নাটোরে ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ
jugantor
নাটোরে ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ
জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে উচ্চ মাধ্যমিকে অংশগ্রহণ

  নাটোর প্রতিনিধি  

০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নাটোরে ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ

নাটোর জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে ১০ মিনিট আগে প্রবেশপত্র নিয়ে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসক।

এবারের উচ্চ মাধ্যমিক কারিগরি (বিএম) শাখার পরীক্ষায় কলেজের পাওনা পরিশোধ করতে না পারায় প্রবেশপত্র পায়নি এক ছাত্র। নাটোর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আখতার হোসেনকে এ ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শনিবার নাটোর জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ জানান, বিষয়টি গুরুত্বসহ তদন্ত করার জন্য নাটোর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আখতার হোসেনকে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। অপর দিকে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আখতার হোসেন যুগান্তরের এই প্রতিবেদককে জানান, ঘটনার দিন বৃহস্পতিবারই জেলা প্রশাসক মোবাইল ফোনে তাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় তদন্তের অফিশিয়াল কোনো আদেশ তিনি হাতে পাননি। তবে রোববার চিঠি হাতে পাবেন এবং সেদিনই তিনি তদন্ত শুরু করে যত দ্রুত সম্ভব প্রতিবেদন দেবেন।

নাটোর সদরের চন্দ্রকোলা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী একই এলাকার বাঙ্গাবাড়ি গ্রামের মৃত সামসুদ্দিন মন্ডলের ছেলে জরিপ আলী টাকার অভাবে প্রবেশপত্র তুলতে না পেরে বৃহস্পতিবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিন অনুপস্থিত থাকে। পরীক্ষার শেষ সময়ে নাটোরের জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক কেন্দ্র সচিব নাটোর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ রেজাউল করিমের মাধ্যমে ওই পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে এনে পরীক্ষার ব্যবস্থা করেন। একই সময়ে তিনি কেন্দ্রে এসে কলেজের সেশন ফিসহ পরীক্ষার ফি বাবদ দুই হাজার একশত টাকাও পরিশোধ করেন।

জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, জরিপ আলীর বাবা নেই, মা মানসিক রোগী। টাকার অভাবে সময় মতো পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারার খবর শুনে তাৎক্ষণিক তিনি তার পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছেন। কেন্দ্রে গিয়ে ব্যক্তিগতভাবে তার কলেজের পাওনাদি পরিশোধ করেছেন। কিছুটা দেরিতে হলেও এমন দরিদ্র পরিবারের সন্তানের একটি বছর নষ্ট হোক, তিনি কোনোভাবেই তা হতে দিতে চাননি। কেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। একই দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কলেজের অধ্যক্ষ মৌসুমি পারভিন সাংবাদিকদের জানান, প্রবেশপত্র না পাওয়ার বিষয়টি তাকে না জানানোয় তিনি জরিপ আলীকে সহযোগিতা করার কোনো সুযোগ পাননি। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবারের যুগান্তরের অনলাইনে এবং শুক্রবারের পত্রিকায় সচিত্র সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর দুটি বেসরকারি শীর্ষ স্থানীয় টেলিভিশনে সচিত্র সংবাদ প্রচার হয়েছে।

নাটোরে ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ

জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে উচ্চ মাধ্যমিকে অংশগ্রহণ
 নাটোর প্রতিনিধি 
০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
নাটোরে ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ
ফাইল ছবি

নাটোর জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে ১০ মিনিট আগে প্রবেশপত্র নিয়ে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসক।

এবারের উচ্চ মাধ্যমিক কারিগরি (বিএম) শাখার পরীক্ষায় কলেজের পাওনা পরিশোধ করতে না পারায় প্রবেশপত্র পায়নি এক ছাত্র। নাটোর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আখতার হোসেনকে এ ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শনিবার নাটোর জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ জানান, বিষয়টি গুরুত্বসহ তদন্ত করার জন্য নাটোর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আখতার হোসেনকে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। অপর দিকে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আখতার হোসেন যুগান্তরের এই প্রতিবেদককে জানান, ঘটনার দিন বৃহস্পতিবারই জেলা প্রশাসক মোবাইল ফোনে তাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় তদন্তের অফিশিয়াল কোনো আদেশ তিনি হাতে পাননি। তবে রোববার চিঠি হাতে পাবেন এবং সেদিনই তিনি তদন্ত শুরু করে যত দ্রুত সম্ভব প্রতিবেদন দেবেন।

নাটোর সদরের চন্দ্রকোলা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী একই এলাকার বাঙ্গাবাড়ি গ্রামের মৃত সামসুদ্দিন মন্ডলের ছেলে জরিপ আলী টাকার অভাবে প্রবেশপত্র তুলতে না পেরে বৃহস্পতিবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিন অনুপস্থিত থাকে। পরীক্ষার শেষ সময়ে নাটোরের জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক কেন্দ্র সচিব নাটোর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ রেজাউল করিমের মাধ্যমে ওই পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে এনে পরীক্ষার ব্যবস্থা করেন। একই সময়ে তিনি কেন্দ্রে এসে কলেজের সেশন ফিসহ পরীক্ষার ফি বাবদ দুই হাজার একশত টাকাও পরিশোধ করেন।

জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, জরিপ আলীর বাবা নেই, মা মানসিক রোগী। টাকার অভাবে সময় মতো পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারার খবর শুনে তাৎক্ষণিক তিনি তার পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছেন। কেন্দ্রে গিয়ে ব্যক্তিগতভাবে তার কলেজের পাওনাদি পরিশোধ করেছেন। কিছুটা দেরিতে হলেও এমন দরিদ্র পরিবারের সন্তানের একটি বছর নষ্ট হোক, তিনি কোনোভাবেই তা হতে দিতে চাননি। কেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। একই দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কলেজের অধ্যক্ষ মৌসুমি পারভিন সাংবাদিকদের জানান, প্রবেশপত্র না পাওয়ার বিষয়টি তাকে না জানানোয় তিনি জরিপ আলীকে সহযোগিতা করার কোনো সুযোগ পাননি। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবারের যুগান্তরের অনলাইনে এবং শুক্রবারের পত্রিকায় সচিত্র সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর দুটি বেসরকারি শীর্ষ স্থানীয় টেলিভিশনে সচিত্র সংবাদ প্রচার হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন