আ.লীগের ঘাঁটিতে হারল নৌকা
jugantor
আ.লীগের ঘাঁটিতে হারল নৌকা
ভাঙ্গায় ১২টির মধ্যে ১১টিতেই স্বতন্ত্র জয়ী

  ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি  

৩০ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার ভরাডুবি হয়েছে। ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ১১টিতে নৌকা পরাজিত হয়েছে। ওই ১১টিতে বর্তমান এমপি মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। মাত্র একটিতে জিতেছেন নৌকার প্রার্থী। আওয়ামী লীগের এলাকা হিসাবে পরিচিত ফরিদপুর-৪ আসনে নৌকা প্রতীকের এমন পরাজয়ের বিষয়ে দলটির তৃণমূল থেকে শুরু করে জেলা পর্যায়ে নেতাদের মাঝে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

এমন পরাজয়ের বিষয়ে ফরিদপুর-৪ আসনের এমপি ও যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন বলেন, আওয়ামী লীগের এই সময়ে যে উন্নয়ন হয়েছে তা অতীতে কখনো হয়নি, তবে কেন নৌকার পরাজয় হবে? তিনি অভিযোগ করেন, অযোগ্য ব্যক্তিদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়ায় হয়তো এমন রেজাল্ট হয়েছে। এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মাসুদ হোসেনের দাবি, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের প্রভাবের চেয়ে প্রার্থীর স্থানীয় প্রভাবই গুরুত্বপূর্ণ। হয়তো আমাদের দুর্বলতা ছিল, বিদ্রোহী প্রার্থীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে পারিনি। বিদ্রোহীদের পেছনে পাওয়ারফুল লোক থাকায় আমাদের প্রার্থীদের ফল এমন হয়েছে।’ পরাজয়ের কারণ সম্পর্কে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বলেন, ‘ভোটে নৌকা জয়ী হোক, তা বড় নেতারা চাননি। অনেক টাকার ছড়াছড়ি হয়েছে, প্রার্থী হিসাবে হয়তো আমাদেরও কিছু দুর্বলতা ছিল। তাই বলে নৌকার এমন পরাজয় মেনে নিতে পারছি না।’

১২ ইউপিতে যারা নির্বাচিত হয়েছেন : কাউলিবেড়া ইউনিয়নে রেজাউল হাসনাত দুদু, আলগীতে ম ম ছিদ্দিক মিয়া, তুজারপুরে ওলিউর রহমান, কালামৃধায় রেজাউল মাতুব্বর, আজিমনগরে শাহজাহান হাওলাদার, মানিকদাহে সহিদুল ইসলাম বাচ্চু, হামিদনগরে খোকন মিয়া, ঘারুয়ায় মনসুর আহম্মেদ মুন্সি, চুমুরদীতে রফিকুল ইসলাম সোহাগ, নাসিরাবাদে আলমগীর হোসেন, নুরুল্লাগঞ্জে শাহবুর রহমান এবং চান্দ্রায় খালেক মোল্লা।

আ.লীগের ঘাঁটিতে হারল নৌকা

ভাঙ্গায় ১২টির মধ্যে ১১টিতেই স্বতন্ত্র জয়ী
 ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি 
৩০ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার ভরাডুবি হয়েছে। ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ১১টিতে নৌকা পরাজিত হয়েছে। ওই ১১টিতে বর্তমান এমপি মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। মাত্র একটিতে জিতেছেন নৌকার প্রার্থী। আওয়ামী লীগের এলাকা হিসাবে পরিচিত ফরিদপুর-৪ আসনে নৌকা প্রতীকের এমন পরাজয়ের বিষয়ে দলটির তৃণমূল থেকে শুরু করে জেলা পর্যায়ে নেতাদের মাঝে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

এমন পরাজয়ের বিষয়ে ফরিদপুর-৪ আসনের এমপি ও যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন বলেন, আওয়ামী লীগের এই সময়ে যে উন্নয়ন হয়েছে তা অতীতে কখনো হয়নি, তবে কেন নৌকার পরাজয় হবে? তিনি অভিযোগ করেন, অযোগ্য ব্যক্তিদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়ায় হয়তো এমন রেজাল্ট হয়েছে। এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মাসুদ হোসেনের দাবি, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের প্রভাবের চেয়ে প্রার্থীর স্থানীয় প্রভাবই গুরুত্বপূর্ণ। হয়তো আমাদের দুর্বলতা ছিল, বিদ্রোহী প্রার্থীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে পারিনি। বিদ্রোহীদের পেছনে পাওয়ারফুল লোক থাকায় আমাদের প্রার্থীদের ফল এমন হয়েছে।’ পরাজয়ের কারণ সম্পর্কে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বলেন, ‘ভোটে নৌকা জয়ী হোক, তা বড় নেতারা চাননি। অনেক টাকার ছড়াছড়ি হয়েছে, প্রার্থী হিসাবে হয়তো আমাদেরও কিছু দুর্বলতা ছিল। তাই বলে নৌকার এমন পরাজয় মেনে নিতে পারছি না।’

১২ ইউপিতে যারা নির্বাচিত হয়েছেন : কাউলিবেড়া ইউনিয়নে রেজাউল হাসনাত দুদু, আলগীতে ম ম ছিদ্দিক মিয়া, তুজারপুরে ওলিউর রহমান, কালামৃধায় রেজাউল মাতুব্বর, আজিমনগরে শাহজাহান হাওলাদার, মানিকদাহে সহিদুল ইসলাম বাচ্চু, হামিদনগরে খোকন মিয়া, ঘারুয়ায় মনসুর আহম্মেদ মুন্সি, চুমুরদীতে রফিকুল ইসলাম সোহাগ, নাসিরাবাদে আলমগীর হোসেন, নুরুল্লাগঞ্জে শাহবুর রহমান এবং চান্দ্রায় খালেক মোল্লা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন