ভাগ্যান্বেষণে সৌদি গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন মাধবপুরের টুনি
jugantor
পরিবারের দাবি সুষ্ঠু বিচার
ভাগ্যান্বেষণে সৌদি গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন মাধবপুরের টুনি

  মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৫ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দালালের খপ্পরে পড়ে ভাগ্যান্বেষণে সৌদি আরব গিয়েছিলেন হবিগঞ্জের মাধবপুরের টুনি বেগম। স্বামী পরিত্যক্ত এই নারী দেশে রেখে যান ২ ছেলে ও ১ মেয়ে। কিন্তু পরিবারের অভাব-অনটন ঘোচানো দূরের কথা, পাশবিক নির্যাতনে লাশ হয়ে ফিরেছেন টুনি। শনিবার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাশ গ্রহণ করে টুনির পরিবার। টুনি উপজেলার রাজেন্দ্রপুর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুছের মেয়ে। রোববার উপজেলার রাজেন্দ্রপুর গ্রামে তার দাফন করা হয়।

ভাই হান্নান মিয়া জানান, পার্শ্ববর্তী বিজয়নগর উপজেলার ভাগদিয়া গ্রামের হাছান মিয়া ও দুলাল মিয়ার মাধ্যমে এ বছরের ১৮ মার্চ ৩ লাখ টাকার বিনিময়ে সৌদি আরব যান। কিন্তু যাওয়ার পরই তার ওপর শুরু হয় পাশবিক নির্যাতন। টুনির সঙ্গে থাকা এক নারী ১২ সেপ্টেম্বর ফোনে জানান, টুনিকে হত্যা করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, সৌদি প্রবাসী কয়েক বাংলাদেশি টুনি বেগমকে পাশবিক নির্যাতন করে মেরে ফেলেছে। বোন সায়েরা বেগম জানান, হত্যার ২ মাস পর অনেক ঘোরাঘুরি করে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় সৌদি আরব থেকে শনিবার রাতে টুনির লাশ পেয়েছি। সরকারের কাছে দাবি, কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে টুনি বেগমের হত্যাকারীদের যেন শাস্তির আওতায় আনা হয়।

মাধবপুর থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, টুনির লাশ তার পরিবার রোববার দুপুরে রাজেন্দ্রপুর পারিবারিক করবস্থানে দাফন করেছে। যেহেতু ঘটনাস্থল সৌদি আরব, তাই সে দেশের সরকার আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

পরিবারের দাবি সুষ্ঠু বিচার

ভাগ্যান্বেষণে সৌদি গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন মাধবপুরের টুনি

 মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৫ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দালালের খপ্পরে পড়ে ভাগ্যান্বেষণে সৌদি আরব গিয়েছিলেন হবিগঞ্জের মাধবপুরের টুনি বেগম। স্বামী পরিত্যক্ত এই নারী দেশে রেখে যান ২ ছেলে ও ১ মেয়ে। কিন্তু পরিবারের অভাব-অনটন ঘোচানো দূরের কথা, পাশবিক নির্যাতনে লাশ হয়ে ফিরেছেন টুনি। শনিবার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাশ গ্রহণ করে টুনির পরিবার। টুনি উপজেলার রাজেন্দ্রপুর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুছের মেয়ে। রোববার উপজেলার রাজেন্দ্রপুর গ্রামে তার দাফন করা হয়।

ভাই হান্নান মিয়া জানান, পার্শ্ববর্তী বিজয়নগর উপজেলার ভাগদিয়া গ্রামের হাছান মিয়া ও দুলাল মিয়ার মাধ্যমে এ বছরের ১৮ মার্চ ৩ লাখ টাকার বিনিময়ে সৌদি আরব যান। কিন্তু যাওয়ার পরই তার ওপর শুরু হয় পাশবিক নির্যাতন। টুনির সঙ্গে থাকা এক নারী ১২ সেপ্টেম্বর ফোনে জানান, টুনিকে হত্যা করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, সৌদি প্রবাসী কয়েক বাংলাদেশি টুনি বেগমকে পাশবিক নির্যাতন করে মেরে ফেলেছে। বোন সায়েরা বেগম জানান, হত্যার ২ মাস পর অনেক ঘোরাঘুরি করে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় সৌদি আরব থেকে শনিবার রাতে টুনির লাশ পেয়েছি। সরকারের কাছে দাবি, কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে টুনি বেগমের হত্যাকারীদের যেন শাস্তির আওতায় আনা হয়।

মাধবপুর থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, টুনির লাশ তার পরিবার রোববার দুপুরে রাজেন্দ্রপুর পারিবারিক করবস্থানে দাফন করেছে। যেহেতু ঘটনাস্থল সৌদি আরব, তাই সে দেশের সরকার আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন