রাউজানে আসতে শুরু করেছে অতিথি পাখি
jugantor
রাউজানে আসতে শুরু করেছে অতিথি পাখি

  তৈয়ব চৌধুরী, রাউজান (চট্টগ্রাম)  

০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শীতপ্রধান বিভিন্ন দেশ থেকে চট্টগ্রামের রাউজানে আসতে শুরু করেছে অতিথি পাখিরা। শীতের আমেজ যতই বাড়ছে ততই বেড়ে চলেছে পাখির আগমন। প্রতিবছর শীতে হাজার হাজার অতিথি পাখির অভয়ারণ্য হয়ে ওঠে এ উপজেলার ঐতিহাসিক কদলপুর ও পাহাড়তলীসহ প্রতিটি জনপদ। বিশেষ করে কদলপুর গ্রামের লস্কর উজির দিঘিতে বসে পাখির মেলা। সকালে সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে এখানে দলে দলে আসতে শুরু করে অতিথি পাখিরা। মনের আনন্দে সারা দিন খেলা করে দিঘির পানিতে। কিচির-মিচির ডাকে মুখর হয় চার পাশ। সূর্য ডোবার পর পরই দিঘি থেকে চলে গিয়ে গ্রামের গাছপালায় রাত কাটায়। সকালে আবারও দলবেঁধে চলে আসে এখানে।

শীতপ্রধান দেশগুলোতে এ সময় প্রচণ্ড শীতে তুষারপাত হয়। ফলে খাদ্য সংকটে পড়ে পাখিরা। খাদ্যের সন্ধানে এসব পাখি বাংলাদেশে চলে আসে।

সরেজমিন দেখা গেছে, অপরূপ সৌন্দর্যের কদলপুর লস্কর উজির দিঘিতে হাজারও পাখির ভিড়। ৬০ একর আয়তনের এ বিশাল দিঘির পাড়ে রয়েছে অসংখ্য সবুজ গাছ। পূর্ব পারে রয়েছে সুন্দর একটি মসজিদ। এখানে শুধু দিঘিতেই নয় মাঝেমধ্যে আকাশের বুকেও ঝাঁকে ঝাঁকে উড়তে থাকে পাখির দল।

চুয়েট বার্ড ক্লাবের পরিচালক ও উপপরিচালক (জনসংযোগ) ফজলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে আসা এসব অতিথি পাখির আমাদের দায়িত্ব আছে। নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। এর মাধ্যমে আমরা অতিথি পাখিবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে পারব। বাংলাদেশকে নিরাপদ গন্তব্য হিসাবে ধরে নিয়ে সৌন্দর্যের পসরা বসাতে আসবে পাখিরা।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তসলিম উদ্দিন চৌধুরী জানান, এসব পাখি আমাদের মনে আনন্দ দেয়। এরকম পাখি আর কোথাও দেখা যায় না। এরা এখানে অনেক নিরাপদে আছে। বিশেষ করে এ দিঘিতে পাখির একটি অন্যতম নিরাপদ আবাসস্থল হিসাবে গড়ে উঠেছে। এখানে পাখি দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসেন শত শত মানুষ।

রাউজানে আসতে শুরু করেছে অতিথি পাখি

 তৈয়ব চৌধুরী, রাউজান (চট্টগ্রাম) 
০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শীতপ্রধান বিভিন্ন দেশ থেকে চট্টগ্রামের রাউজানে আসতে শুরু করেছে অতিথি পাখিরা। শীতের আমেজ যতই বাড়ছে ততই বেড়ে চলেছে পাখির আগমন। প্রতিবছর শীতে হাজার হাজার অতিথি পাখির অভয়ারণ্য হয়ে ওঠে এ উপজেলার ঐতিহাসিক কদলপুর ও পাহাড়তলীসহ প্রতিটি জনপদ। বিশেষ করে কদলপুর গ্রামের লস্কর উজির দিঘিতে বসে পাখির মেলা। সকালে সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে এখানে দলে দলে আসতে শুরু করে অতিথি পাখিরা। মনের আনন্দে সারা দিন খেলা করে দিঘির পানিতে। কিচির-মিচির ডাকে মুখর হয় চার পাশ। সূর্য ডোবার পর পরই দিঘি থেকে চলে গিয়ে গ্রামের গাছপালায় রাত কাটায়। সকালে আবারও দলবেঁধে চলে আসে এখানে।

শীতপ্রধান দেশগুলোতে এ সময় প্রচণ্ড শীতে তুষারপাত হয়। ফলে খাদ্য সংকটে পড়ে পাখিরা। খাদ্যের সন্ধানে এসব পাখি বাংলাদেশে চলে আসে।

সরেজমিন দেখা গেছে, অপরূপ সৌন্দর্যের কদলপুর লস্কর উজির দিঘিতে হাজারও পাখির ভিড়। ৬০ একর আয়তনের এ বিশাল দিঘির পাড়ে রয়েছে অসংখ্য সবুজ গাছ। পূর্ব পারে রয়েছে সুন্দর একটি মসজিদ। এখানে শুধু দিঘিতেই নয় মাঝেমধ্যে আকাশের বুকেও ঝাঁকে ঝাঁকে উড়তে থাকে পাখির দল।

চুয়েট বার্ড ক্লাবের পরিচালক ও উপপরিচালক (জনসংযোগ) ফজলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে আসা এসব অতিথি পাখির আমাদের দায়িত্ব আছে। নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। এর মাধ্যমে আমরা অতিথি পাখিবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে পারব। বাংলাদেশকে নিরাপদ গন্তব্য হিসাবে ধরে নিয়ে সৌন্দর্যের পসরা বসাতে আসবে পাখিরা।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তসলিম উদ্দিন চৌধুরী জানান, এসব পাখি আমাদের মনে আনন্দ দেয়। এরকম পাখি আর কোথাও দেখা যায় না। এরা এখানে অনেক নিরাপদে আছে। বিশেষ করে এ দিঘিতে পাখির একটি অন্যতম নিরাপদ আবাসস্থল হিসাবে গড়ে উঠেছে। এখানে পাখি দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসেন শত শত মানুষ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন