শেরপুরে স্ত্রী শ্বশুর শাশুড়িসহ ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা
jugantor
পারিবারিক কলহ
শেরপুরে স্ত্রী শ্বশুর শাশুড়িসহ ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা
ঘাতক গ্রেফতার

  শেরপুর প্রতিনিধি  

২৫ জুন ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শেরপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী, শাশুড়িসহ ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মিন্টু মিয়া নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শ্রীবরদী উপজেলার কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের খোশালপুর পুটল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- মিন্টু মিয়ার স্ত্রী মনিরা বেগম (৩৫), শাশুড়ি শেফালী বেগম (৫০) ও চাচা শ্বশুর নুর মোহাম্মদ ওরফে মাহমুদ হাজী (৬৫)। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তিনজন। তারা হলেন- শ্বশুর মনু মিয়া (৬০), নিহত নুর মোহাম্মদ ওরফে মাহমুদ হাজী স্ত্রী সাহেরা খাতুন (৫২) ও মনু মিয়ার ছেলে শাহাদাৎ হোসেন (২৫)। তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ঘাতক মিন্টু মিয়াকে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন শেরপুরের পুলিশ সুপার হাসান নাহিদ চৌধুরীসহ পুলিশ ও র‌্যাবের কর্মকর্তারা। পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৭ বছর আগে শ্রীবরদী উপজেলার পুটল গ্রামের মনু মিয়ার মেয়ে মনিরা বেগমের বিয়ে হয় পাশের গেরামারা গ্রামের আব্দুল হাইয়ের ছেলে মিন্টু মিয়ার সঙ্গে। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। মিন্টু মিয়া কোনো কাজকর্ম না করায় সংসারে কলহ চলছিল। এর জেরে গত রমজান মাসের শুরুতে বাপের বাড়ি চলে যান মনিরা বেগম। মিন্টু মিয়া কয়েকদিন স্ত্রী মনিরা বেগমকে আনতে গেলেও মনিরা বেগম স্বামীর বাড়ি যাননি।

এ কারনে ক্ষুব্দ মিন্টু মিয়া বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বোরকা পরে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে স্ত্রী মনিরা বেগম, শাশুড়ি শেফালী বেগম, শ্বশুর মনু মিয়া ও চাচা শ্বশুর নুর মোহাম্মদ ওরফে মাহমুদ হাজীসহ ৬ জনকে আহত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বকশিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যওয়ার পথে মনিরা বেগম (৩৫) মারা যান। আর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর মারা যান আরও দুজন।

শ্রীবরদী থানার ওসি বিপ্লব কুমার বিশ্বাস জানান, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মিন্টু মিয়াকে শুক্রবার ভোরে গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি দা ও ছোড়া উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া মিন্টু মিয়া যে বোরকা পরে গিয়েছিল সেটিও জব্দ করা হয়েছে। এই ব্যাপারে নিহত মনিরার ছোট বোন বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

পারিবারিক কলহ

শেরপুরে স্ত্রী শ্বশুর শাশুড়িসহ ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা

ঘাতক গ্রেফতার
 শেরপুর প্রতিনিধি 
২৫ জুন ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শেরপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী, শাশুড়িসহ ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মিন্টু মিয়া নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শ্রীবরদী উপজেলার কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের খোশালপুর পুটল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- মিন্টু মিয়ার স্ত্রী মনিরা বেগম (৩৫), শাশুড়ি শেফালী বেগম (৫০) ও চাচা শ্বশুর নুর মোহাম্মদ ওরফে মাহমুদ হাজী (৬৫)। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তিনজন। তারা হলেন- শ্বশুর মনু মিয়া (৬০), নিহত নুর মোহাম্মদ ওরফে মাহমুদ হাজী স্ত্রী সাহেরা খাতুন (৫২) ও মনু মিয়ার ছেলে শাহাদাৎ হোসেন (২৫)। তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ঘাতক মিন্টু মিয়াকে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন শেরপুরের পুলিশ সুপার হাসান নাহিদ চৌধুরীসহ পুলিশ ও র‌্যাবের কর্মকর্তারা। পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৭ বছর আগে শ্রীবরদী উপজেলার পুটল গ্রামের মনু মিয়ার মেয়ে মনিরা বেগমের বিয়ে হয় পাশের গেরামারা গ্রামের আব্দুল হাইয়ের ছেলে মিন্টু মিয়ার সঙ্গে। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। মিন্টু মিয়া কোনো কাজকর্ম না করায় সংসারে কলহ চলছিল। এর জেরে গত রমজান মাসের শুরুতে বাপের বাড়ি চলে যান মনিরা বেগম। মিন্টু মিয়া কয়েকদিন স্ত্রী মনিরা বেগমকে আনতে গেলেও মনিরা বেগম স্বামীর বাড়ি যাননি।

এ কারনে ক্ষুব্দ মিন্টু মিয়া বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বোরকা পরে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে স্ত্রী মনিরা বেগম, শাশুড়ি শেফালী বেগম, শ্বশুর মনু মিয়া ও চাচা শ্বশুর নুর মোহাম্মদ ওরফে মাহমুদ হাজীসহ ৬ জনকে আহত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বকশিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যওয়ার পথে মনিরা বেগম (৩৫) মারা যান। আর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর মারা যান আরও দুজন।

শ্রীবরদী থানার ওসি বিপ্লব কুমার বিশ্বাস জানান, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মিন্টু মিয়াকে শুক্রবার ভোরে গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি দা ও ছোড়া উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া মিন্টু মিয়া যে বোরকা পরে গিয়েছিল সেটিও জব্দ করা হয়েছে। এই ব্যাপারে নিহত মনিরার ছোট বোন বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন