মালিক-শ্রমিক পালটাপালটি কর্মসূচি
jugantor
অটোরিকশার দৈনিক জমা
মালিক-শ্রমিক পালটাপালটি কর্মসূচি

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২২ মে ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিএনজিচালিত অটোরিকশার দৈনিক জমার টাকা বাড়ানোসহ নয় দফা দাবিতে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভেতরে সংবাদ সম্মেলন করেছে ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিকশা মালিক সমিতি ঐক্য পরিষদ। একই সময়ে দৈনিক জমা না বাড়ানোসহ দুই দফা দাবিতে প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে ঢাকা জেলা সিএনজি অটোরিকশা, মিশুকচালক ও শ্রমিক ইউনিয়ন। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

প্রেস ক্লাবের জহুরুল হক হলে সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিকশা মালিক সমিতি ঐক্য পরিষদের সভাপতি বরকত উল্লাহ বলেন, অটোরিকশার সর্বশেষ দৈনিক জমা ২০১৫ সালে নির্ধারণ করা হয় ৯০০ টাকা এবং মিটারে প্রতি কিলোমিটারে ১২ টাকা। বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, অটোরিকশার যন্ত্রাংশের দাম বাড়ায় এবং বিআরটিএতে ট্যাক্স বাড়ায় অটোরিকশা ব্যবসা চালানো মালিকদের পক্ষে কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকার নির্ধারিত দৈনিক জমা ৯০০ টাকার বেশি চালকদের কাছ থেকে নেওয়া ছাড়া মালিকদের আর কোনো উপায় নেই। বর্তমানে দৈনিক জমা অন্তত ১ হাজার ২০০ টাকা এবং মিটারে প্রতি কিলোমিটারে ২০ টাকা করতে হবে। অটোরিকশা মালিকদের অন্যতম দাবিগুলো হলো-ঢাকা মহানগরীতে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলা এবং প্রাইভেট অটোরিকশার চলাচল বন্ধ করতে হবে। বিভিন্ন জেলার অটোরিকশার নির্ধারিত রং বাস্তবায়ন করে রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস দিতে হবে। মহানগরীতে অটোরিকশার জন্য স্থায়ী পার্কিংয়ের ব্যবস্থা না করে নো পার্কিংয়ের মামলা বন্ধ করতে হবে, সহজ শর্তে চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে হবে।

এদিকে, প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে মানববন্ধনে ঢাকা জেলা সিএনজি অটোরিকশা, মিশুকচালক ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এমনিতেই মালিকরা ৯০০ টাকার জায়গায় ১ হাজার ২০০ টাকা জমা নেন। তারা শিফটভেদে ১ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত জমা নেন, যা অন্যায়। অটোরিকশার দৈনিক জমা কোনো ভাবেই ৯০০ টাকার বেশি আইন করে নেওয়া যাবে না। এ মানববন্ধনে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকেরা তাদের দাবি দুটি তুলে ধরেন। এগুলো হলো-অটোরিকশার জন্য দৈনিক জমা ৯০০ টাকার বেশি নেওয়া যাবে না এবং চালকদের নামে বরাদ্দ ৫ হাজার অটোরিকশা না দেওয়া পর্যন্ত মহানগরীতে কোনো প্রকার থ্রি-হুইলার উচ্ছেদ করা যাবে না। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সংগঠনটির নেতা জব্বার মিয়া, মিজানুর রহমান, নূর রশিদ, রুহুল আমিন প্রমুখ।

অটোরিকশা ডাইভার্স ইউনিয়নের ৭ দফা : পুলিশি হয়রানি বন্ধসহ ৭ দফা দাবি জানিয়েছে ঢাকা জেলা ফোর স্ট্রোক (সিএনজি) অটোরিকশা ডাইভার্স ইউনিয়ন। শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তারা এ দাবি জানান। তাদের দাবিগুলো হলো-১. সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চালকদের ৫ হাজার সিএনজি অটোরিকশা বরাদ্দ বাস্তবায়ন করতে হবে। ২. সরকার নির্ধারিত ৯০০ টাকা জমা বাস্তবায়ন করতে হবে। ৩. টার্মিনাল ছাড়া সিটি টোল নেওয়া যাবে না। ৪. স্থায়ী পার্কিং স্ট্যান্ড নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত নো পার্কিং মামলা দেওয়া যাবে না। ৫. সহজ শর্তে চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে হবে। ৬. পাঁচ হাজার গাড়ি না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকা মহানগর থেকে কোনো গাড়ি বন্ধ বা ওঠানো যাবে না। ৭. গ্যারেজ ভাড়ার নামে চালকদের কাছ থেকে টাকা আদায় বন্ধ করতে হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়নের সভাপতি রফিকুল ইসলাম। সঞ্চালনা করেন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ। এছাড়া বক্তব্য দেন বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

অটোরিকশার দৈনিক জমা

মালিক-শ্রমিক পালটাপালটি কর্মসূচি

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২২ মে ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিএনজিচালিত অটোরিকশার দৈনিক জমার টাকা বাড়ানোসহ নয় দফা দাবিতে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভেতরে সংবাদ সম্মেলন করেছে ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিকশা মালিক সমিতি ঐক্য পরিষদ। একই সময়ে দৈনিক জমা না বাড়ানোসহ দুই দফা দাবিতে প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে ঢাকা জেলা সিএনজি অটোরিকশা, মিশুকচালক ও শ্রমিক ইউনিয়ন। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

প্রেস ক্লাবের জহুরুল হক হলে সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিকশা মালিক সমিতি ঐক্য পরিষদের সভাপতি বরকত উল্লাহ বলেন, অটোরিকশার সর্বশেষ দৈনিক জমা ২০১৫ সালে নির্ধারণ করা হয় ৯০০ টাকা এবং মিটারে প্রতি কিলোমিটারে ১২ টাকা। বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, অটোরিকশার যন্ত্রাংশের দাম বাড়ায় এবং বিআরটিএতে ট্যাক্স বাড়ায় অটোরিকশা ব্যবসা চালানো মালিকদের পক্ষে কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকার নির্ধারিত দৈনিক জমা ৯০০ টাকার বেশি চালকদের কাছ থেকে নেওয়া ছাড়া মালিকদের আর কোনো উপায় নেই। বর্তমানে দৈনিক জমা অন্তত ১ হাজার ২০০ টাকা এবং মিটারে প্রতি কিলোমিটারে ২০ টাকা করতে হবে। অটোরিকশা মালিকদের অন্যতম দাবিগুলো হলো-ঢাকা মহানগরীতে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলা এবং প্রাইভেট অটোরিকশার চলাচল বন্ধ করতে হবে। বিভিন্ন জেলার অটোরিকশার নির্ধারিত রং বাস্তবায়ন করে রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস দিতে হবে। মহানগরীতে অটোরিকশার জন্য স্থায়ী পার্কিংয়ের ব্যবস্থা না করে নো পার্কিংয়ের মামলা বন্ধ করতে হবে, সহজ শর্তে চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে হবে।

এদিকে, প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে মানববন্ধনে ঢাকা জেলা সিএনজি অটোরিকশা, মিশুকচালক ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এমনিতেই মালিকরা ৯০০ টাকার জায়গায় ১ হাজার ২০০ টাকা জমা নেন। তারা শিফটভেদে ১ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত জমা নেন, যা অন্যায়। অটোরিকশার দৈনিক জমা কোনো ভাবেই ৯০০ টাকার বেশি আইন করে নেওয়া যাবে না। এ মানববন্ধনে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকেরা তাদের দাবি দুটি তুলে ধরেন। এগুলো হলো-অটোরিকশার জন্য দৈনিক জমা ৯০০ টাকার বেশি নেওয়া যাবে না এবং চালকদের নামে বরাদ্দ ৫ হাজার অটোরিকশা না দেওয়া পর্যন্ত মহানগরীতে কোনো প্রকার থ্রি-হুইলার উচ্ছেদ করা যাবে না। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সংগঠনটির নেতা জব্বার মিয়া, মিজানুর রহমান, নূর রশিদ, রুহুল আমিন প্রমুখ।

অটোরিকশা ডাইভার্স ইউনিয়নের ৭ দফা : পুলিশি হয়রানি বন্ধসহ ৭ দফা দাবি জানিয়েছে ঢাকা জেলা ফোর স্ট্রোক (সিএনজি) অটোরিকশা ডাইভার্স ইউনিয়ন। শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তারা এ দাবি জানান। তাদের দাবিগুলো হলো-১. সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চালকদের ৫ হাজার সিএনজি অটোরিকশা বরাদ্দ বাস্তবায়ন করতে হবে। ২. সরকার নির্ধারিত ৯০০ টাকা জমা বাস্তবায়ন করতে হবে। ৩. টার্মিনাল ছাড়া সিটি টোল নেওয়া যাবে না। ৪. স্থায়ী পার্কিং স্ট্যান্ড নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত নো পার্কিং মামলা দেওয়া যাবে না। ৫. সহজ শর্তে চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে হবে। ৬. পাঁচ হাজার গাড়ি না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকা মহানগর থেকে কোনো গাড়ি বন্ধ বা ওঠানো যাবে না। ৭. গ্যারেজ ভাড়ার নামে চালকদের কাছ থেকে টাকা আদায় বন্ধ করতে হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়নের সভাপতি রফিকুল ইসলাম। সঞ্চালনা করেন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ। এছাড়া বক্তব্য দেন বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন