বগুড়ায় নির্বাচন বর্জন করলেন নৌকার প্রার্থী
jugantor
বগুড়ায় নির্বাচন বর্জন করলেন নৌকার প্রার্থী

  বগুড়া ব্যুরো  

২৯ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ায় বিদ্রোহী প্রার্থীর অত্যাচার এবং প্রশাসন ও দলের সহযোগিতা পাননি বলে ভোটের আগের দিন শনিবার ঘোষণা দিয়ে নির্বাচন বর্জন করেছেন সদরের নুনগোলা ইউনিয়নের নৌকার চেয়ারম্যানপ্রার্থী আলিমুদ্দিন। অভিযোগ উঠেছে, তিনি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যানপ্রার্থী বজলুর রশিদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন। বিদ্রোহীপ্রার্থী বদরুল আলমকে হারাতে তাকে সমর্থন দিয়েছেন। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বিএনপি-জামায়াত অধ্যুষিত এ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলিমুদ্দিনকে দ্বিতীয়বারের মতো নৌকার প্রার্থী করা হয়। মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহীপ্রার্থী হন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বদরুল। বিদ্রোহীপ্রার্থী হওয়ায় জেলা আওয়ামী লীগ তাকে দল থেকে সরিয়ে দেয়। নির্বাচনি প্রচারণা শুরুর পর থেকে নৌকা প্রার্থীর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে দেখা দেন এ বিদ্রোহীপ্রার্থী। প্রচারণা নিয়ে দুই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়। প্রশাসনকে বেগ পেতে হয় তাদের সহিংসতা থামাতে। নির্বাচন থেকে সরে যাওয়া প্রসঙ্গে আলিমুদ্দিন জানান, বিদ্রোহী প্রার্থীর সন্ত্রাস এবং নিজ দলের বড় অংশ ও প্রশাসনের অসহযোগিতার কারণে তার পক্ষে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই তিনি তার কর্মীদের ডেকে স্বেচ্ছায় নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন। তিনি দুপুরে এ ঘোষণা দেওয়ার পর বিকালে বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী বজলুর রশিদ তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। কিন্তু তিনি তাকে সমর্থন দেননি। নির্বাচন বর্জন করায় কর্মী-সমর্থকরা কান্নাকাটি করছেন। তবে জনগণ ভালোবেসে তাকে ভোট দিলে তা তিনি গ্রহণ করবেন। তাকে দল থেকে বহিষ্কারেরও ষড়যন্ত্র চলছে।

আলিমুদ্দিনের সব অভিযোগ অস্বীকার করে বদরুল আলম বলেন, জনসমর্থন না থাকায় তিনি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

বজলুর রশিদ জানান, নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেওয়ায় তিনি আলিমুদ্দিনের কাছে পরামর্শ নিতে গিয়েছিলেন। তবে তিনি তাকে প্রকাশ্যে কোনো সমর্থন দেননি। বগুড়া সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাফুজুল ইসলাম রাজ জানান, আলিমুদ্দিন নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ব্যাপারে তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেননি। এর কারণও জানাননি। বগুড়া সদর থানার ওসি সেলিম রেজা জানান, এ ইউনিয়নে নৌকা ও বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে পালটাপালটি মামলা হয়েছে। এসব তদন্ত চলছে। আলিমুদ্দিনকে অসহযোগিতার কথা অস্বীকার করেন তিনি।

বগুড়ায় নির্বাচন বর্জন করলেন নৌকার প্রার্থী

 বগুড়া ব্যুরো 
২৯ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ায় বিদ্রোহী প্রার্থীর অত্যাচার এবং প্রশাসন ও দলের সহযোগিতা পাননি বলে ভোটের আগের দিন শনিবার ঘোষণা দিয়ে নির্বাচন বর্জন করেছেন সদরের নুনগোলা ইউনিয়নের নৌকার চেয়ারম্যানপ্রার্থী আলিমুদ্দিন। অভিযোগ উঠেছে, তিনি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যানপ্রার্থী বজলুর রশিদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন। বিদ্রোহীপ্রার্থী বদরুল আলমকে হারাতে তাকে সমর্থন দিয়েছেন। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বিএনপি-জামায়াত অধ্যুষিত এ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলিমুদ্দিনকে দ্বিতীয়বারের মতো নৌকার প্রার্থী করা হয়। মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহীপ্রার্থী হন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বদরুল। বিদ্রোহীপ্রার্থী হওয়ায় জেলা আওয়ামী লীগ তাকে দল থেকে সরিয়ে দেয়। নির্বাচনি প্রচারণা শুরুর পর থেকে নৌকা প্রার্থীর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে দেখা দেন এ বিদ্রোহীপ্রার্থী। প্রচারণা নিয়ে দুই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়। প্রশাসনকে বেগ পেতে হয় তাদের সহিংসতা থামাতে। নির্বাচন থেকে সরে যাওয়া প্রসঙ্গে আলিমুদ্দিন জানান, বিদ্রোহী প্রার্থীর সন্ত্রাস এবং নিজ দলের বড় অংশ ও প্রশাসনের অসহযোগিতার কারণে তার পক্ষে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই তিনি তার কর্মীদের ডেকে স্বেচ্ছায় নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন। তিনি দুপুরে এ ঘোষণা দেওয়ার পর বিকালে বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী বজলুর রশিদ তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। কিন্তু তিনি তাকে সমর্থন দেননি। নির্বাচন বর্জন করায় কর্মী-সমর্থকরা কান্নাকাটি করছেন। তবে জনগণ ভালোবেসে তাকে ভোট দিলে তা তিনি গ্রহণ করবেন। তাকে দল থেকে বহিষ্কারেরও ষড়যন্ত্র চলছে।

আলিমুদ্দিনের সব অভিযোগ অস্বীকার করে বদরুল আলম বলেন, জনসমর্থন না থাকায় তিনি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

বজলুর রশিদ জানান, নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেওয়ায় তিনি আলিমুদ্দিনের কাছে পরামর্শ নিতে গিয়েছিলেন। তবে তিনি তাকে প্রকাশ্যে কোনো সমর্থন দেননি। বগুড়া সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাফুজুল ইসলাম রাজ জানান, আলিমুদ্দিন নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ব্যাপারে তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেননি। এর কারণও জানাননি। বগুড়া সদর থানার ওসি সেলিম রেজা জানান, এ ইউনিয়নে নৌকা ও বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে পালটাপালটি মামলা হয়েছে। এসব তদন্ত চলছে। আলিমুদ্দিনকে অসহযোগিতার কথা অস্বীকার করেন তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন