পার্বত্য শান্তিচুক্তির দুই যুগ পূর্তি উদযাপিত
jugantor
পার্বত্য শান্তিচুক্তির দুই যুগ পূর্তি উদযাপিত

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নানা আয়োজনে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির দুই যুগ পূর্তি উদযাপিত হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যা জাতীয় ও রাজনৈতিক উপায়ে স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সরকার পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সঙ্গে পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে।

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বৃহস্পতিবার শান্তিচুক্তির ২৪ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। সেখানে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেছেন, ১৯৯৭ সালের পার্বত্য শান্তিচুক্তির আগে এবং আজকের পার্বত্যাঞ্চলের পরিবেশ-পরিস্থিতির আকাশ-পাতাল তফাত। তিনি বলেন, সংঘর্ষ, সংঘাত বাদ দিয়ে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। হাতে হাত মিলিয়ে সুন্দর পরিবেশ তৈরির যে আস্থা তৈরি করেছিলাম, সেটি আরও দৃঢ়ভাবে টিকিয়ে রাখতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই।

এদিকে রাজধানীর আগারগাঁও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনাসভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান ও জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম আজ বড় ধরনের কারাগারে পরিণত হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী আরও বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষার হার আগের তুলনায় বেড়েছে। বর্তমানে সেখানে শিক্ষার হার প্রায় ৫০ শতাংশ।

বীর বাহাদুর বলেন, আগে শিক্ষার হার অনেক কম ছিল। প্রায় উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ করা হয়েছে। এ ধরনের অনেক প্রতিষ্ঠান করা হয়েছে। আগের সরকারগুলো শিক্ষার হারে গুরুত্ব দেয়নি। কিন্তু শেখ হাসিনা গুরুত্ব দিয়েছেন। এখন শিক্ষার হার ৫০ শতাংশের কাছাকাছি। উচ্চশিক্ষার জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ করা হয়েছে, মেডিকেল কলেজও করা হয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষার হার বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলায় গুরুত্ব দিচ্ছেন। আমাদের গ্রামগুলো অনেক দূরে পাহাড়ে পাহাড়ে। আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলে তাদের কষ্ট কম হবে, এতে শিক্ষার হারও বাড়বে।

পার্বত্য চট্টগ্রামকে কারাগারে পরিণত করা হয়েছে-সন্তু লারমার এমন মন্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, তিনি তার দৃষ্টিকোণ থেকে বলতেই পারেন। সারা বিশ্বে এমন কোন জায়গা আছে যেখানে সমস্যা নেই? সেখানে কোনো কারণে যদি কোনো ঘটনা ঘটেই যায়, সরকার তাৎক্ষণিকভাবে সেটি চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে সে এলাকার সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টির জন্য তৎপর থাকে। কোনো ঘটনা ঘটলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে সরকার তৎপর। মন্ত্রী বলেন, পার্বত্যাঞ্চল দেশের জন্য বোঝা হবে না। পার্বত্যাঞ্চল হবে দেশের জন্য সবচেয়ে বড় সম্পদশালী। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

রাঙামাটি : পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি ও বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনাসভায় সন্তু লারমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে আজ দুটি পক্ষ। একটি পক্ষ যারা পাহাড়ের নিরীহ মানুষ, যারা চুক্তির বাস্তবায়ন চায়। আরেকটি পক্ষ সরকার এবং তার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন পক্ষ। এ বিষয়ে বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের ধনঞ্জয় চাকমা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সকালে অনুষ্ঠিত সভার সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং। শুরুতে সংহতি বক্তব্য দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্রপরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নিপন ত্রিপুরা।

খাগড়াছড়ি : সকালে র‌্যালি বের করে খাগড়াছড়ি রিজিয়ন ও জেলা পরিষদ। শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে র‌্যালিটি জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে শেষ হয়। পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন অতিথিরা। শান্তি চুক্তি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা।

বান্দরবান : বান্দরবানে বৃহস্পতিবার সকালে পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে জেলা প্রশাসন চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা। শোভাযাত্রায় পাহাড়ের ১১টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারী পুরষের নিজ নিজ জাতিসত্তার পোশাক, অলংকার পরে এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে স্থানীয় রাজারমাঠে আয়োজিত আলোচনাসভায় বান্দরবান ৬৯ সেনা রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জিয়াউল হক, সদর জোন কমান্ডার লে. কর্সেল আকতার উজ সামাদ রাফি প্রমুখ বক্তব্য দেন। অপরদিকে চুক্তির পূর্তিতে স্থানীয় রাজারমাঠে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প ও সহস্রাধিক গরিব অসহায় মানুষকে শীতবস্ত্র দেওয়া হয়।

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) : বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আনন্দ র‌্যালি ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দলীয় কার্যালয়ের সামনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শহিদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। পরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈর সভাপতিত্বে দিবসের তাৎপর্য তুলে আলোচনাসভায় বক্তব্য দেন উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মো. লিটন সেরনিয়াবাত প্রমুখ।

গৌরনদী (বরিশাল) : বরিশালের গৌরনদী উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। র‌্যালি শেষে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এইচএম জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মো. হারিছুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী, জেলা পরিষদের সদস্য রাজু আহম্মেদ হারুন প্রমুখ।

উজিরপুর (বরিশাল) : উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আনন্দ র‌্যালি, আলোচনাসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। দলীয় কার্যালয়ের সামনে বৃহস্পতিবার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম জামাল হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আ. মজিদ সিকদার বাচ্চু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মো. গিয়াস উদ্দিন বেপারী প্রমুখ।

পার্বত্য শান্তিচুক্তির দুই যুগ পূর্তি উদযাপিত

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নানা আয়োজনে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির দুই যুগ পূর্তি উদযাপিত হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যা জাতীয় ও রাজনৈতিক উপায়ে স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সরকার পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সঙ্গে পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে।

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বৃহস্পতিবার শান্তিচুক্তির ২৪ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। সেখানে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেছেন, ১৯৯৭ সালের পার্বত্য শান্তিচুক্তির আগে এবং আজকের পার্বত্যাঞ্চলের পরিবেশ-পরিস্থিতির আকাশ-পাতাল তফাত। তিনি বলেন, সংঘর্ষ, সংঘাত বাদ দিয়ে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। হাতে হাত মিলিয়ে সুন্দর পরিবেশ তৈরির যে আস্থা তৈরি করেছিলাম, সেটি আরও দৃঢ়ভাবে টিকিয়ে রাখতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই।

এদিকে রাজধানীর আগারগাঁও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনাসভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান ও জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম আজ বড় ধরনের কারাগারে পরিণত হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী আরও বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষার হার আগের তুলনায় বেড়েছে। বর্তমানে সেখানে শিক্ষার হার প্রায় ৫০ শতাংশ।

বীর বাহাদুর বলেন, আগে শিক্ষার হার অনেক কম ছিল। প্রায় উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ করা হয়েছে। এ ধরনের অনেক প্রতিষ্ঠান করা হয়েছে। আগের সরকারগুলো শিক্ষার হারে গুরুত্ব দেয়নি। কিন্তু শেখ হাসিনা গুরুত্ব দিয়েছেন। এখন শিক্ষার হার ৫০ শতাংশের কাছাকাছি। উচ্চশিক্ষার জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ করা হয়েছে, মেডিকেল কলেজও করা হয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষার হার বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলায় গুরুত্ব দিচ্ছেন। আমাদের গ্রামগুলো অনেক দূরে পাহাড়ে পাহাড়ে। আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলে তাদের কষ্ট কম হবে, এতে শিক্ষার হারও বাড়বে।

পার্বত্য চট্টগ্রামকে কারাগারে পরিণত করা হয়েছে-সন্তু লারমার এমন মন্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, তিনি তার দৃষ্টিকোণ থেকে বলতেই পারেন। সারা বিশ্বে এমন কোন জায়গা আছে যেখানে সমস্যা নেই? সেখানে কোনো কারণে যদি কোনো ঘটনা ঘটেই যায়, সরকার তাৎক্ষণিকভাবে সেটি চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে সে এলাকার সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টির জন্য তৎপর থাকে। কোনো ঘটনা ঘটলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে সরকার তৎপর। মন্ত্রী বলেন, পার্বত্যাঞ্চল দেশের জন্য বোঝা হবে না। পার্বত্যাঞ্চল হবে দেশের জন্য সবচেয়ে বড় সম্পদশালী। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

রাঙামাটি : পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি ও বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনাসভায় সন্তু লারমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে আজ দুটি পক্ষ। একটি পক্ষ যারা পাহাড়ের নিরীহ মানুষ, যারা চুক্তির বাস্তবায়ন চায়। আরেকটি পক্ষ সরকার এবং তার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন পক্ষ। এ বিষয়ে বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের ধনঞ্জয় চাকমা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সকালে অনুষ্ঠিত সভার সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং। শুরুতে সংহতি বক্তব্য দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্রপরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নিপন ত্রিপুরা।

খাগড়াছড়ি : সকালে র‌্যালি বের করে খাগড়াছড়ি রিজিয়ন ও জেলা পরিষদ। শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে র‌্যালিটি জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে শেষ হয়। পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন অতিথিরা। শান্তি চুক্তি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা।

বান্দরবান : বান্দরবানে বৃহস্পতিবার সকালে পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে জেলা প্রশাসন চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা। শোভাযাত্রায় পাহাড়ের ১১টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারী পুরষের নিজ নিজ জাতিসত্তার পোশাক, অলংকার পরে এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে স্থানীয় রাজারমাঠে আয়োজিত আলোচনাসভায় বান্দরবান ৬৯ সেনা রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জিয়াউল হক, সদর জোন কমান্ডার লে. কর্সেল আকতার উজ সামাদ রাফি প্রমুখ বক্তব্য দেন। অপরদিকে চুক্তির পূর্তিতে স্থানীয় রাজারমাঠে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প ও সহস্রাধিক গরিব অসহায় মানুষকে শীতবস্ত্র দেওয়া হয়।

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) : বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আনন্দ র‌্যালি ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দলীয় কার্যালয়ের সামনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শহিদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। পরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈর সভাপতিত্বে দিবসের তাৎপর্য তুলে আলোচনাসভায় বক্তব্য দেন উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মো. লিটন সেরনিয়াবাত প্রমুখ।

গৌরনদী (বরিশাল) : বরিশালের গৌরনদী উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। র‌্যালি শেষে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এইচএম জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মো. হারিছুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী, জেলা পরিষদের সদস্য রাজু আহম্মেদ হারুন প্রমুখ।

উজিরপুর (বরিশাল) : উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আনন্দ র‌্যালি, আলোচনাসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। দলীয় কার্যালয়ের সামনে বৃহস্পতিবার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম জামাল হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আ. মজিদ সিকদার বাচ্চু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মো. গিয়াস উদ্দিন বেপারী প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন