মায়ের কবর জিয়ারত হলো না প্রকৌশলীর
jugantor
বাঁওড় সাঁতরে ভারতে যাওয়ার পথে মৃত্যু
মায়ের কবর জিয়ারত হলো না প্রকৌশলীর

  যশোর ব্যুরো  

০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যশোরের চৌগাছার সীমান্তপথে সাঁতরে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার পথে পানিতে ডুবে মারা গেছেন রফিকুল ইসলাম জনি (৫৫) নামে এক প্রকৌশলী। মায়ের কবর জিয়ারত করতে তিনি সে দেশে যাচ্ছিলেন। তার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় অবৈধভাবে সেখানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ভারতের বয়রায় তার নানা বাড়ি। সেখানেই তার মায়ের কবর। তিনি ঢাকার বড় মগবাজারের বাসিন্দা ছিলেন।

উপজেলার মাশিলা সীমান্তের গদাধরপুর বাঁওড়ে ভাসমান অবস্থায় শুক্রবার ভোরে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ভারতে তার খালাতো ভাই মোহনের সাথে কথা বলে ও ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করে লাশটি চৌগাছা থানায় নেওয়া হয়।

বোনের ছেলে মাশরেকুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন আগে মামা রফিকুল যশোরে আমার বাসায় এসে জানান, ভারতে তার মায়ের কবর জিয়ারত করতে যেতে চান। এরই মধ্যে তিনি বুধবার যশোর থেকে ঝিকরগাছায় তার ভাতিজির বাড়িতে যান। সেখান থেকে ভারতে খালাতো ভাই মোহনের সঙ্গে যোগাযোগ করে চৌগাছার সীমান্ত পার হয়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

বাঁওড়ের নৈশপ্রহরী শাহিন ও নওফেল বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে নৌকায় পাহারা দেওয়ার সময় দেখতে পান গদাধরপুর মসজিদ ঘাটের পাশে একটি মানুষের দেহ পড়ে আছে। তা দেখে তারা মাশিলা বিজিবি ক্যাম্পে খবর দেন। পরে বিজিবি সদস্যরা বিষয়টি থানা পুলিশকে জানান।

চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সবুজ বলেন, বিজিবি সদস্যদের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। অনুসন্ধানে জানা যায়, তিনি পাসপোর্ট ছাড়া অবৈধভাবে দালালের মাধ্যমে বাঁওড় পার হয়ে ভারতে যাওয়ার পথে পানিতে ডুবে মারা যান। পরে দালালরা লাশটি ঘটনাস্থলে রেখে যায়। ভারতে তার খালাতো ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। শুক্রবার সকালে পরিবারের সদস্যরা থানায় এসে লাশটি শনাক্ত করেন।

বাঁওড় সাঁতরে ভারতে যাওয়ার পথে মৃত্যু

মায়ের কবর জিয়ারত হলো না প্রকৌশলীর

 যশোর ব্যুরো 
০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যশোরের চৌগাছার সীমান্তপথে সাঁতরে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার পথে পানিতে ডুবে মারা গেছেন রফিকুল ইসলাম জনি (৫৫) নামে এক প্রকৌশলী। মায়ের কবর জিয়ারত করতে তিনি সে দেশে যাচ্ছিলেন। তার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় অবৈধভাবে সেখানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ভারতের বয়রায় তার নানা বাড়ি। সেখানেই তার মায়ের কবর। তিনি ঢাকার বড় মগবাজারের বাসিন্দা ছিলেন।

উপজেলার মাশিলা সীমান্তের গদাধরপুর বাঁওড়ে ভাসমান অবস্থায় শুক্রবার ভোরে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ভারতে তার খালাতো ভাই মোহনের সাথে কথা বলে ও ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করে লাশটি চৌগাছা থানায় নেওয়া হয়।

বোনের ছেলে মাশরেকুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন আগে মামা রফিকুল যশোরে আমার বাসায় এসে জানান, ভারতে তার মায়ের কবর জিয়ারত করতে যেতে চান। এরই মধ্যে তিনি বুধবার যশোর থেকে ঝিকরগাছায় তার ভাতিজির বাড়িতে যান। সেখান থেকে ভারতে খালাতো ভাই মোহনের সঙ্গে যোগাযোগ করে চৌগাছার সীমান্ত পার হয়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

বাঁওড়ের নৈশপ্রহরী শাহিন ও নওফেল বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে নৌকায় পাহারা দেওয়ার সময় দেখতে পান গদাধরপুর মসজিদ ঘাটের পাশে একটি মানুষের দেহ পড়ে আছে। তা দেখে তারা মাশিলা বিজিবি ক্যাম্পে খবর দেন। পরে বিজিবি সদস্যরা বিষয়টি থানা পুলিশকে জানান।

চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সবুজ বলেন, বিজিবি সদস্যদের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। অনুসন্ধানে জানা যায়, তিনি পাসপোর্ট ছাড়া অবৈধভাবে দালালের মাধ্যমে বাঁওড় পার হয়ে ভারতে যাওয়ার পথে পানিতে ডুবে মারা যান। পরে দালালরা লাশটি ঘটনাস্থলে রেখে যায়। ভারতে তার খালাতো ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। শুক্রবার সকালে পরিবারের সদস্যরা থানায় এসে লাশটি শনাক্ত করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন