নাব্য সংকট কেটে গেলে নিয়মিত ফেরি চলাচল
jugantor
মঙ্গলমাঝি-শিমুলিয়া
নাব্য সংকট কেটে গেলে নিয়মিত ফেরি চলাচল

  শরীয়তপুর প্রতিনিধি  

০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নাব্য সংকট কেটে গেলে নিয়মিত ফেরি চলাচল

পন্টুন স্থাপন করার সাড়ে ৩ মাস পর শরীয়তপুরের জাজিরায় মঙ্গলমাঝি ও মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া নৌরুটে শনিবার পরীক্ষামূলকভাবে ফেরি সার্ভিস চালু করা হয়েছে। এরপর ফেরি চলাচলের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করলেও নদীতে নাব্য সংকটের কারণে এ রুটে ফেরি চলাচল সম্ভব হয়নি। পরীক্ষামূলক ফেরি চলাচল শুরু করায় দক্ষিণ পশ্চিাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে। যদিও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) পরিচালক (বাণিজ্য) মো. আশিকুজ্জামান বলছেন, এখনো পদ্মা নদীর চারটি পয়েন্টে নাব্য সংকট রয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নাব্য সংকট কেটে গেলে নিয়মিত ফেরি চলবে এ নৌরুটে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিসি) ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ২১ আগস্ট শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার মঙ্গলমাঝির ঘাটে নতুন করে ফেরিঘাট নির্মাণ করা হয়। নদীর নাব্য সংকটের কারণে আর চালু করা সম্ভব হয়নি। প্রায় সাড়ে তিন মাস পর শনিবার দুপুরে মঙ্গলমাঝি ও শিমুলিয়া নৌরুটে পরীক্ষামূলকভাবে ফেরি চালু করা হয়েছে। ছোট আকারের ফেরি কুঞ্জলতা পরীক্ষামূলকভাবে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া থেকে ছেড়ে আসে। দুপুর ২টার দিকে ২১টি ছোট গাড়ি ও ২৪টি মোটরসাইকেলসহ হালকা জানবাহন নিয়ে ফেরিটি শরীয়তপুরের জাজিরার সাত্তার মাদবর মঙ্গলমাঝি ঘাটে এসে পৌঁছায়। এ নৌপথ দিয়ে ছোট আকারের ফেরিতে শুধু অ্যাম্বুলেন্স, লাশবাহী গাড়ি ও সরকারি কাজে ব্যবহৃত গাড়ি পারাপার করা হবে।

জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান বলেন, ফেরি চলাচলের জন্য যে পরিমাণ ড্রেজিং করার কথা ছিল তারা তা করতে পারেনি। ফলে ফেরিটি একাধিক বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি এখানে ফেরি আশার পর গাড়ি ওঠার অপ্রশস্ত রাস্তা ও পার্কিংয়ের উপযুক্ত জায়গা নেই। যার কারণে অহরহ ঘটবে দুর্ঘটনা। এ নিয়ে আমরা প্রশাসনের লোকজন উদ্বিগ্ন।

পদ্মা সেতুর পিলারে ফেরি ধাক্কা লাগার কারণে ১৮ আগস্ট থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথ বন্ধ থাকায় এ পথের যাত্রীরা পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরিঘাট ব্যবহার করছেন। বাড়তি চাপে সেখানে তৈরি হচ্ছে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। ২৩ জুলাই নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুর ১৭ নম্বর পিলারের সঙ্গে শাহজালাল নামের একটি রো রো ফেরির ধাক্কা লাগে। এতে ফেরিটির অন্তত ২০ যাত্রী আহত হন। এরপর ৯ আগস্ট বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নামের আরেকটি রো রো ফেরি ১০ নম্বর পিলারে ধাক্কা দেয়। ১৩ আগস্ট কাকলি নামের একটি ফেরি পুনরায় একই পিলারে ধাক্কা দেয়। তীব্র স্রোতের কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলমাঝি-শিমুলিয়া

নাব্য সংকট কেটে গেলে নিয়মিত ফেরি চলাচল

 শরীয়তপুর প্রতিনিধি 
০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
নাব্য সংকট কেটে গেলে নিয়মিত ফেরি চলাচল
ফাইল ছবি

পন্টুন স্থাপন করার সাড়ে ৩ মাস পর শরীয়তপুরের জাজিরায় মঙ্গলমাঝি ও মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া নৌরুটে শনিবার পরীক্ষামূলকভাবে ফেরি সার্ভিস চালু করা হয়েছে। এরপর ফেরি চলাচলের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করলেও নদীতে নাব্য সংকটের কারণে এ রুটে ফেরি চলাচল সম্ভব হয়নি। পরীক্ষামূলক ফেরি চলাচল শুরু করায় দক্ষিণ পশ্চিাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে। যদিও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) পরিচালক (বাণিজ্য) মো. আশিকুজ্জামান বলছেন, এখনো পদ্মা নদীর চারটি পয়েন্টে নাব্য সংকট রয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নাব্য সংকট কেটে গেলে নিয়মিত ফেরি চলবে এ নৌরুটে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিসি) ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ২১ আগস্ট শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার মঙ্গলমাঝির ঘাটে নতুন করে ফেরিঘাট নির্মাণ করা হয়। নদীর নাব্য সংকটের কারণে আর চালু করা সম্ভব হয়নি। প্রায় সাড়ে তিন মাস পর শনিবার দুপুরে মঙ্গলমাঝি ও শিমুলিয়া নৌরুটে পরীক্ষামূলকভাবে ফেরি চালু করা হয়েছে। ছোট আকারের ফেরি কুঞ্জলতা পরীক্ষামূলকভাবে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া থেকে ছেড়ে আসে। দুপুর ২টার দিকে ২১টি ছোট গাড়ি ও ২৪টি মোটরসাইকেলসহ হালকা জানবাহন নিয়ে ফেরিটি শরীয়তপুরের জাজিরার সাত্তার মাদবর মঙ্গলমাঝি ঘাটে এসে পৌঁছায়। এ নৌপথ দিয়ে ছোট আকারের ফেরিতে শুধু অ্যাম্বুলেন্স, লাশবাহী গাড়ি ও সরকারি কাজে ব্যবহৃত গাড়ি পারাপার করা হবে।

জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান বলেন, ফেরি চলাচলের জন্য যে পরিমাণ ড্রেজিং করার কথা ছিল তারা তা করতে পারেনি। ফলে ফেরিটি একাধিক বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি এখানে ফেরি আশার পর গাড়ি ওঠার অপ্রশস্ত রাস্তা ও পার্কিংয়ের উপযুক্ত জায়গা নেই। যার কারণে অহরহ ঘটবে দুর্ঘটনা। এ নিয়ে আমরা প্রশাসনের লোকজন উদ্বিগ্ন।

পদ্মা সেতুর পিলারে ফেরি ধাক্কা লাগার কারণে ১৮ আগস্ট থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথ বন্ধ থাকায় এ পথের যাত্রীরা পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরিঘাট ব্যবহার করছেন। বাড়তি চাপে সেখানে তৈরি হচ্ছে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। ২৩ জুলাই নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুর ১৭ নম্বর পিলারের সঙ্গে শাহজালাল নামের একটি রো রো ফেরির ধাক্কা লাগে। এতে ফেরিটির অন্তত ২০ যাত্রী আহত হন। এরপর ৯ আগস্ট বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নামের আরেকটি রো রো ফেরি ১০ নম্বর পিলারে ধাক্কা দেয়। ১৩ আগস্ট কাকলি নামের একটি ফেরি পুনরায় একই পিলারে ধাক্কা দেয়। তীব্র স্রোতের কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন