করোনায় ছেদ পড়েছে এইডস কমানোর প্রচেষ্টায়
jugantor
বিশ্ব এইডস দিবস আজ
করোনায় ছেদ পড়েছে এইডস কমানোর প্রচেষ্টায়

  জাহিদ হাসান  

০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে দুই বছর ধরে চলা করোনা মহামারির কারণে এইচআইভি বা এইডস রোগ কমানোর প্রচেষ্টায় ছেদ পড়ছে। ২০১৬ সালে ৫৭৮ জন রোগী শনাক্তের পর ২০১৭ সালে এই সংখ্যা ৮৬৫ জনে দাঁড়ায়। ২০১৮ সালে তা আরও বেড়ে ৮৬৯ এবং ২০১৯ সালে ৯১৯ জন হয়। কিন্তু গত বছর মার্চের শুরুতে দেশে করোনা মহামারি প্রতিরোধে লকডাউনসহ বিধিনিষেধের কারণে শনাক্ত প্রচেষ্টায় ছেদ পড়ে। ফলে আগের বছরের চেয়ে নতুন শনাক্ত কমে ৬৫৮ জনে নেমে আসে। জনস্বাস্থ্যবিদরা বলছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টে বলা হচ্ছে করোনাকালে ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে উঠছে এইচআইভি। ফলে নতুন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এদিকে টেকসই উন্নয়ন (এসডিজি) অর্জনের ক্ষেত্রে ২০৩০ সালের মধ্যে রোগটি নির্মূল করার জন্য বাংলাদেশ জাতিসংঘের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমন পরিস্থিতিতে দেশে এইচআইভি শনাক্ত কমলে নির্ধারিত সময়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ছেদ পড়বে।

এমন প্রেক্ষাপটে আজ দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব এইডস দিব?স-২০২১। এবারের প্রতিপাদ্য-‘এন্ডস ইন ইকুয়ালিটিস, এন্ডস এইডস, এন্ডস প্যানডেমিক অর্থাৎ সমতার বাংলাদেশ এইডস ও অতিমারি হবে শেষ।’ দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক পৃথক বাণী দিয়েছেন। সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) মিলনায়তনে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী চলতি বছরের এইডস পরিস্থিতি তুলে ধরবেন। পাশাপাশি আইসিডিডিআর’বি, ব্র্যাক, সেভ দ্য চিলড্রেনসহ বেসরকারি সংস্থাগুলো সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

সেভ দ্য চিলড্রেনের এইচআইভি এইডস প্রোগ্রামের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে করোনা দেখা দেওয়ার পর এপ্রিল-মে মাসে লকডাউন দেওয়া হয়। ওই সময় এইচআইভি পরীক্ষার পরিমাণ খুব কম ছিল। যৌনকর্মীদের খদ্দের কমে যায়। মাদক দুষ্প্রাপ্য হয়ে পড়ে এবং দাম বেড়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লকডাউন নিশ্চিত করতে সতর্ক থাকায় এইচআইভি শনাক্তে ড্রপ ইন সেন্টার (ডিআইসি) কার্যক্রম চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। এমনকি সুঁইয়ের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারীদের ২১টি ডিআইসির মধ্যে ৫টি এবং যৌনকর্মীদের ২৯টি ডিআইসির মধ্যে ২৬টি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

ফলে রোগটির সেবাগুলো যেমন: এইডস পরীক্ষা, মেথাডন এবং অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল (এআরভি) প্রদান, ভাইরাসটি প্রতিরোধমূলক একক ও দলীয় শিক্ষা, যৌন রোগ থেকে শুরু করে অন্যান্য চিকিৎসা প্রদান বাধাগ্রস্ত হয়।

জানতে চাইলে জ্যেষ্ঠ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. আবু জামিল ফয়সাল যুগান্তরকে বলেন, স্বয়ং ডব্লিওএইচ-এর তথ্য বলছে, করোনাকালে বিশ্বব্যাপী এইচআইভি বাড়ছে। কিন্তু বাংলাদেশে ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে এসে নতুন রোগী কমে গেছে। মূলত করোনার সময় বিধিনিষেধ থাকায় এইচআইভি নিয়ে রিপোর্টিং ঠিকমতো হয়নি। এতে শনাক্ত কম দেখাচ্ছে। বাংলাদেশে জাতীয় এইডস/এসটিডি কন্ট্রোল প্রোগ্রাম সংশ্লিষ্টরা যুগান্তরকে বলেন, বাংলাদেশে ১৯৮৯ সালে রোগটি প্রথম ধরা পরে। ২০২০ সালে শনাক্ত রোগীর মধ্যে পুরুষ ৪০, নারী ৮০ জন। এর মধ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে এইচআইভি পজিটিভ পাওয়া গেছে ১২৪ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত অনুমিত জনগোষ্ঠীর ৫৬ শতাংশ জানতে পেরেছে তাদের শরীরে এইডস রয়েছে। জানার পর ৭৬ শতাংশ চিকিৎসার আওতায় এসেছে। সেবা নেওয়ার পর ৮৮ শতাংশ মানুষের এইচআইভি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, ২০২০ সালে বিশ্বে এইচআইভি আক্রান্ত মানুষের আনুমানিক সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৭৭ লাখ। গত বছর এইচআইভির কারণে ৬ লাখ ৮০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয় এবং ১৫ লাখ মানুষ নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৭৩ শতাংশ অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল (এআরভি) পেয়েছে।

বিশিষ্ট ভাইরোলজিস্ট ও চিকিৎসা বিজ্ঞানী অধ্যাপক ডা. লিয়াকত আলী যুগান্তরকে বলেন, ভবঘুরে, পরিবহণ শ্রমিক, ভাসমান যৌনকর্মী ও প্রবাসীদের মাধ্যমে এইডস বেশি পরিমাণে ছড়ায়। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশ থেকে এইডস নির্মূলের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অনেকটা উচ্চভিলাসী চিন্তা। কারণ গত দুই বছরে পরীক্ষা ও রোগী দুটোই কমেছে। কাজেই এখন নতুন করে লক্ষ্যমাত্রা ও কর্মপরিকল্পনা পুনর্মূল্যায়ন করা উচিত।

জাতীয় এইডস/এসটিডি কন্ট্রোলের পরিচালক ডা. মোহাম্মাদ আমিনুল ইসলাম মিঞা যুগান্তরকে বলেন, এখন পর্যন্ত ১৬ কোটি জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভাইরাসটি সংক্রমণের হার শূন্য দশমিক শূন্য এক শতাংশের নিচে, যা স্বস্তির বিষয়। তিনি বলেন, করোনাকালীন রোগী শনাক্তে পরীক্ষা কিছুটা কম হলেও তেমন প্রভাব পড়েনি। সেসময় রোগীদের কাছে ওষুধ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এখন পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়িয়ে ২৮টি করা হয়েছে। চিকিৎসাকেন্দ্র সাতটি থেকে ১১টি করা হয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে ফোকাল পারসনরা সহায়তা করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে অনুমিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৯৫ শতাংশ কেস শনাক্ত করতে হবে। ৬৪ জেলায় স্কিনিং সেন্টার স্থাপনের কাজ চলছে। এজন্য বিভিন্ন এনজিও, নিরাপদ রক্তসঞ্চালন ব্যবস্থাসহ নানাভাবে কাজ হচ্ছে।

বিশ্ব এইডস দিবস আজ

করোনায় ছেদ পড়েছে এইডস কমানোর প্রচেষ্টায়

 জাহিদ হাসান 
০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে দুই বছর ধরে চলা করোনা মহামারির কারণে এইচআইভি বা এইডস রোগ কমানোর প্রচেষ্টায় ছেদ পড়ছে। ২০১৬ সালে ৫৭৮ জন রোগী শনাক্তের পর ২০১৭ সালে এই সংখ্যা ৮৬৫ জনে দাঁড়ায়। ২০১৮ সালে তা আরও বেড়ে ৮৬৯ এবং ২০১৯ সালে ৯১৯ জন হয়। কিন্তু গত বছর মার্চের শুরুতে দেশে করোনা মহামারি প্রতিরোধে লকডাউনসহ বিধিনিষেধের কারণে শনাক্ত প্রচেষ্টায় ছেদ পড়ে। ফলে আগের বছরের চেয়ে নতুন শনাক্ত কমে ৬৫৮ জনে নেমে আসে। জনস্বাস্থ্যবিদরা বলছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টে বলা হচ্ছে করোনাকালে ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে উঠছে এইচআইভি। ফলে নতুন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এদিকে টেকসই উন্নয়ন (এসডিজি) অর্জনের ক্ষেত্রে ২০৩০ সালের মধ্যে রোগটি নির্মূল করার জন্য বাংলাদেশ জাতিসংঘের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমন পরিস্থিতিতে দেশে এইচআইভি শনাক্ত কমলে নির্ধারিত সময়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ছেদ পড়বে।

এমন প্রেক্ষাপটে আজ দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব এইডস দিব?স-২০২১। এবারের প্রতিপাদ্য-‘এন্ডস ইন ইকুয়ালিটিস, এন্ডস এইডস, এন্ডস প্যানডেমিক অর্থাৎ সমতার বাংলাদেশ এইডস ও অতিমারি হবে শেষ।’ দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক পৃথক বাণী দিয়েছেন। সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) মিলনায়তনে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী চলতি বছরের এইডস পরিস্থিতি তুলে ধরবেন। পাশাপাশি আইসিডিডিআর’বি, ব্র্যাক, সেভ দ্য চিলড্রেনসহ বেসরকারি সংস্থাগুলো সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

সেভ দ্য চিলড্রেনের এইচআইভি এইডস প্রোগ্রামের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে করোনা দেখা দেওয়ার পর এপ্রিল-মে মাসে লকডাউন দেওয়া হয়। ওই সময় এইচআইভি পরীক্ষার পরিমাণ খুব কম ছিল। যৌনকর্মীদের খদ্দের কমে যায়। মাদক দুষ্প্রাপ্য হয়ে পড়ে এবং দাম বেড়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লকডাউন নিশ্চিত করতে সতর্ক থাকায় এইচআইভি শনাক্তে ড্রপ ইন সেন্টার (ডিআইসি) কার্যক্রম চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। এমনকি সুঁইয়ের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারীদের ২১টি ডিআইসির মধ্যে ৫টি এবং যৌনকর্মীদের ২৯টি ডিআইসির মধ্যে ২৬টি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

ফলে রোগটির সেবাগুলো যেমন: এইডস পরীক্ষা, মেথাডন এবং অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল (এআরভি) প্রদান, ভাইরাসটি প্রতিরোধমূলক একক ও দলীয় শিক্ষা, যৌন রোগ থেকে শুরু করে অন্যান্য চিকিৎসা প্রদান বাধাগ্রস্ত হয়।

জানতে চাইলে জ্যেষ্ঠ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. আবু জামিল ফয়সাল যুগান্তরকে বলেন, স্বয়ং ডব্লিওএইচ-এর তথ্য বলছে, করোনাকালে বিশ্বব্যাপী এইচআইভি বাড়ছে। কিন্তু বাংলাদেশে ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে এসে নতুন রোগী কমে গেছে। মূলত করোনার সময় বিধিনিষেধ থাকায় এইচআইভি নিয়ে রিপোর্টিং ঠিকমতো হয়নি। এতে শনাক্ত কম দেখাচ্ছে। বাংলাদেশে জাতীয় এইডস/এসটিডি কন্ট্রোল প্রোগ্রাম সংশ্লিষ্টরা যুগান্তরকে বলেন, বাংলাদেশে ১৯৮৯ সালে রোগটি প্রথম ধরা পরে। ২০২০ সালে শনাক্ত রোগীর মধ্যে পুরুষ ৪০, নারী ৮০ জন। এর মধ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে এইচআইভি পজিটিভ পাওয়া গেছে ১২৪ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত অনুমিত জনগোষ্ঠীর ৫৬ শতাংশ জানতে পেরেছে তাদের শরীরে এইডস রয়েছে। জানার পর ৭৬ শতাংশ চিকিৎসার আওতায় এসেছে। সেবা নেওয়ার পর ৮৮ শতাংশ মানুষের এইচআইভি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, ২০২০ সালে বিশ্বে এইচআইভি আক্রান্ত মানুষের আনুমানিক সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৭৭ লাখ। গত বছর এইচআইভির কারণে ৬ লাখ ৮০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয় এবং ১৫ লাখ মানুষ নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৭৩ শতাংশ অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল (এআরভি) পেয়েছে।

বিশিষ্ট ভাইরোলজিস্ট ও চিকিৎসা বিজ্ঞানী অধ্যাপক ডা. লিয়াকত আলী যুগান্তরকে বলেন, ভবঘুরে, পরিবহণ শ্রমিক, ভাসমান যৌনকর্মী ও প্রবাসীদের মাধ্যমে এইডস বেশি পরিমাণে ছড়ায়। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশ থেকে এইডস নির্মূলের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অনেকটা উচ্চভিলাসী চিন্তা। কারণ গত দুই বছরে পরীক্ষা ও রোগী দুটোই কমেছে। কাজেই এখন নতুন করে লক্ষ্যমাত্রা ও কর্মপরিকল্পনা পুনর্মূল্যায়ন করা উচিত।

জাতীয় এইডস/এসটিডি কন্ট্রোলের পরিচালক ডা. মোহাম্মাদ আমিনুল ইসলাম মিঞা যুগান্তরকে বলেন, এখন পর্যন্ত ১৬ কোটি জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভাইরাসটি সংক্রমণের হার শূন্য দশমিক শূন্য এক শতাংশের নিচে, যা স্বস্তির বিষয়। তিনি বলেন, করোনাকালীন রোগী শনাক্তে পরীক্ষা কিছুটা কম হলেও তেমন প্রভাব পড়েনি। সেসময় রোগীদের কাছে ওষুধ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এখন পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়িয়ে ২৮টি করা হয়েছে। চিকিৎসাকেন্দ্র সাতটি থেকে ১১টি করা হয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে ফোকাল পারসনরা সহায়তা করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে অনুমিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৯৫ শতাংশ কেস শনাক্ত করতে হবে। ৬৪ জেলায় স্কিনিং সেন্টার স্থাপনের কাজ চলছে। এজন্য বিভিন্ন এনজিও, নিরাপদ রক্তসঞ্চালন ব্যবস্থাসহ নানাভাবে কাজ হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন