করোনা আক্রান্ত, তবুও সশরীরে পরীক্ষা দিতে বাধ্য করার অভিযোগ
jugantor
করোনা আক্রান্ত, তবুও সশরীরে পরীক্ষা দিতে বাধ্য করার অভিযোগ

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

২৬ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিধি-নিষেধের তোয়াক্কা না করে করোনা আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের সশরীরে পরীক্ষায় অংশ নিতে বাধ্য করার অভিযোগ ওঠেছে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (সিবিআইইউ) বিরুদ্ধে।

সিবিআইইউ কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালিপনা সিদ্ধান্তের কারণে হুমকিতে পড়েছে অন্যান্য শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জীবন। তবে এমন অভিযোগ মানতে নারাজ সিবিআইইউ প্রশাসন।

সূত্র জানায়, ১৫ জানুয়ারি থেকে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ৭টি অনুষদের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হয়। যা চলবে ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এরই মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ও উপসর্গ রয়েছে অনেক শিক্ষার্থীর, যারা পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।

ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট ফোরামের সভাপতি হোসাইন মুরাদ প্রিন্স বলেন, আমাদের কয়েকজন শিক্ষার্থী করোনা আক্রান্ত। এ কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার আবেদন করেছিলাম। আবেদনটি প্রশাসন গ্রহণ করলেও বাস্তবায়নে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

জানা যায়, করোনা আক্রান্ত দুই শিক্ষার্থীসহ উপসর্গ নিয়ে ২০-৩০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। করোনা উপসর্গের বিষয়টি অনেক শিক্ষার্থী ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. গোলাম কবির ভূঁইয়া বলেন, করোনা আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে। তারা পরে পরীক্ষা দিতে পারবেন। করোনা আক্রান্তরা কেন সশরীরে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, যারা করোনা আক্রান্ত কিন্তু শরীরে শক্তি পাচ্ছেন তারা পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন হয়তো। সংক্রামক ব্যাধিটি ছড়ানোর ঝুঁকি রয়েছে-এমন প্রশ্নের জবাব না দিয়েই মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন উপাচার্য।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আল আমিন পারভেজ বলেন, করোনা আক্রান্তদের সশরীরে পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ নেই। বিষয়টির খোঁজ খবর নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

করোনা আক্রান্ত, তবুও সশরীরে পরীক্ষা দিতে বাধ্য করার অভিযোগ

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
২৬ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিধি-নিষেধের তোয়াক্কা না করে করোনা আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের সশরীরে পরীক্ষায় অংশ নিতে বাধ্য করার অভিযোগ ওঠেছে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (সিবিআইইউ) বিরুদ্ধে।

সিবিআইইউ কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালিপনা সিদ্ধান্তের কারণে হুমকিতে পড়েছে অন্যান্য শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জীবন। তবে এমন অভিযোগ মানতে নারাজ সিবিআইইউ প্রশাসন।

সূত্র জানায়, ১৫ জানুয়ারি থেকে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ৭টি অনুষদের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হয়। যা চলবে ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এরই মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ও উপসর্গ রয়েছে অনেক শিক্ষার্থীর, যারা পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।

ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট ফোরামের সভাপতি হোসাইন মুরাদ প্রিন্স বলেন, আমাদের কয়েকজন শিক্ষার্থী করোনা আক্রান্ত। এ কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার আবেদন করেছিলাম। আবেদনটি প্রশাসন গ্রহণ করলেও বাস্তবায়নে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

জানা যায়, করোনা আক্রান্ত দুই শিক্ষার্থীসহ উপসর্গ নিয়ে ২০-৩০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। করোনা উপসর্গের বিষয়টি অনেক শিক্ষার্থী ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. গোলাম কবির ভূঁইয়া বলেন, করোনা আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে। তারা পরে পরীক্ষা দিতে পারবেন। করোনা আক্রান্তরা কেন সশরীরে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, যারা করোনা আক্রান্ত কিন্তু শরীরে শক্তি পাচ্ছেন তারা পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন হয়তো। সংক্রামক ব্যাধিটি ছড়ানোর ঝুঁকি রয়েছে-এমন প্রশ্নের জবাব না দিয়েই মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন উপাচার্য।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আল আমিন পারভেজ বলেন, করোনা আক্রান্তদের সশরীরে পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ নেই। বিষয়টির খোঁজ খবর নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন