দাউদকান্দিতে কালাডুমুর নদীতে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু
jugantor
দাউদকান্দিতে কালাডুমুর নদীতে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু

  দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

২৯ জুন ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লার দাউদকান্দির গলিয়ারচর ও ছান্দ্রা গ্রামের মাঝখানে বয়ে যাওয়া কালাডুমুর নদীর ওপর নির্মিত জরাজীর্ণ সেতুটি যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে। ওই সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। সেতুটি দিয়ে গলিয়ারচর ছান্দ্রা গ্রামের পাশাপাশি অন্য গ্রামের মানুষও চলাচল করে। এই নদীপথ দিয়ে বড় বড় বালুবাহী ভলগেট ও ইটের ট্রলার সেতুর নিচ দিয়ে চলাচল করে। তবে এলাকাবাসীর দাবি সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে অপরিকল্পিতভাবে। এলাকার মানুষের একটাই দাবি, আপাতত কোনো বড় ট্রলার বা বালুর ভলগেট যেন চলাচল না করে। তারা এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা দ্রুতই জরাজীর্ণ এই সেতুটি ভেঙে নতুন করে নির্মাণের দাবি করেছেন। তারা চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর অবসরপ্রাপ্ত মোহাম্মদ আলী সুমন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মহিনুল ইসলামের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

জিংলাতলি ইউনিয়নের মানুষের দ্রুত চলাচলের জন্য এই রাস্তাটি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখে। এই ইউনিয়নের আওতাভুক্ত গ্রাম চান্দেরচর, গলিয়ার চর, চর চারিপাড়া গ্রামের সাধারণ মানুষকে গৌরীপুর বাজার বা রায়পুর হয়ে অনেক পথ পাড়ি দিয়ে যাতায়াত করতে হয়।

জিংলাতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন মোল্লা মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, কালাডুমুর নদীর ওপর নির্মিত জরাজীর্ণ সেতুটি মেরামতের জন্য দ্রুত উপজেলা প্রশাসন ও এলজিইডির কর্তৃপক্ষকে দ্রুত অবহিত করা হবে।

এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী আফসার উদ্দিন বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অভিযোগ পেলে মেরামতের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দাউদকান্দিতে কালাডুমুর নদীতে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু

 দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
২৯ জুন ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লার দাউদকান্দির গলিয়ারচর ও ছান্দ্রা গ্রামের মাঝখানে বয়ে যাওয়া কালাডুমুর নদীর ওপর নির্মিত জরাজীর্ণ সেতুটি যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে। ওই সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। সেতুটি দিয়ে গলিয়ারচর ছান্দ্রা গ্রামের পাশাপাশি অন্য গ্রামের মানুষও চলাচল করে। এই নদীপথ দিয়ে বড় বড় বালুবাহী ভলগেট ও ইটের ট্রলার সেতুর নিচ দিয়ে চলাচল করে। তবে এলাকাবাসীর দাবি সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে অপরিকল্পিতভাবে। এলাকার মানুষের একটাই দাবি, আপাতত কোনো বড় ট্রলার বা বালুর ভলগেট যেন চলাচল না করে। তারা এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা দ্রুতই জরাজীর্ণ এই সেতুটি ভেঙে নতুন করে নির্মাণের দাবি করেছেন। তারা চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর অবসরপ্রাপ্ত মোহাম্মদ আলী সুমন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মহিনুল ইসলামের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

জিংলাতলি ইউনিয়নের মানুষের দ্রুত চলাচলের জন্য এই রাস্তাটি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখে। এই ইউনিয়নের আওতাভুক্ত গ্রাম চান্দেরচর, গলিয়ার চর, চর চারিপাড়া গ্রামের সাধারণ মানুষকে গৌরীপুর বাজার বা রায়পুর হয়ে অনেক পথ পাড়ি দিয়ে যাতায়াত করতে হয়।

জিংলাতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন মোল্লা মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, কালাডুমুর নদীর ওপর নির্মিত জরাজীর্ণ সেতুটি মেরামতের জন্য দ্রুত উপজেলা প্রশাসন ও এলজিইডির কর্তৃপক্ষকে দ্রুত অবহিত করা হবে।

এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী আফসার উদ্দিন বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অভিযোগ পেলে মেরামতের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন