হেঁটে বেড়াচ্ছে খাবারে রোগীর গায়ে
jugantor
রামেকে তেলাপোকার উপদ্রব
হেঁটে বেড়াচ্ছে খাবারে রোগীর গায়ে

  রাজশাহী ব্যুরো  

২০ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হেঁটে বেড়াচ্ছে খাবারে রোগীর গায়ে

সমস্যা জর্জরিত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল। এর মধ্যে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে তেলাপোকার উপদ্রব। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ছড়িয়ে পড়েছে এগুলো। তেলাপোকা নিয়েই থাকতে হচ্ছে রোগী, স্বজন ও স্বাস্থ্যকর্মীদের। ছোট-বড় মিলে তেলাপোকার দল সদর্পে রাজত্ব করছে হাসপাতালের আনাচে-কানাচে। হাসপাতালের সবখানেই প্রাচীন এ ক্ষুদ্র প্রাণীটির রাজত্ব। এদের উপদ্রবে বিরক্ত রোগী ও তাদের স্বজনরা। হাসপাতালের বেডে বেডে ঘুরছে তেলাপোকা, উঠছে রোগীর গায়ে। হেঁটে বেড়াচ্ছে খাবারে। হাসপাতাল থেকে তেলাপোকা তাড়ানো নিয়ে ব্যর্থতার সুর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কণ্ঠেও। তারা বলছেন, তেলাপোকা তাড়ানোর সব উপায় খুঁজে দেখা হয়েছে, তবুও তারা ব্যর্থ হচ্ছেন। এ নিয়ে তারা বেশ বেকায়দায়ই আছেন।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার শামীম ইয়াজদানী বলেন, সব চেষ্টা করেছি। বলতে পারেন, আমরা ব্যর্থই হয়েছি। সমস্যা লুকিয়ে তো লাভ নেই। দেখি সামনে আর কিছু করা যায় কিনা?

রোগীর স্বজনরা বলছেন, অসংখ্য তেলাপোকা ঘুরে বেড়াচ্ছে চারপাশে। গায়ে উঠে পড়ছে। বিছানায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। খাবারে হাঁটছে। বয়ে বেড়াচ্ছে রোগ-জীবাণু। ভীতিকর, হাসপাতালে তাদের এ অবাধ বিচরণ।

ওয়ার্ড ঘুরে দেখা গেছে, রোগীর বিছানার নিচের দিকে বাসা বেঁধেছে অগণিত তেলাপোকা। কোনোটি বড়, কোনোটি সদ্য ফোটা বাচ্চা। এগুলো বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সোমবার ১০ নম্বর ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা গেছে, একজন শিশু রোগীর পরিচর্যা বাদ দিয়ে তেলাপোকা তাড়াতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন স্বজনরা। এগুলো এখানকার মেঝে ও দেওয়ালে, খাবার রাখার র‌্যাকে, রোগীর খাবারের বাটি, থালাতেও হেঁটে বেড়াচ্ছে। রোগী ও তাদের স্বজনরা বলছেন, ভয়ংকর এক পরিস্থিতি এখানে। জসিম উদ্দিন নামের একজন রোগীর স্বজন বললেন, আমরা তেলাপোকার উপদ্রবে অতিষ্ঠ। সবাই খুব ভয়ের মধ্যে আছি। কোনো খাবার রাখা যাচ্ছে না কোথাও। রোগীর শরীরের ওপরেও হেঁটে বেড়াচ্ছে। পা বেয়ে শরীরে উঠে যাচ্ছে। ঢুকে যাচ্ছে লুঙ্গি বা প্যান্টের ভেতর দিয়ে। এক রোগীর স্বজন রুবিনা পারভিন জানালেন ১০নং ওয়ার্ডটি শিশু ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন বাচ্চাদের কানে বা নাকে ঢুকে যায় কিনা- এটা নিয়ে সব সময়ই ভয়ের মধ্যে থাকতে হচ্ছে। রামেকের মেডিসিন ওয়ার্ডের এক রোগীর স্বজন আলমগীর হোসেন বলেন, এমনিতেই এই হাসপাতালের সেবা নিয়ে মানুষের মুখে নানা অভিযোগ শুনি। এখানে এসে তেলাপোকার উৎপাত দেখতে পাচ্ছি। চরম বিপদ। কোনো খাবার রাখা যাচ্ছে না। অরুচিকর বিষয়। সব থেকে ভয়ের বিষয় এগুলো যে কোনো সময় নাকে-মুখে ঢুকে যেতে পারে। তখন তো আরও বড় বিপদ হতে পারে।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানালেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না রাখতে পারার কারণেই এমন অবস্থা দাঁড়িয়েছে। গত এক বছর ধরে করোনার প্রকোপ চলছে। হাসপাতালে রোগীর যে চাপ, ঘেঁষাঘেঁষি করে থাকেন রোগী বা তাদের স্বজনরা। ওয়ার্ডগুলো ঠিকভাবে পরিষ্কার করাও যায় না। এসব কারণেই এ সমস্যাটা বেশি হয়েছে। তবে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ঠিকমতো কাজ করেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে। যারা তেলাপোকা মারেন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। তারা এসে দেখে গেছেন। তারা একেকটি ওয়ার্ড ঠিক করতে ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা করে দাবি করেছেন। আমরা সেটাও দিতে চেয়েছি। তেলাপোকা মারার দলটি শর্ত দিয়েছে, যেদিন যে ওয়ার্ডে তারা কাজ করবেন সেদিন ওই ওয়ার্ড ফাঁকা রাখতে হবে। এটা আসলে আমাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। কারণ আমাদের এখানে এমনিতেই জায়গার অভাব। ওয়ার্ড বন্ধ করে কাজ করানো যাবে না। আবার রোগী রেখেও এগুলো মারার ওষুধ দেওয়া যাবে না। এখন দেখি বিকল্প কিছু করা যায় কিনা। স্বজনরা বলছেন, ভয়ংকর এক পরিস্থিতি এখানে। জসিম উদ্দিন নামের একজন রোগীর স্বজন বললেন, আমরা তেলাপোকার উপদ্রবে অতিষ্ঠ। সবাই খুব ভয়ের মধ্যে আছি। কোনো খাবার রাখা যাচ্ছে না কোথাও। রোগীর শরীরের ওপরেও হেঁটে বেড়াচ্ছে। পা বেয়ে শরীরে উঠে যাচ্ছে। ঢুকে যাচ্ছে লুঙ্গি বা প্যান্টের ভেতর দিয়ে। এক রোগীর স্বজন রুবিনা পারভিন জানালেন ১০নং ওয়ার্ডটি শিশু ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন বাচ্চাদের কানে বা নাকে ঢুকে যায় কিনা- এটা নিয়ে সব সময়ই ভয়ের মধ্যে থাকতে হচ্ছে। রামেকের মেডিসিন ওয়ার্ডের এক রোগীর স্বজন আলমগীর হোসেন বলেন, এমনিতেই এই হাসপাতালের সেবা নিয়ে মানুষের মুখে নানা অভিযোগ শুনি। এখানে এসে তেলাপোকার উৎপাত দেখতে পাচ্ছি। চরম বিপদ। কোনো খাবার রাখা যাচ্ছে না। অরুচিকর বিষয়। সব থেকে ভয়ের বিষয় এগুলো যে কোনো সময় নাকে-মুখে ঢুকে যেতে পারে। তখন তো আরও বড় বিপদ হতে পারে। রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানালেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না রাখতে পারার কারণেই এমন অবস্থা দাঁড়িয়েছে। গত এক বছর ধরে করোনার প্রকোপ চলছে। হাসপাতালে রোগীর যে চাপ, ঘেঁষাঘেঁষি করে থাকেন রোগী বা তাদের স্বজনরা। ওয়ার্ডগুলো ঠিকভাবে পরিষ্কার করাও যায় না। এসব কারণেই এ সমস্যাটা বেশি হয়েছে। তবে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ঠিকমতো কাজ করেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে। যারা তেলাপোকা মারেন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। তারা এসে দেখে গেছেন। তারা একেকটি ওয়ার্ড ঠিক করতে ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা করে দাবি করেছেন। আমরা সেটাও দিতে চেয়েছি। তেলাপোকা মারার দলটি শর্ত দিয়েছে, যেদিন যে ওয়ার্ডে তারা কাজ করবেন সেদিন ওই ওয়ার্ড ফাঁকা রাখতে হবে। এটা আসলে আমাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। কারণ আমাদের এখানে এমনিতেই জায়গার অভাব। ওয়ার্ড বন্ধ করে কাজ করানো যাবে না। আবার রোগী রেখেও এগুলো মারার ওষুধ দেওয়া যাবে না। এখন দেখি বিকল্প কিছু করা যায় কিনা।

রামেকে তেলাপোকার উপদ্রব

হেঁটে বেড়াচ্ছে খাবারে রোগীর গায়ে

 রাজশাহী ব্যুরো 
২০ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
হেঁটে বেড়াচ্ছে খাবারে রোগীর গায়ে
ফাইল ছবি

সমস্যা জর্জরিত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল। এর মধ্যে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে তেলাপোকার উপদ্রব। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ছড়িয়ে পড়েছে এগুলো। তেলাপোকা নিয়েই থাকতে হচ্ছে রোগী, স্বজন ও স্বাস্থ্যকর্মীদের। ছোট-বড় মিলে তেলাপোকার দল সদর্পে রাজত্ব করছে হাসপাতালের আনাচে-কানাচে। হাসপাতালের সবখানেই প্রাচীন এ ক্ষুদ্র প্রাণীটির রাজত্ব। এদের উপদ্রবে বিরক্ত রোগী ও তাদের স্বজনরা। হাসপাতালের বেডে বেডে ঘুরছে তেলাপোকা, উঠছে রোগীর গায়ে। হেঁটে বেড়াচ্ছে খাবারে। হাসপাতাল থেকে তেলাপোকা তাড়ানো নিয়ে ব্যর্থতার সুর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কণ্ঠেও। তারা বলছেন, তেলাপোকা তাড়ানোর সব উপায় খুঁজে দেখা হয়েছে, তবুও তারা ব্যর্থ হচ্ছেন। এ নিয়ে তারা বেশ বেকায়দায়ই আছেন।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার শামীম ইয়াজদানী বলেন, সব চেষ্টা করেছি। বলতে পারেন, আমরা ব্যর্থই হয়েছি। সমস্যা লুকিয়ে তো লাভ নেই। দেখি সামনে আর কিছু করা যায় কিনা?

রোগীর স্বজনরা বলছেন, অসংখ্য তেলাপোকা ঘুরে বেড়াচ্ছে চারপাশে। গায়ে উঠে পড়ছে। বিছানায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। খাবারে হাঁটছে। বয়ে বেড়াচ্ছে রোগ-জীবাণু। ভীতিকর, হাসপাতালে তাদের এ অবাধ বিচরণ।

ওয়ার্ড ঘুরে দেখা গেছে, রোগীর বিছানার নিচের দিকে বাসা বেঁধেছে অগণিত তেলাপোকা। কোনোটি বড়, কোনোটি সদ্য ফোটা বাচ্চা। এগুলো বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সোমবার ১০ নম্বর ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা গেছে, একজন শিশু রোগীর পরিচর্যা বাদ দিয়ে তেলাপোকা তাড়াতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন স্বজনরা। এগুলো এখানকার মেঝে ও দেওয়ালে, খাবার রাখার র‌্যাকে, রোগীর খাবারের বাটি, থালাতেও হেঁটে বেড়াচ্ছে। রোগী ও তাদের স্বজনরা বলছেন, ভয়ংকর এক পরিস্থিতি এখানে। জসিম উদ্দিন নামের একজন রোগীর স্বজন বললেন, আমরা তেলাপোকার উপদ্রবে অতিষ্ঠ। সবাই খুব ভয়ের মধ্যে আছি। কোনো খাবার রাখা যাচ্ছে না কোথাও। রোগীর শরীরের ওপরেও হেঁটে বেড়াচ্ছে। পা বেয়ে শরীরে উঠে যাচ্ছে। ঢুকে যাচ্ছে লুঙ্গি বা প্যান্টের ভেতর দিয়ে। এক রোগীর স্বজন রুবিনা পারভিন জানালেন ১০নং ওয়ার্ডটি শিশু ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন বাচ্চাদের কানে বা নাকে ঢুকে যায় কিনা- এটা নিয়ে সব সময়ই ভয়ের মধ্যে থাকতে হচ্ছে। রামেকের মেডিসিন ওয়ার্ডের এক রোগীর স্বজন আলমগীর হোসেন বলেন, এমনিতেই এই হাসপাতালের সেবা নিয়ে মানুষের মুখে নানা অভিযোগ শুনি। এখানে এসে তেলাপোকার উৎপাত দেখতে পাচ্ছি। চরম বিপদ। কোনো খাবার রাখা যাচ্ছে না। অরুচিকর বিষয়। সব থেকে ভয়ের বিষয় এগুলো যে কোনো সময় নাকে-মুখে ঢুকে যেতে পারে। তখন তো আরও বড় বিপদ হতে পারে।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানালেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না রাখতে পারার কারণেই এমন অবস্থা দাঁড়িয়েছে। গত এক বছর ধরে করোনার প্রকোপ চলছে। হাসপাতালে রোগীর যে চাপ, ঘেঁষাঘেঁষি করে থাকেন রোগী বা তাদের স্বজনরা। ওয়ার্ডগুলো ঠিকভাবে পরিষ্কার করাও যায় না। এসব কারণেই এ সমস্যাটা বেশি হয়েছে। তবে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ঠিকমতো কাজ করেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে। যারা তেলাপোকা মারেন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। তারা এসে দেখে গেছেন। তারা একেকটি ওয়ার্ড ঠিক করতে ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা করে দাবি করেছেন। আমরা সেটাও দিতে চেয়েছি। তেলাপোকা মারার দলটি শর্ত দিয়েছে, যেদিন যে ওয়ার্ডে তারা কাজ করবেন সেদিন ওই ওয়ার্ড ফাঁকা রাখতে হবে। এটা আসলে আমাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। কারণ আমাদের এখানে এমনিতেই জায়গার অভাব। ওয়ার্ড বন্ধ করে কাজ করানো যাবে না। আবার রোগী রেখেও এগুলো মারার ওষুধ দেওয়া যাবে না। এখন দেখি বিকল্প কিছু করা যায় কিনা। স্বজনরা বলছেন, ভয়ংকর এক পরিস্থিতি এখানে। জসিম উদ্দিন নামের একজন রোগীর স্বজন বললেন, আমরা তেলাপোকার উপদ্রবে অতিষ্ঠ। সবাই খুব ভয়ের মধ্যে আছি। কোনো খাবার রাখা যাচ্ছে না কোথাও। রোগীর শরীরের ওপরেও হেঁটে বেড়াচ্ছে। পা বেয়ে শরীরে উঠে যাচ্ছে। ঢুকে যাচ্ছে লুঙ্গি বা প্যান্টের ভেতর দিয়ে। এক রোগীর স্বজন রুবিনা পারভিন জানালেন ১০নং ওয়ার্ডটি শিশু ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন বাচ্চাদের কানে বা নাকে ঢুকে যায় কিনা- এটা নিয়ে সব সময়ই ভয়ের মধ্যে থাকতে হচ্ছে। রামেকের মেডিসিন ওয়ার্ডের এক রোগীর স্বজন আলমগীর হোসেন বলেন, এমনিতেই এই হাসপাতালের সেবা নিয়ে মানুষের মুখে নানা অভিযোগ শুনি। এখানে এসে তেলাপোকার উৎপাত দেখতে পাচ্ছি। চরম বিপদ। কোনো খাবার রাখা যাচ্ছে না। অরুচিকর বিষয়। সব থেকে ভয়ের বিষয় এগুলো যে কোনো সময় নাকে-মুখে ঢুকে যেতে পারে। তখন তো আরও বড় বিপদ হতে পারে। রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানালেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না রাখতে পারার কারণেই এমন অবস্থা দাঁড়িয়েছে। গত এক বছর ধরে করোনার প্রকোপ চলছে। হাসপাতালে রোগীর যে চাপ, ঘেঁষাঘেঁষি করে থাকেন রোগী বা তাদের স্বজনরা। ওয়ার্ডগুলো ঠিকভাবে পরিষ্কার করাও যায় না। এসব কারণেই এ সমস্যাটা বেশি হয়েছে। তবে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ঠিকমতো কাজ করেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে। যারা তেলাপোকা মারেন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। তারা এসে দেখে গেছেন। তারা একেকটি ওয়ার্ড ঠিক করতে ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা করে দাবি করেছেন। আমরা সেটাও দিতে চেয়েছি। তেলাপোকা মারার দলটি শর্ত দিয়েছে, যেদিন যে ওয়ার্ডে তারা কাজ করবেন সেদিন ওই ওয়ার্ড ফাঁকা রাখতে হবে। এটা আসলে আমাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। কারণ আমাদের এখানে এমনিতেই জায়গার অভাব। ওয়ার্ড বন্ধ করে কাজ করানো যাবে না। আবার রোগী রেখেও এগুলো মারার ওষুধ দেওয়া যাবে না। এখন দেখি বিকল্প কিছু করা যায় কিনা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন