গোপালগঞ্জে ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড
jugantor
হত্যা মামলা
গোপালগঞ্জে ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড
নড়াইলে একজনের যাবজ্জীবন

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৬ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হত্যা মামলায় গোপালগঞ্জে পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া নড়াইলে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে ইজিবাইকচালক জাহিদুল ইসলাম বাবু হত্যা মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন বিচারিক আদালত। একই সঙ্গে ওই পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত বিচারক মো. আব্বাস উদ্দীন বৃহস্পতিবার এ রায় দেন। নিহত জাহিদুল ইসলাম বাবু গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের গোলাবাড়িয়া গ্রামের নজরুল মোল্যার ছেলে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলো-গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়ার নতুন চরের বাবুল ফকিরের ছেলে খালিদ ফকির, আনিচ ফকিরের ছেলে মো. বিপুল ফকির, শুকুর মোল্লার ছেলে রাজ্জাক মোল্লা, জেলার কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের ব্যাসপুরের মো. খলিল শেখের ছেলে মো. হাসান শেখ ও নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার চাচড় গ্রামের মো. খোকন মোল্লার ছেলে মো. হোসিয়ার মোল্লা। আসামিরা সবাই পলাতক।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর খালিদ ফকির ফোন করে জাহিদুল ইসলাম বাবুকে জেলা শহরের কাঁচাবাজার সংলগ্ন মেইন রোডে আসতে বলে। পরে ইজিবাইকচালক বাবু সদর উপজেলার গোলাবাড়িয়া বাড়ি থেকে আসে। এরপর বাবু নিখোঁজ থাকে। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পুলিশ ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের কাশিয়ানি উপজেলার ভুলবাড়িয়া সেতুর পাশে ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। ২ অক্টোবর বাবুর বাবা নজরুল মোল্লা বাদী হয়ে খালিদ ফকির ও রাজ্জাক মোল্লার নাম উল্লেখ করে এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞতনামা আসামি করে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন।

নড়াইল : লোহাগড়া উপজেলার ইতনা গ্রামে পরকীয়ার জেরে হত্যার দায়ে পলাশ মিনা নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া ৫০ হাজার জারিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জেলা ও দায়রা জজ মুন্সী মশিয়ার রহমান বুধবার এ আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাশ মিনা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ঠান্ডু সরদারকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে যান আসামি পলাশ মিনা। রাতে ঠান্ডু সরদার বাড়িতে ফিরে না আসায় বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরদিন দুপুরে ইতনা বালিকা বিদ্যালয়ের পাশের খেত থেকে ঠান্ডুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আসামি পলাশ মিনা ঠান্ডু সরদারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহত ঠান্ডুর মা গোলাপী বেগম বাদী হয়ে লোহাগড়া থানায় মামলা করেন।

হত্যা মামলা

গোপালগঞ্জে ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড

নড়াইলে একজনের যাবজ্জীবন
 যুগান্তর ডেস্ক 
২৬ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হত্যা মামলায় গোপালগঞ্জে পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া নড়াইলে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে ইজিবাইকচালক জাহিদুল ইসলাম বাবু হত্যা মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন বিচারিক আদালত। একই সঙ্গে ওই পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত বিচারক মো. আব্বাস উদ্দীন বৃহস্পতিবার এ রায় দেন। নিহত জাহিদুল ইসলাম বাবু গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের গোলাবাড়িয়া গ্রামের নজরুল মোল্যার ছেলে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলো-গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়ার নতুন চরের বাবুল ফকিরের ছেলে খালিদ ফকির, আনিচ ফকিরের ছেলে মো. বিপুল ফকির, শুকুর মোল্লার ছেলে রাজ্জাক মোল্লা, জেলার কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের ব্যাসপুরের মো. খলিল শেখের ছেলে মো. হাসান শেখ ও নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার চাচড় গ্রামের মো. খোকন মোল্লার ছেলে মো. হোসিয়ার মোল্লা। আসামিরা সবাই পলাতক।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর খালিদ ফকির ফোন করে জাহিদুল ইসলাম বাবুকে জেলা শহরের কাঁচাবাজার সংলগ্ন মেইন রোডে আসতে বলে। পরে ইজিবাইকচালক বাবু সদর উপজেলার গোলাবাড়িয়া বাড়ি থেকে আসে। এরপর বাবু নিখোঁজ থাকে। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পুলিশ ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের কাশিয়ানি উপজেলার ভুলবাড়িয়া সেতুর পাশে ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। ২ অক্টোবর বাবুর বাবা নজরুল মোল্লা বাদী হয়ে খালিদ ফকির ও রাজ্জাক মোল্লার নাম উল্লেখ করে এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞতনামা আসামি করে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন।

নড়াইল : লোহাগড়া উপজেলার ইতনা গ্রামে পরকীয়ার জেরে হত্যার দায়ে পলাশ মিনা নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া ৫০ হাজার জারিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জেলা ও দায়রা জজ মুন্সী মশিয়ার রহমান বুধবার এ আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাশ মিনা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ঠান্ডু সরদারকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে যান আসামি পলাশ মিনা। রাতে ঠান্ডু সরদার বাড়িতে ফিরে না আসায় বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরদিন দুপুরে ইতনা বালিকা বিদ্যালয়ের পাশের খেত থেকে ঠান্ডুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আসামি পলাশ মিনা ঠান্ডু সরদারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহত ঠান্ডুর মা গোলাপী বেগম বাদী হয়ে লোহাগড়া থানায় মামলা করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন