তাই করে চলেছে তারা।’

জাতীয় নির্বাচনে ক্ষমতার পালাবদল হলে কেসিসির উন্নয়ন হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, যারা উন্নয়ন করতে পারে তারা ক্ষমতার পালাবদল হলেও পারে। সরকারে কে এলো না এলো সেটার নিশ্চয়তা নেই। দেশের উন্নয়ন করছে শেখ হাসিনা।

ইউনিয়ন পর্যায়ে গেলে দেশের উন্নয়ন দেখা যাবে। আরেকজন চুরি করে ধরা পড়ছে। এতিমদের টাকা চুরি করেছে। তাকে ভোট না দিয়ে শেখ হাসিনাকে ভোট দেবে। আগামী নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হবেন বলে আমাদের বিশ্বাস।’

মেয়র হলে অগ্রাধিকার কি থাকবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মেয়র থাকাকালে আমার কিছু প্রকল্প নেয়া ছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি। সব টালমাটাল অবস্থায়। টাকা খরচ হয়েছে কিন্তু কাজ হয়নি।

প্রায় ৩০০ কোটি টাকা এনেছিলাম এডিবির কাছ থেকে ময়ূর নদীসহ ২২ খালের জন্য। কিন্তু এগুলোর কোনো কাজ হয়নি। শুধু আরসিসি ঢালাই দিয়ে দেয়ালের মতো করে রেখেছে। জলাবদ্ধতা দূরীকরণ আমার নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল এটাকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। আমি মেয়র থাকাকালে সবকিছু একটি পর্যায়ে নিয়ে এসেছিলাম। যেখানে শেষ করেছিলাম সেখান থেকে পুনরায় শুরু করব।

নির্বাচনে দলীয় কোন্দল প্রভাব ফেলবে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, দলে কোনো কোন্দল নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সবাই একত্রে কাজ করছেন। তবে কার মনের মধ্যে কী আছে জানি না। মাঠ পর্যায়ে তো সবাই আন্তরিকভাবে কাজ করছেন।

কালো টাকার ছড়াছড়ির বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপির অনেক ব্যবসায়ী খুলনায় আছে। আমরা কঠোরভাবে বিষয়টি দেখছি। আমাদের নেতা-কর্মীদেরও নির্দেশনা দেয়া আছে। টাকা দিয়ে ভোট কিনতে গেলে তাদের ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেয়ার নির্দেশ দেয়া আছে।

ঘটনাপ্রবাহ : খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ২০১৮

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter