যবিপ্রবির জিনোম সেন্টারে ৩৫ জনের ওমিক্রন শনাক্ত
jugantor
যবিপ্রবির জিনোম সেন্টারে ৩৫ জনের ওমিক্রন শনাক্ত

  যশোর ব্যুরো  

২৪ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিনোম সেন্টারে এবার ৩৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ঠান্ডা, গলা ব্যথা, মাংসপেশিতে ব্যথা, হালকা জ্বর ছাড়া অন্য কোনো গুরুতর উপসর্গ নেই। এ নিয়ে জিনোম সেন্টারে ৩৮ জনের ওমিক্রন শনাক্ত হলো। রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক বিষয়টি জানিয়েছেন।

গবেষক দলটি ৩১ ডিসেম্বর থেকে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ২৬ জন পুরুষ ও ১৫ জন নারীর নমুনার স্যাঙ্গার সিকুয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে ৩৫ জনের ওমিক্রন শনাক্ত করে। বাকিগুলো ডেল্টা ধরন বলে শনাক্ত করা হয়েছে।

যবিপ্রবির জিনোম সেন্টার থেকে জানানো হয়, এর আগে ৩টি নমুনার পূর্ণাঙ্গ জীবন রহস্য (হোল জিনোম সিকোয়েন্স) উন্মোচন করার মাধ্যমে ওমিক্রন শনাক্ত করা হয়েছিল। এবার ৩৫ জনের স্পাইক প্রোটিনের স্যাঙ্গার সিকুয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে ১২ থেকে ১৩টি মিউটেশনের ওপর ভিত্তি করে ওমিক্রন শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের বয়স ২০ থেকে ৭১ বছরের মধ্যে।

যবিপ্রবির অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও জিনোম সেন্টারের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদের নেতৃত্বে করোনার নতুন এ ধরন শনাক্ত করা হয়। তিনি বলেন, যদিও আক্রান্তদের এখনো গুরুতর উপসর্গ নেই। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটিকে উদ্বেগজনক বলেছে।

যবিপ্রবির উপাচার্য ও জিনোম সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ওমিক্রন খুবই দ্রুত সংক্রমনশীল। যশোর অঞ্চলে এটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ৩০ শতাংশের অধিক নমুনা পজিটিভ শনাক্ত হচ্ছে।

যবিপ্রবির অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও জিনোম সেন্টারের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদসহ গবেষক দলের অন্য সদস্যরা হলেন-বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. হাসান মো. আল-ইমরান, অণুজীববিজ্ঞন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শোভন লাল সরকার, এ এসএম রুবাইয়াতুল আলম, প্রভাষক শামিনুর রহমান, জিনোম সেন্টারের গবেষণা সহকারী প্রশান্ত কুমার দাস, আলী আহসান সেতু, তৌকির আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল তারিক, আনজীর রুমি, নাজনীন সুলতানা সুমনা প্রমুখ।

নতুন সংক্রমণ : রেড জোন যশোর জেলায় করোনা সংক্রমণ দ্রুত গতিতে বাড়ছে। সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, ২৪ ঘণ্টায় জেলার ৪০৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৯৪ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে যবিপ্রবির জিনোম সেন্টারে ২৬৬ জনের মধ্যে ১০৮ জনের এবং র‌্যাপিড অ্যান্টিজেনে ১৫০ জনের মধ্যে ৮৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এ নিয়ে জেলায় ২২ হাজার ৬২৪ জনের করোনা শনাক্ত হলো। এর মধ্যে ২১ হাজার ৪১৯ জন সুস্থ হয়েছে। জেলায় এ পর্যন্ত মারা গেছে ৫১৭ জন।

যবিপ্রবির জিনোম সেন্টারে ৩৫ জনের ওমিক্রন শনাক্ত

 যশোর ব্যুরো 
২৪ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিনোম সেন্টারে এবার ৩৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ঠান্ডা, গলা ব্যথা, মাংসপেশিতে ব্যথা, হালকা জ্বর ছাড়া অন্য কোনো গুরুতর উপসর্গ নেই। এ নিয়ে জিনোম সেন্টারে ৩৮ জনের ওমিক্রন শনাক্ত হলো। রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক বিষয়টি জানিয়েছেন।

গবেষক দলটি ৩১ ডিসেম্বর থেকে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ২৬ জন পুরুষ ও ১৫ জন নারীর নমুনার স্যাঙ্গার সিকুয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে ৩৫ জনের ওমিক্রন শনাক্ত করে। বাকিগুলো ডেল্টা ধরন বলে শনাক্ত করা হয়েছে।

যবিপ্রবির জিনোম সেন্টার থেকে জানানো হয়, এর আগে ৩টি নমুনার পূর্ণাঙ্গ জীবন রহস্য (হোল জিনোম সিকোয়েন্স) উন্মোচন করার মাধ্যমে ওমিক্রন শনাক্ত করা হয়েছিল। এবার ৩৫ জনের স্পাইক প্রোটিনের স্যাঙ্গার সিকুয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে ১২ থেকে ১৩টি মিউটেশনের ওপর ভিত্তি করে ওমিক্রন শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের বয়স ২০ থেকে ৭১ বছরের মধ্যে।

যবিপ্রবির অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও জিনোম সেন্টারের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদের নেতৃত্বে করোনার নতুন এ ধরন শনাক্ত করা হয়। তিনি বলেন, যদিও আক্রান্তদের এখনো গুরুতর উপসর্গ নেই। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটিকে উদ্বেগজনক বলেছে।

যবিপ্রবির উপাচার্য ও জিনোম সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ওমিক্রন খুবই দ্রুত সংক্রমনশীল। যশোর অঞ্চলে এটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ৩০ শতাংশের অধিক নমুনা পজিটিভ শনাক্ত হচ্ছে।

যবিপ্রবির অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও জিনোম সেন্টারের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদসহ গবেষক দলের অন্য সদস্যরা হলেন-বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. হাসান মো. আল-ইমরান, অণুজীববিজ্ঞন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শোভন লাল সরকার, এ এসএম রুবাইয়াতুল আলম, প্রভাষক শামিনুর রহমান, জিনোম সেন্টারের গবেষণা সহকারী প্রশান্ত কুমার দাস, আলী আহসান সেতু, তৌকির আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল তারিক, আনজীর রুমি, নাজনীন সুলতানা সুমনা প্রমুখ।

নতুন সংক্রমণ : রেড জোন যশোর জেলায় করোনা সংক্রমণ দ্রুত গতিতে বাড়ছে। সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, ২৪ ঘণ্টায় জেলার ৪০৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৯৪ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে যবিপ্রবির জিনোম সেন্টারে ২৬৬ জনের মধ্যে ১০৮ জনের এবং র‌্যাপিড অ্যান্টিজেনে ১৫০ জনের মধ্যে ৮৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এ নিয়ে জেলায় ২২ হাজার ৬২৪ জনের করোনা শনাক্ত হলো। এর মধ্যে ২১ হাজার ৪১৯ জন সুস্থ হয়েছে। জেলায় এ পর্যন্ত মারা গেছে ৫১৭ জন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন