বড় ভাইয়ের নৌকা ডুবিয়ে ভাইয়ের লাঙ্গলের জয়
jugantor
দিগদাইড় ইউপি
বড় ভাইয়ের নৌকা ডুবিয়ে ভাইয়ের লাঙ্গলের জয়

  কিশোরগঞ্জ ব্যুরো  

১৩ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

তাড়াইল উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান গোলাপ হোসেন ভূঁইয়াকে ১৬৯ ভোটে ডুবিয়ে জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী সহোদর আশরাফ উদ্দিন ভূঁইয়া বিজয়ী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে তাকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয় বলে জানান জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশ্রাফুল আলম। দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে জেলার তিনটি উপজেলার ২৯ ইউপিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে এ ভোট শুরু হয়ে চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। দুই ভাইয়ের এ ভোটযুদ্ধ নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছিল। পাড়া-মহল্লার চায়ের আড্ডায় ছিল শুধু দুই ভাইয়ের চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আর হার-জিত নিয়ে নানা মুখরোচক আলোচনা।

এলাকাবাসী জানান, দুই ভাইয়ের মধ্যে চেয়ারম্যান হওয়ার লড়াইয়ে শুরু থেকেই ছিল বেশ উত্তেজনা। নির্বাচনে দুই ভাই কেউই কাউকে ছাড় দেননি। ইউনিয়নবাসীও তাদের লড়াই উপভোগ করেছেন। সেই জন্য সাধারণ ভোটারদের বাড়তি নজর ছিল দিগদাইড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে। তবে একই পরিবার থেকে দুই ভাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিপাকে পড়েছিলেন পরিবারের লোকজন, আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীরা।

জাতীয় পার্টির মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফ উদ্দীন ভূঁইয়া (আসাদ) বলেন, দিগদাইড় ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের ভোটে আমি লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছি। ইউনিয়নবাসী বিপুল ভোটে আমাকে নির্বাচিত করায় জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। তাড়াইল উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, দিগদাইড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৫ জন প্রার্থী। এদের মধ্যে জাতীয় পার্টির মনোনীত লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে আশরাফ উদ্দিন ভূঁইয়া (আসাদ) ৩ হাজার ৮৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তার সহোদর বড় ভাই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী গোলাপ হোসেন ভূঁইয়া নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৭২২ ভোট। এতে বড় ভাইকে ১৬৯ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন ছোট ভাই আশরাফ উদ্দিন

ভূঁইয়া (আসাদ)। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে জিল্লুর রহমান স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৪১৫ ভোট, আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী স্বপন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৭৭৪ ভোট ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মোহাম্মদ দিলওয়ার হোসেন (হাতপাখা) প্রতীকে পেয়েছেন ৩৫৯ ভোট।

দিগদাইড় ইউপি

বড় ভাইয়ের নৌকা ডুবিয়ে ভাইয়ের লাঙ্গলের জয়

 কিশোরগঞ্জ ব্যুরো 
১৩ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

তাড়াইল উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান গোলাপ হোসেন ভূঁইয়াকে ১৬৯ ভোটে ডুবিয়ে জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী সহোদর আশরাফ উদ্দিন ভূঁইয়া বিজয়ী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে তাকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয় বলে জানান জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশ্রাফুল আলম। দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে জেলার তিনটি উপজেলার ২৯ ইউপিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে এ ভোট শুরু হয়ে চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। দুই ভাইয়ের এ ভোটযুদ্ধ নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছিল। পাড়া-মহল্লার চায়ের আড্ডায় ছিল শুধু দুই ভাইয়ের চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আর হার-জিত নিয়ে নানা মুখরোচক আলোচনা।

এলাকাবাসী জানান, দুই ভাইয়ের মধ্যে চেয়ারম্যান হওয়ার লড়াইয়ে শুরু থেকেই ছিল বেশ উত্তেজনা। নির্বাচনে দুই ভাই কেউই কাউকে ছাড় দেননি। ইউনিয়নবাসীও তাদের লড়াই উপভোগ করেছেন। সেই জন্য সাধারণ ভোটারদের বাড়তি নজর ছিল দিগদাইড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে। তবে একই পরিবার থেকে দুই ভাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিপাকে পড়েছিলেন পরিবারের লোকজন, আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীরা।

জাতীয় পার্টির মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফ উদ্দীন ভূঁইয়া (আসাদ) বলেন, দিগদাইড় ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের ভোটে আমি লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছি। ইউনিয়নবাসী বিপুল ভোটে আমাকে নির্বাচিত করায় জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। তাড়াইল উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, দিগদাইড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৫ জন প্রার্থী। এদের মধ্যে জাতীয় পার্টির মনোনীত লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে আশরাফ উদ্দিন ভূঁইয়া (আসাদ) ৩ হাজার ৮৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তার সহোদর বড় ভাই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী গোলাপ হোসেন ভূঁইয়া নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৭২২ ভোট। এতে বড় ভাইকে ১৬৯ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন ছোট ভাই আশরাফ উদ্দিন

ভূঁইয়া (আসাদ)। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে জিল্লুর রহমান স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৪১৫ ভোট, আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী স্বপন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৭৭৪ ভোট ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মোহাম্মদ দিলওয়ার হোসেন (হাতপাখা) প্রতীকে পেয়েছেন ৩৫৯ ভোট।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন