গাইবান্ধায় মা-মেয়ে ধর্ষণের ঘটনায় ৩ জন ও বরগুনায় শিক্ষকের যাবজ্জীবন
jugantor
গাইবান্ধায় মা-মেয়ে ধর্ষণের ঘটনায় ৩ জন ও বরগুনায় শিক্ষকের যাবজ্জীবন

  যুগান্তর ডেস্ক  

০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গাইবান্ধায় মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া বরগুনায় ধর্ষণের ঘটনায় মাদ্রাসাশিক্ষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

গাইবান্ধা : গাইবান্ধায় গুপ্তধন পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভনে মা-মেয়েকে সংঘদ্ধ ধর্ষণ মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। গাইবান্ধার নারী ও শিশু দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. আব্দুর রহমান মঙ্গলবার এ রায় দেন। এ সময় পাঁচ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলো-গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গোসাইপুর গ্রামের মমতাজ উদ্দিনের ছেলে বেলাল হোসেন, একই গ্রামের বদিউজ্জামান মিয়ার ছেলে এমদাদুল হক ও পাশের শ্যামপুর পার্বর্তীপুরের দুদু মিয়ার ছেলে খাজা মিয়া।

এ ছাড়া দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তারা হলো-একই উপজেলার সাতগাছি হাতিয়াদহ গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে আজিজুল ইসলাম ও সুন্দাইল গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে আসাদুল ইসলাম।

২০১৮ সালের ১২ মে আসামিরা জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলার বাসিন্দা মা ও মেয়েকে ফোন করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ডেকে আনে। তারা জিনের বাদশাহ পরিচয়ে মা ও মেয়েকে গুপ্তধন পাইয়ে দেওয়ার লোভ দেখায়। এরপর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে।

বরগুনা : মাদ্রাসাছাত্রীকে গাইড বই দেওয়ার কথা বলে শিক্ষকের বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগে শিক্ষককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে অপর আসামি রাশিদা বেগমকে খালাস দিয়েছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলো-বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুড়ি ইউনিয়নের সাহেবের হাওলা গ্রামের মাওলানা ইব্রাহীম খলিলের ছেলে সাইফুল ইসলাম। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল। সাইফুল একটি দাখিল মাদ্রাসার শরীর চর্চা শিক্ষক।

গাইবান্ধায় মা-মেয়ে ধর্ষণের ঘটনায় ৩ জন ও বরগুনায় শিক্ষকের যাবজ্জীবন

 যুগান্তর ডেস্ক 
০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গাইবান্ধায় মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া বরগুনায় ধর্ষণের ঘটনায় মাদ্রাসাশিক্ষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

গাইবান্ধা : গাইবান্ধায় গুপ্তধন পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভনে মা-মেয়েকে সংঘদ্ধ ধর্ষণ মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। গাইবান্ধার নারী ও শিশু দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. আব্দুর রহমান মঙ্গলবার এ রায় দেন। এ সময় পাঁচ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলো-গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গোসাইপুর গ্রামের মমতাজ উদ্দিনের ছেলে বেলাল হোসেন, একই গ্রামের বদিউজ্জামান মিয়ার ছেলে এমদাদুল হক ও পাশের শ্যামপুর পার্বর্তীপুরের দুদু মিয়ার ছেলে খাজা মিয়া।

এ ছাড়া দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তারা হলো-একই উপজেলার সাতগাছি হাতিয়াদহ গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে আজিজুল ইসলাম ও সুন্দাইল গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে আসাদুল ইসলাম।

২০১৮ সালের ১২ মে আসামিরা জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলার বাসিন্দা মা ও মেয়েকে ফোন করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ডেকে আনে। তারা জিনের বাদশাহ পরিচয়ে মা ও মেয়েকে গুপ্তধন পাইয়ে দেওয়ার লোভ দেখায়। এরপর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে।

বরগুনা : মাদ্রাসাছাত্রীকে গাইড বই দেওয়ার কথা বলে শিক্ষকের বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগে শিক্ষককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে অপর আসামি রাশিদা বেগমকে খালাস দিয়েছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলো-বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুড়ি ইউনিয়নের সাহেবের হাওলা গ্রামের মাওলানা ইব্রাহীম খলিলের ছেলে সাইফুল ইসলাম। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল। সাইফুল একটি দাখিল মাদ্রাসার শরীর চর্চা শিক্ষক।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন