বরিশালে এসআই ও প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে সমন
jugantor
চেক প্রতারণা মামলা
বরিশালে এসআই ও প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে সমন

  বরিশাল ব্যুরো  

২২ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বরিশালে পুলিশ কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে চেক প্রতারণা মামলায় সমন জারি করা হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শামীম আহমেদ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন।

সমন পাওয়া একজন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শেখ মো. আলী মর্তুজা ও অপরজন এলজিইডি’র সদর দফতরের আম্ফান প্রকল্পের উপ সহকারী প্রকৌশলী রোজিনা বেগম।

মর্তুজার বিরুদ্ধে মামলাটি করেন জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের বরিশাল এরিয়া অফিসার আবুল কালাম আজাদ এবং রোজিনার বিরুদ্ধে করেন বরিশাল নগরীর জাগুয়া হাটের বাসিন্দা আরিফুর রহমান।

এরিয়া অফিসার আজাদ জানান, অভিযুক্ত এসআই মর্তুজা বাগেরহাট জেলা সদরের বাদেকপাড়া এলাকার বাসিন্দা শেখ আবদুল কাদেরের ছেলে। তিনি নগদ টাকার প্রয়োজনে ২০১৯ সালের ১৭ এপ্রিল এনজিও থেকে দেড় লাখ টাকা ঋণ নেন। তার কাছে টাকা ফেরত চাইলে তিনি গত বছর ১৭ নভেম্বর সুদসহ পাওনা এক লাখ ১২ হাজার ৪৫৫ টাকার চেক দেন। চেক নগদায়নের জন্য ওইদিনই ব্যাংকে জমা দেওয়া হলে তার হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় তা ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ২৫ নভেম্বর আইনি নোটিশ দিয়ে টাকা ফেরত চাইলেও তিনি সে টাকা পরিশোধ করেননি। এ অভিযোগ দিয়ে মামলা হলে মর্তুজাকে আদালতে হাজির হতে তার বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়। আরিফুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত প্রকৌশলী রোজিনা তার পরিচিত। তিনি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে গতবছর ৫ অক্টোবর বরিশালে এসে দুমাসের মধ্যে ফেরত দেওয়ার শর্তে ১০ লাখ টাকা তার কাছ থেকে ধার নেন। রোজিনার কাছে টাকা ফেরত চাইলে তিনি ৪ ডিসেম্বর পাওনা ১০ লাখ টাকার বিপরীতে চেক দেন। চেক নগদায়নের জন্য ৯ ডিসেম্বর ব্যাংকে জমা দেওয়া হলে তার হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় তা প্রত্যাখ্যাত হয়। ১৪ ডিসেম্বর আইনি নোটিশ দিয়ে টাকা ফেরত চাইলেও তিনি তা শোধ করেননি। এ অভিযোগ দিয়ে মামলা হলে তাকে আদালতে হাজির হতে তার বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়।

চেক প্রতারণা মামলা

বরিশালে এসআই ও প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে সমন

 বরিশাল ব্যুরো 
২২ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বরিশালে পুলিশ কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে চেক প্রতারণা মামলায় সমন জারি করা হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শামীম আহমেদ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন।

সমন পাওয়া একজন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শেখ মো. আলী মর্তুজা ও অপরজন এলজিইডি’র সদর দফতরের আম্ফান প্রকল্পের উপ সহকারী প্রকৌশলী রোজিনা বেগম।

মর্তুজার বিরুদ্ধে মামলাটি করেন জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের বরিশাল এরিয়া অফিসার আবুল কালাম আজাদ এবং রোজিনার বিরুদ্ধে করেন বরিশাল নগরীর জাগুয়া হাটের বাসিন্দা আরিফুর রহমান।

এরিয়া অফিসার আজাদ জানান, অভিযুক্ত এসআই মর্তুজা বাগেরহাট জেলা সদরের বাদেকপাড়া এলাকার বাসিন্দা শেখ আবদুল কাদেরের ছেলে। তিনি নগদ টাকার প্রয়োজনে ২০১৯ সালের ১৭ এপ্রিল এনজিও থেকে দেড় লাখ টাকা ঋণ নেন। তার কাছে টাকা ফেরত চাইলে তিনি গত বছর ১৭ নভেম্বর সুদসহ পাওনা এক লাখ ১২ হাজার ৪৫৫ টাকার চেক দেন। চেক নগদায়নের জন্য ওইদিনই ব্যাংকে জমা দেওয়া হলে তার হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় তা ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ২৫ নভেম্বর আইনি নোটিশ দিয়ে টাকা ফেরত চাইলেও তিনি সে টাকা পরিশোধ করেননি। এ অভিযোগ দিয়ে মামলা হলে মর্তুজাকে আদালতে হাজির হতে তার বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়। আরিফুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত প্রকৌশলী রোজিনা তার পরিচিত। তিনি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে গতবছর ৫ অক্টোবর বরিশালে এসে দুমাসের মধ্যে ফেরত দেওয়ার শর্তে ১০ লাখ টাকা তার কাছ থেকে ধার নেন। রোজিনার কাছে টাকা ফেরত চাইলে তিনি ৪ ডিসেম্বর পাওনা ১০ লাখ টাকার বিপরীতে চেক দেন। চেক নগদায়নের জন্য ৯ ডিসেম্বর ব্যাংকে জমা দেওয়া হলে তার হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় তা প্রত্যাখ্যাত হয়। ১৪ ডিসেম্বর আইনি নোটিশ দিয়ে টাকা ফেরত চাইলেও তিনি তা শোধ করেননি। এ অভিযোগ দিয়ে মামলা হলে তাকে আদালতে হাজির হতে তার বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন