পল্লীবন্ধুর উন্নয়নের সুফল মানুষ এখনো ভোগ করছে: অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি
jugantor
চট্টগ্রামে জাতীয় মহিলা পার্টির সভা
পল্লীবন্ধুর উন্নয়নের সুফল মানুষ এখনো ভোগ করছে: অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি
জনগণ আবার জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় দেখতে চায়

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

২৭ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেছেন, পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলে দেশে সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধিত হয়েছিল। রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্টসহ যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছিলেন তিনি। ভূমিহীনদের জন্য গুচ্ছগ্রাম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

বিদ্যুৎ, শহরে ঝলমলে সোডিয়াম লাইটের ব্যবস্থাও করেছিলেন তিনি। চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম রেলস্টেশন, চট্টগ্রাম ইপিজেড তার আমলেই হয়েছে। দেশের মানুষ এখনো তার আমলের সেসব উন্নয়নের সুফল ভোগ করছে। তাই উন্নয়নের জন্য মানুষ এরশাদের হাতে গড়া দল জাতীয় পার্টিকে আবার ক্ষমতায় দেখতে চায়। শুক্রবার সকালে জাতীয় মহিলা পার্টি চট্টগ্রাম বিভাগের সাত জেলার নেতাকর্মীদের নিয়ে চকবাজারে নগর জাতীয় পার্টি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় ও প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সালমা ইসলাম বলেন, ‘বীর প্রসবিনী চট্টগ্রাম। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন এখান থেকেই সংঘটিত হয়েছিল। বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্যসেনের জন্মও এই চট্টগ্রামে। ব্রিটিশ তাড়ানোর আন্দোলনে আত্মাহুতি দিয়েছিলেন বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারসহ অনেকে। তাদের আত্মাহুতি ও ত্যাগের হাত ধরেই এ দেশের মানুষ পরাধীনতামুক্ত হয়েছিল। তাই কী পেলাম, কী পেলাম না-সেই হিসাব না করে মানুষকে ভালোবাসতে হবে। মানুষের জন্য ত্যাগ স্বীকারে জাতীয় পার্টির প্রতিটি নেতাকর্মীকে প্রস্তুত থাকতে হবে। জনগণকে ভালোবাসতে হবে। জনগণকে ভালোবাসলে তারা সেই ভালোবাসার মূল্য দেবে।’

জাতীয় মহিলা পার্টি চট্টগ্রাম মহানগর শাখার আহ্বায়ক সুলতানা রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন জাতীয় মহিলা পার্টির সদস্য সচিব ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হেনা খান পন্নি। সভার উদ্বোধন করেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি সোলায়মান আলম শেঠ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক তিতাস মোস্তফা, জাতীয় মহিলা পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য মিথিলা রোয়াজা, সীমানা আমির, ফেরদৌসী বকুল, চট্টগ্রাম জেলা জাতীয় পার্টি নেতা নুরছফা সরকার, আবু জাফর মো. কামাল প্রমুখ। সভা সঞ্চালনা করেন মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এয়াকুব হোসেন ও মহিলা জাতীয় পার্টি নগর শাখার সদস্য সচিব রোকেয়া সুলতানা।

সভায় চট্টগ্রাম বিভাগের সাত জেলার জাতীয় মহিলা পার্টির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সালমা ইসলাম এমপি আরও বলেন, পল্লীবন্ধু এরশাদ প্রয়াত হলেও তিনি রেখে গেছেন তার সুযোগ্য ভাই জিএম কাদেরকে। তিনি এবং সংগ্রামী মহাসচিব মুজিবুর রহমান চুন্নুর নেতৃত্বে আমরা জাতীয় পার্টির ভিতকে আরও শক্তিশালী করতে চাই। আমাদের শুধু সংসদে বিরোধী দল হিসাবে নয়, রাজপথেও সরব থাকতে হবে। সাধারণ মানুষের ন্যায়সঙ্গত দাবি আদায়ের কথা বলতে হবে। কর্মসূচি দিতে হবে। নির্বাচনে সুষ্ঠুভাবে ভোট দেওয়াসহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে আমাদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান যেসব কর্মসূচি দেবেন তা সফলভাবে পালন করতে হবে। আন্দোলন সফল করতে হলে আমাদের আরও সক্রিয় হতে হবে।

তিনি বলেন, ঘরে ঘরে গিয়ে জাতীয় পার্টির উন্নয়ন সম্পর্কে মানুষকে বোঝাতে হবে। নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। সক্রিয় কর্মী ও সমর্থক বাড়াতে হবে। শুধু নেতা-নেত্রী দিয়ে দল কখনো সফল হতে পারে না। কর্মীবিহীন নেতা-নেত্রীর কোনো মূল্য নেই। দেশে দুটি বড় দল থাকলেও তাদের মধ্যে মারামারি, হানাহানি ছাড়া কিছুই নেই।

মহিলা পার্টির সদস্য সচিব হেনা খান পন্নি বলেন, ‘দলের জন্য আমাদের প্রচুর কাজ করতে হবে। কাজ না করলে আমরা সামনে এগোতে পারব না। দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদের সাহেবের হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। তার নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি নতুন দিগন্তে পৌঁছে যাচ্ছে। এই সৎ মানুষটি সবকিছু বিসর্জন দিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।’

উদ্বোধনী বক্তব্যে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও মহানগর সভাপতি সোলায়মান আলম শেঠ বলেন, ‘দলের জন্য ২২ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছি। কেবল প্রয়াত চেয়ারম্যান এরশাদের ভালোবাসার কারণেই চট্টগ্রামে দলকে সংগঠিত করে রেখেছি। নিজের পকেটের পয়সা খরচ করে দল চালাই। অনেক নেতা আছেন যারা জেলায় গিয়ে নেতাদের কাছে এটা-ওটা চান। তাদের দিয়ে কখনো দল চলবে না। এ ধরনের নেতাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজারে এখন জাতীয় পার্টির একটি অবস্থান তৈরি হয়েছে। জাতীয় পার্টিতে অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামের মতো তুখোড় নেত্রীর প্রয়োজন। সাবেক সফল প্রতিমন্ত্রী সালমা ইসলাম কিছু পাওয়ার জন্য দল করেন না। তিনি দলকে দেওয়ার জন্য, দেশকে কিছু দেওয়ার জন্য রাজনীতি করেন। তার নেতৃত্বে জাতীয় মহিলা পার্টি বাংলাদেশের ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে বলেও আশা করছি।’

সভায় কক্সবাজার জেলা জাতীয় মহিলা পার্টির পক্ষে সালমা পারভীন মনি, রাঙামাটি মহিলা পার্টির পক্ষে সুফিয়া কামাল জেনি, খাগড়াছড়ির পক্ষে শ্রাবণী চাকমা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মহিলা পার্টির পক্ষে ডা. কামরুন্নেসা বক্তব্য দেন।

চট্টগ্রামে জাতীয় মহিলা পার্টির সভা

পল্লীবন্ধুর উন্নয়নের সুফল মানুষ এখনো ভোগ করছে: অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি

জনগণ আবার জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় দেখতে চায়
 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
২৭ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেছেন, পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলে দেশে সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধিত হয়েছিল। রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্টসহ যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছিলেন তিনি। ভূমিহীনদের জন্য গুচ্ছগ্রাম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

বিদ্যুৎ, শহরে ঝলমলে সোডিয়াম লাইটের ব্যবস্থাও করেছিলেন তিনি। চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম রেলস্টেশন, চট্টগ্রাম ইপিজেড তার আমলেই হয়েছে। দেশের মানুষ এখনো তার আমলের সেসব উন্নয়নের সুফল ভোগ করছে। তাই উন্নয়নের জন্য মানুষ এরশাদের হাতে গড়া দল জাতীয় পার্টিকে আবার ক্ষমতায় দেখতে চায়। শুক্রবার সকালে জাতীয় মহিলা পার্টি চট্টগ্রাম বিভাগের সাত জেলার নেতাকর্মীদের নিয়ে চকবাজারে নগর জাতীয় পার্টি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় ও প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সালমা ইসলাম বলেন, ‘বীর প্রসবিনী চট্টগ্রাম। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন এখান থেকেই সংঘটিত হয়েছিল। বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্যসেনের জন্মও এই চট্টগ্রামে। ব্রিটিশ তাড়ানোর আন্দোলনে আত্মাহুতি দিয়েছিলেন বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারসহ অনেকে। তাদের আত্মাহুতি ও ত্যাগের হাত ধরেই এ দেশের মানুষ পরাধীনতামুক্ত হয়েছিল। তাই কী পেলাম, কী পেলাম না-সেই হিসাব না করে মানুষকে ভালোবাসতে হবে। মানুষের জন্য ত্যাগ স্বীকারে জাতীয় পার্টির প্রতিটি নেতাকর্মীকে প্রস্তুত থাকতে হবে। জনগণকে ভালোবাসতে হবে। জনগণকে ভালোবাসলে তারা সেই ভালোবাসার মূল্য দেবে।’

জাতীয় মহিলা পার্টি চট্টগ্রাম মহানগর শাখার আহ্বায়ক সুলতানা রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন জাতীয় মহিলা পার্টির সদস্য সচিব ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হেনা খান পন্নি। সভার উদ্বোধন করেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি সোলায়মান আলম শেঠ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক তিতাস মোস্তফা, জাতীয় মহিলা পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য মিথিলা রোয়াজা, সীমানা আমির, ফেরদৌসী বকুল, চট্টগ্রাম জেলা জাতীয় পার্টি নেতা নুরছফা সরকার, আবু জাফর মো. কামাল প্রমুখ। সভা সঞ্চালনা করেন মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এয়াকুব হোসেন ও মহিলা জাতীয় পার্টি নগর শাখার সদস্য সচিব রোকেয়া সুলতানা।

সভায় চট্টগ্রাম বিভাগের সাত জেলার জাতীয় মহিলা পার্টির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সালমা ইসলাম এমপি আরও বলেন, পল্লীবন্ধু এরশাদ প্রয়াত হলেও তিনি রেখে গেছেন তার সুযোগ্য ভাই জিএম কাদেরকে। তিনি এবং সংগ্রামী মহাসচিব মুজিবুর রহমান চুন্নুর নেতৃত্বে আমরা জাতীয় পার্টির ভিতকে আরও শক্তিশালী করতে চাই। আমাদের শুধু সংসদে বিরোধী দল হিসাবে নয়, রাজপথেও সরব থাকতে হবে। সাধারণ মানুষের ন্যায়সঙ্গত দাবি আদায়ের কথা বলতে হবে। কর্মসূচি দিতে হবে। নির্বাচনে সুষ্ঠুভাবে ভোট দেওয়াসহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে আমাদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান যেসব কর্মসূচি দেবেন তা সফলভাবে পালন করতে হবে। আন্দোলন সফল করতে হলে আমাদের আরও সক্রিয় হতে হবে।

তিনি বলেন, ঘরে ঘরে গিয়ে জাতীয় পার্টির উন্নয়ন সম্পর্কে মানুষকে বোঝাতে হবে। নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। সক্রিয় কর্মী ও সমর্থক বাড়াতে হবে। শুধু নেতা-নেত্রী দিয়ে দল কখনো সফল হতে পারে না। কর্মীবিহীন নেতা-নেত্রীর কোনো মূল্য নেই। দেশে দুটি বড় দল থাকলেও তাদের মধ্যে মারামারি, হানাহানি ছাড়া কিছুই নেই।

মহিলা পার্টির সদস্য সচিব হেনা খান পন্নি বলেন, ‘দলের জন্য আমাদের প্রচুর কাজ করতে হবে। কাজ না করলে আমরা সামনে এগোতে পারব না। দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদের সাহেবের হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। তার নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি নতুন দিগন্তে পৌঁছে যাচ্ছে। এই সৎ মানুষটি সবকিছু বিসর্জন দিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।’

উদ্বোধনী বক্তব্যে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও মহানগর সভাপতি সোলায়মান আলম শেঠ বলেন, ‘দলের জন্য ২২ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছি। কেবল প্রয়াত চেয়ারম্যান এরশাদের ভালোবাসার কারণেই চট্টগ্রামে দলকে সংগঠিত করে রেখেছি। নিজের পকেটের পয়সা খরচ করে দল চালাই। অনেক নেতা আছেন যারা জেলায় গিয়ে নেতাদের কাছে এটা-ওটা চান। তাদের দিয়ে কখনো দল চলবে না। এ ধরনের নেতাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজারে এখন জাতীয় পার্টির একটি অবস্থান তৈরি হয়েছে। জাতীয় পার্টিতে অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামের মতো তুখোড় নেত্রীর প্রয়োজন। সাবেক সফল প্রতিমন্ত্রী সালমা ইসলাম কিছু পাওয়ার জন্য দল করেন না। তিনি দলকে দেওয়ার জন্য, দেশকে কিছু দেওয়ার জন্য রাজনীতি করেন। তার নেতৃত্বে জাতীয় মহিলা পার্টি বাংলাদেশের ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে বলেও আশা করছি।’

সভায় কক্সবাজার জেলা জাতীয় মহিলা পার্টির পক্ষে সালমা পারভীন মনি, রাঙামাটি মহিলা পার্টির পক্ষে সুফিয়া কামাল জেনি, খাগড়াছড়ির পক্ষে শ্রাবণী চাকমা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মহিলা পার্টির পক্ষে ডা. কামরুন্নেসা বক্তব্য দেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন