বাণিজ্য মেলায় শীতের কাপড়ের কদর বেড়েছে
jugantor
বাণিজ্য মেলায় শীতের কাপড়ের কদর বেড়েছে
বিশেষ ছাড় যমুনার পণ্যে

  রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৯ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাণিজ্য মেলায় শীতের কাপড়ের কদর বেড়েছে

ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় কদিন ধরে শীত পড়ছে। বেড়েছে শীতের কাপড়ের কদর। দোকানে দোকানে সাজানো কাশ্মীরি শাল, চাদর, জ্যাকেট, কার্টিগ্যান ও শিশুদের জামা-কাপড়। স্যুট, ব্লেজার ও পাজামার স্টলে ক্রেতার আনাগোনা আগের তুলনায় বেড়ে গেছে। বিশেষ ছাড় চলছে যুমনার পণ্যে, বিক্রিও বেড়েছে। মঙ্গলবার সরগরম হয়ে উঠেছিল বাণিজ্য মেলা।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি) মাসব্যাপী চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ২৬তম আসর। এতদিন সরকারি ছুটির দিনের অপেক্ষায় থাকতে হলেও মেলার মাঝামাঝি সময় থেকে লোক সমাগম বেড়েছে। অন্যসব পণ্যের চেয়ে এখন শীতের কাপড়ের প্রতি ক্রেতার আগ্রহ বেশি বলে দাবি করেছেন মেলা সংশ্লিষ্টরা। আর বিভিন্ন পণ্যে আকর্ষণীয় ছাড় পেয়ে জমে উঠেছে মেলা।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, সড়ক ও মহাসড়কে চলাচলরত পরিবহণে অতিরিক্ত যাত্রী, ভাড়া আদায় করছে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ। ভুলতার পাঁচাইখা থেকে মেলায় ঘুরতে আসা আব্দুর রহিম বলেন, মেলায় পর্যাপ্ত গরমের কাপড়ের স্টল রয়েছে। তবে দেশীয় কাপড়ে দাম কিছুটা কম হলেও কাশ্মীর, তুর্কিস্থানের কাপড়ের দাম সাধারণের হাতের নাগালের বাইরে। কাঞ্চন পৌরসভার কেন্দুয়া এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম প্রধান বলেন, এবার প্রথমবার মেলা থেকে শীতের কাপড় কিনলাম। তবে দাম একটু বেশি। তিনি আরও বলেন, সড়কে চলাচলরত সব ধরনের যানবাহন ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া আদায় করছে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ। ফলে মেলায় যাতায়াতে স্থানীয়দের অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে। পশ্বি এলাকার বাসিন্দা আরমান মোল্লা বলেন, মেলায় বেশ কিছু বিদেশি শীতের কাপড়ের স্টল দেখলাম। কাশ্মীরি শাল, চাদর, জ্যাকেট, কার্টিগ্যান ও শিশুদের জামা-কাপড় ব্যতিক্রম। অনেকের মতো আমিও একাধিক বস্ত্র কিনেছি। মেলা ঘুরে আরও দেখা যায়, প্রবেশপথের পূর্বপাশে রয়েছে স্যুট, ব্লেজার ও পাজামার স্টল। শীতে পুরুষদের ব্লেজার ব্যবহার বেড়ে যায়। একদরেই ব্লেজার কিনছেন ক্রেতারা। মেলার উত্তর পাশে থাকা একাধিক স্টলে শোভা পাচ্ছে দেশীয় শীতের কাপড়। শিমুলিয়ার বাসিন্দা হোসেন শরীফ বলেন, তারা ভির ঠেলে কেনাকাটা করছেন। বলদীর বাসিন্দা আসাদুজ্জামান রিফাত বলেন, এবারই প্রথম গ্রামের লোকজন বাণিজ্য মেলার সুবিধা পাচ্ছেন। তারা তাদের পছন্দের তালিকায় রেখেছেন শীতের কাপড়।

মেলায় কাশ্মীরি কাপড়ের স্টল কর্মকর্তা সৈয়দা আতিয়া ভানু বলেন, শুরুতে তেমন বিক্রি হয়নি। ১০ জানুয়ারির পর থেকে কিছুটা বিক্রি বেড়েছে। অনেকেই কেনার চেয়ে দেখতে আসছেন। দাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব পণ্য কারুকাজে ভরপুর। আমাদের বেশি দামে কিনতে হয়। এ কারণে বিক্রির দাম একটু বেশি।

বাণিজ্য মেলায় শীতের কাপড়ের কদর বেড়েছে

বিশেষ ছাড় যমুনার পণ্যে
 রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৯ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
বাণিজ্য মেলায় শীতের কাপড়ের কদর বেড়েছে
ছবি: যুগান্তর

ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় কদিন ধরে শীত পড়ছে। বেড়েছে শীতের কাপড়ের কদর। দোকানে দোকানে সাজানো কাশ্মীরি শাল, চাদর, জ্যাকেট, কার্টিগ্যান ও শিশুদের জামা-কাপড়। স্যুট, ব্লেজার ও পাজামার স্টলে ক্রেতার আনাগোনা আগের তুলনায় বেড়ে গেছে। বিশেষ ছাড় চলছে যুমনার পণ্যে, বিক্রিও বেড়েছে। মঙ্গলবার সরগরম হয়ে উঠেছিল বাণিজ্য মেলা।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি) মাসব্যাপী চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ২৬তম আসর। এতদিন সরকারি ছুটির দিনের অপেক্ষায় থাকতে হলেও মেলার মাঝামাঝি সময় থেকে লোক সমাগম বেড়েছে। অন্যসব পণ্যের চেয়ে এখন শীতের কাপড়ের প্রতি ক্রেতার আগ্রহ বেশি বলে দাবি করেছেন মেলা সংশ্লিষ্টরা। আর বিভিন্ন পণ্যে আকর্ষণীয় ছাড় পেয়ে জমে উঠেছে মেলা।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, সড়ক ও মহাসড়কে চলাচলরত পরিবহণে অতিরিক্ত যাত্রী, ভাড়া আদায় করছে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ। ভুলতার পাঁচাইখা থেকে মেলায় ঘুরতে আসা আব্দুর রহিম বলেন, মেলায় পর্যাপ্ত গরমের কাপড়ের স্টল রয়েছে। তবে দেশীয় কাপড়ে দাম কিছুটা কম হলেও কাশ্মীর, তুর্কিস্থানের কাপড়ের দাম সাধারণের হাতের নাগালের বাইরে। কাঞ্চন পৌরসভার কেন্দুয়া এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম প্রধান বলেন, এবার প্রথমবার মেলা থেকে শীতের কাপড় কিনলাম। তবে দাম একটু বেশি। তিনি আরও বলেন, সড়কে চলাচলরত সব ধরনের যানবাহন ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া আদায় করছে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ। ফলে মেলায় যাতায়াতে স্থানীয়দের অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে। পশ্বি এলাকার বাসিন্দা আরমান মোল্লা বলেন, মেলায় বেশ কিছু বিদেশি শীতের কাপড়ের স্টল দেখলাম। কাশ্মীরি শাল, চাদর, জ্যাকেট, কার্টিগ্যান ও শিশুদের জামা-কাপড় ব্যতিক্রম। অনেকের মতো আমিও একাধিক বস্ত্র কিনেছি। মেলা ঘুরে আরও দেখা যায়, প্রবেশপথের পূর্বপাশে রয়েছে স্যুট, ব্লেজার ও পাজামার স্টল। শীতে পুরুষদের ব্লেজার ব্যবহার বেড়ে যায়। একদরেই ব্লেজার কিনছেন ক্রেতারা। মেলার উত্তর পাশে থাকা একাধিক স্টলে শোভা পাচ্ছে দেশীয় শীতের কাপড়। শিমুলিয়ার বাসিন্দা হোসেন শরীফ বলেন, তারা ভির ঠেলে কেনাকাটা করছেন। বলদীর বাসিন্দা আসাদুজ্জামান রিফাত বলেন, এবারই প্রথম গ্রামের লোকজন বাণিজ্য মেলার সুবিধা পাচ্ছেন। তারা তাদের পছন্দের তালিকায় রেখেছেন শীতের কাপড়।

মেলায় কাশ্মীরি কাপড়ের স্টল কর্মকর্তা সৈয়দা আতিয়া ভানু বলেন, শুরুতে তেমন বিক্রি হয়নি। ১০ জানুয়ারির পর থেকে কিছুটা বিক্রি বেড়েছে। অনেকেই কেনার চেয়ে দেখতে আসছেন। দাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব পণ্য কারুকাজে ভরপুর। আমাদের বেশি দামে কিনতে হয়। এ কারণে বিক্রির দাম একটু বেশি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন